ঠাকুরগাঁওয়ের পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি গাজীপুরে গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁওয়ের পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি গাজীপুরে গ্রেপ্তার
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁও সদর থানায় দায়ের করা ধর্ষণচেষ্টা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলার প্রধান আসামিকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রবিবার (২১ জুন) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব ১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৯ জুন সন্ধ্যায় র্যাব-১৩ এবং র্যাব-১ এর একটি যৌথ অভিযানিক দল গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার সাইনবোর্ড নারায়ণপুর রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ঠাকুরগাঁও সদর থানার ধর্ষণচেষ্টা ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান এজাহারভুক্ত আসামি মো. মনসুর আলমকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী নিজেই মামলার বাদী। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর আত্মীয় হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিতে শুরু করেন। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ভুয়া কাবিননামা পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিযুক্ত ভুক্তভোগীকে দেখা করার জন্য চাপ দেন। পরে ঠাকুরগাঁও শহরের একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগী বাধা দিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, অভিযুক্ত ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে সেগুলো সামাজিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী তার দাবি মেনে না নেওয়ায় অভিযুক্ত ওই ছবি ও ভিডিও ভুক্তভোগীর স্বামীসহ স্থানীয় কয়েকজনের মোবাইল ফোনে পাঠিয়ে দেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গত ১৯ মে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানায় দায়ের করা ধর্ষণচেষ্টা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলার প্রধান আসামিকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রবিবার (২১ জুন) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব ১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৯ জুন সন্ধ্যায় র্যাব-১৩ এবং র্যাব-১ এর একটি যৌথ অভিযানিক দল গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার সাইনবোর্ড নারায়ণপুর রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ঠাকুরগাঁও সদর থানার ধর্ষণচেষ্টা ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান এজাহারভুক্ত আসামি মো. মনসুর আলমকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী নিজেই মামলার বাদী। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর আত্মীয় হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিতে শুরু করেন। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ভুয়া কাবিননামা পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিযুক্ত ভুক্তভোগীকে দেখা করার জন্য চাপ দেন। পরে ঠাকুরগাঁও শহরের একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগী বাধা দিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, অভিযুক্ত ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে সেগুলো সামাজিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী তার দাবি মেনে না নেওয়ায় অভিযুক্ত ওই ছবি ও ভিডিও ভুক্তভোগীর স্বামীসহ স্থানীয় কয়েকজনের মোবাইল ফোনে পাঠিয়ে দেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গত ১৯ মে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি গাজীপুরে গ্রেপ্তার
ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

ঠাকুরগাঁও সদর থানায় দায়ের করা ধর্ষণচেষ্টা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলার প্রধান আসামিকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রবিবার (২১ জুন) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব ১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৯ জুন সন্ধ্যায় র্যাব-১৩ এবং র্যাব-১ এর একটি যৌথ অভিযানিক দল গাজীপুরের কাপাসিয়া থানার সাইনবোর্ড নারায়ণপুর রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ঠাকুরগাঁও সদর থানার ধর্ষণচেষ্টা ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান এজাহারভুক্ত আসামি মো. মনসুর আলমকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী নিজেই মামলার বাদী। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর আত্মীয় হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিতে শুরু করেন। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ভুয়া কাবিননামা পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিযুক্ত ভুক্তভোগীকে দেখা করার জন্য চাপ দেন। পরে ঠাকুরগাঁও শহরের একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় ভুক্তভোগী বাধা দিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া, অভিযুক্ত ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে সেগুলো সামাজিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী তার দাবি মেনে না নেওয়ায় অভিযুক্ত ওই ছবি ও ভিডিও ভুক্তভোগীর স্বামীসহ স্থানীয় কয়েকজনের মোবাইল ফোনে পাঠিয়ে দেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গত ১৯ মে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আশুলিয়ায় তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩


