পরিচয় মিলেছে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ হারানো ৫ জনের

পরিচয় মিলেছে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ হারানো ৫ জনের
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহতের ঘটনায় ৫ জনের পরিচয় মিলেছে। এর মধ্যে ৩ জন একই পরিবারের সদস্য।
নিহতরা হলেন– গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নিজপাড়া গ্রামের হামিদুজ্জামানের স্ত্রী নার্গিস আক্তার, তার ছেলে নিরব ও বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা বেগম এবং একই গ্রামের রিপা ও সুলতান।
স্বজনরা জানায়, তিন দিন আগে বড় ছেলে নাঈমের বিয়ে দেন পোশাক শ্রমিক নার্গিস আক্তার। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট ছেলে নীরব ও বড় ছেলে নাঈমের শাশুড়িসহ পোশাক কারখানার কাজে যোগ দিতে ঢাকায় রওনা হন নার্গিস। তাদের সঙ্গে ছিলেন একই গ্রামের বাসিন্দা পোশাক শ্রমিক সুলতান ও রিপা। পথে টাঙ্গাইলের কালিহাতি এলাকায় বাসের তেল ফুরিয়ে গেলে চালক ও তার সহকারী তেল আনতে যায়। এ সময় বাস থেকে নেমে রেল লাইনে বসেন ওই ৫ জন। হঠাৎ ট্রেন আসলে কাটা পড়ে ঘটনাস্থালে ওই ৫ জন প্রাণ হারান।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে সাদুল্লাপুরের নিজপাড়া গ্রামে ওই ৫ জনের মরদেহ পৌঁছায়। দুপুরে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
টাঙ্গাইল রেল স্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেংগর নামকস্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে যায়। পরে কয়েকজন যাত্রী সেখানে বাস থেকে নেমে যমুনা সেতু মহাসড়কের পাশেই রেল লাইনে বসেছিলেন। এ সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে একজন শিশু, দুইজন নারী ও দুইজন পুরুষ ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহতের ঘটনায় ৫ জনের পরিচয় মিলেছে। এর মধ্যে ৩ জন একই পরিবারের সদস্য।
নিহতরা হলেন– গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নিজপাড়া গ্রামের হামিদুজ্জামানের স্ত্রী নার্গিস আক্তার, তার ছেলে নিরব ও বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা বেগম এবং একই গ্রামের রিপা ও সুলতান।
স্বজনরা জানায়, তিন দিন আগে বড় ছেলে নাঈমের বিয়ে দেন পোশাক শ্রমিক নার্গিস আক্তার। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট ছেলে নীরব ও বড় ছেলে নাঈমের শাশুড়িসহ পোশাক কারখানার কাজে যোগ দিতে ঢাকায় রওনা হন নার্গিস। তাদের সঙ্গে ছিলেন একই গ্রামের বাসিন্দা পোশাক শ্রমিক সুলতান ও রিপা। পথে টাঙ্গাইলের কালিহাতি এলাকায় বাসের তেল ফুরিয়ে গেলে চালক ও তার সহকারী তেল আনতে যায়। এ সময় বাস থেকে নেমে রেল লাইনে বসেন ওই ৫ জন। হঠাৎ ট্রেন আসলে কাটা পড়ে ঘটনাস্থালে ওই ৫ জন প্রাণ হারান।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে সাদুল্লাপুরের নিজপাড়া গ্রামে ওই ৫ জনের মরদেহ পৌঁছায়। দুপুরে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
টাঙ্গাইল রেল স্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেংগর নামকস্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে যায়। পরে কয়েকজন যাত্রী সেখানে বাস থেকে নেমে যমুনা সেতু মহাসড়কের পাশেই রেল লাইনে বসেছিলেন। এ সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে একজন শিশু, দুইজন নারী ও দুইজন পুরুষ ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

পরিচয় মিলেছে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ হারানো ৫ জনের
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিহতের ঘটনায় ৫ জনের পরিচয় মিলেছে। এর মধ্যে ৩ জন একই পরিবারের সদস্য।
নিহতরা হলেন– গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নিজপাড়া গ্রামের হামিদুজ্জামানের স্ত্রী নার্গিস আক্তার, তার ছেলে নিরব ও বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা বেগম এবং একই গ্রামের রিপা ও সুলতান।
স্বজনরা জানায়, তিন দিন আগে বড় ছেলে নাঈমের বিয়ে দেন পোশাক শ্রমিক নার্গিস আক্তার। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট ছেলে নীরব ও বড় ছেলে নাঈমের শাশুড়িসহ পোশাক কারখানার কাজে যোগ দিতে ঢাকায় রওনা হন নার্গিস। তাদের সঙ্গে ছিলেন একই গ্রামের বাসিন্দা পোশাক শ্রমিক সুলতান ও রিপা। পথে টাঙ্গাইলের কালিহাতি এলাকায় বাসের তেল ফুরিয়ে গেলে চালক ও তার সহকারী তেল আনতে যায়। এ সময় বাস থেকে নেমে রেল লাইনে বসেন ওই ৫ জন। হঠাৎ ট্রেন আসলে কাটা পড়ে ঘটনাস্থালে ওই ৫ জন প্রাণ হারান।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে সাদুল্লাপুরের নিজপাড়া গ্রামে ওই ৫ জনের মরদেহ পৌঁছায়। দুপুরে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।
টাঙ্গাইল রেল স্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেংগর নামকস্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে যায়। পরে কয়েকজন যাত্রী সেখানে বাস থেকে নেমে যমুনা সেতু মহাসড়কের পাশেই রেল লাইনে বসেছিলেন। এ সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে একজন শিশু, দুইজন নারী ও দুইজন পুরুষ ঘটনাস্থলেই নিহত হন।




