যমুনা সেতু এলাকায় তীব্র যানজট, থেমে থেমে চলছে যানবাহন

যমুনা সেতু এলাকায় তীব্র যানজট, থেমে থেমে চলছে যানবাহন
সিটিজেন ডেস্ক

ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু এলাকায় তীব্র যানজটে নাকাল হচ্ছেন ঘরমুখী মানুষ। বুধবার (২৭ মে) দুপুরের পর গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় কোনো ভোগান্তি দেখা না গেলেও যমুনা সেতু থেকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে চলছে গাড়ি। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং সকালের বৃষ্টির কারণে এ মহাসড়কে সাধারণ যাত্রী, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মহাসড়কের যমুনা সেতু এলাকায় কয়েক দফায় উভয় লেন ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন পারাপার করা হয়েছে। সেতু কর্তৃপক্ষ ও টোল প্লাজা সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দুই লেনেই ঢাকামুখী গাড়ি বন্ধ রেখে শুধু উত্তরবঙ্গগামী গাড়ি ছাড়া হয়। এর আগে ভোর ৪টা ৩৫ থেকে সকাল ৬টা ৪০ এবং গত রাত ১২টা ১০ থেকে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত দুই দফায় পৌনে চার ঘণ্টা উভয় লেন দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন পার করা হয়েছিল। সাময়িকভাবে চাপ কিছুটা কমলেও দুপুরের পর গাড়ির সংখ্যা আরও বেড়ে যাওয়ায় যানজট আবার দীর্ঘ রূপ নেয়। সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ১৭ থেকে ১৮ হাজার যানবাহন পার হলেও ঈদ উপলক্ষে এখন তিন গুণেরও বেশি গাড়ি চলাচল করছে।
এদিকে মহাসড়কে দীর্ঘ সময় আটকে থেকে চালক ও যাত্রীদের ক্ষোভ ও ক্লান্তি চরমে পৌঁছেছে। সকালে মহাসড়কের সদর উপজেলার বিক্রমহাটি এলাকায় যানজটে আটকে থাকা এক ট্রাকচালক জানান, ঢাকা থেকে আগের দিন রাত ১১টায় রওনা হয়েও টাঙ্গাইল আসতেই তার সকাল ৯টা বেজে গেছে। সিরাজগঞ্জগামী এক প্রবাসী যাত্রী জানান, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ট্যাক্সি ভাড়া করে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে টাঙ্গাইল পর্যন্ত আসতেই ৯ ঘণ্টা সময় লেগে গেছে।
যাত্রীদের দুর্ভোগের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে সকালের আকস্মিক বৃষ্টি। খোলা ট্রাকে বাড়ি ফেরা বহু যাত্রী বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়েছেন। গণপরিবহনগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় এবং হাইওয়েতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় নারী যাত্রীদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। বাধ্য হয়ে শৌচাগার ব্যবহারের জন্য তাদের মহাসড়কের আশপাশের বাড়িঘরের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে।

ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু এলাকায় তীব্র যানজটে নাকাল হচ্ছেন ঘরমুখী মানুষ। বুধবার (২৭ মে) দুপুরের পর গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় কোনো ভোগান্তি দেখা না গেলেও যমুনা সেতু থেকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে চলছে গাড়ি। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং সকালের বৃষ্টির কারণে এ মহাসড়কে সাধারণ যাত্রী, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মহাসড়কের যমুনা সেতু এলাকায় কয়েক দফায় উভয় লেন ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন পারাপার করা হয়েছে। সেতু কর্তৃপক্ষ ও টোল প্লাজা সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দুই লেনেই ঢাকামুখী গাড়ি বন্ধ রেখে শুধু উত্তরবঙ্গগামী গাড়ি ছাড়া হয়। এর আগে ভোর ৪টা ৩৫ থেকে সকাল ৬টা ৪০ এবং গত রাত ১২টা ১০ থেকে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত দুই দফায় পৌনে চার ঘণ্টা উভয় লেন দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন পার করা হয়েছিল। সাময়িকভাবে চাপ কিছুটা কমলেও দুপুরের পর গাড়ির সংখ্যা আরও বেড়ে যাওয়ায় যানজট আবার দীর্ঘ রূপ নেয়। সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ১৭ থেকে ১৮ হাজার যানবাহন পার হলেও ঈদ উপলক্ষে এখন তিন গুণেরও বেশি গাড়ি চলাচল করছে।
এদিকে মহাসড়কে দীর্ঘ সময় আটকে থেকে চালক ও যাত্রীদের ক্ষোভ ও ক্লান্তি চরমে পৌঁছেছে। সকালে মহাসড়কের সদর উপজেলার বিক্রমহাটি এলাকায় যানজটে আটকে থাকা এক ট্রাকচালক জানান, ঢাকা থেকে আগের দিন রাত ১১টায় রওনা হয়েও টাঙ্গাইল আসতেই তার সকাল ৯টা বেজে গেছে। সিরাজগঞ্জগামী এক প্রবাসী যাত্রী জানান, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ট্যাক্সি ভাড়া করে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে টাঙ্গাইল পর্যন্ত আসতেই ৯ ঘণ্টা সময় লেগে গেছে।
যাত্রীদের দুর্ভোগের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে সকালের আকস্মিক বৃষ্টি। খোলা ট্রাকে বাড়ি ফেরা বহু যাত্রী বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়েছেন। গণপরিবহনগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় এবং হাইওয়েতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় নারী যাত্রীদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। বাধ্য হয়ে শৌচাগার ব্যবহারের জন্য তাদের মহাসড়কের আশপাশের বাড়িঘরের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে।

যমুনা সেতু এলাকায় তীব্র যানজট, থেমে থেমে চলছে যানবাহন
সিটিজেন ডেস্ক

ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর অংশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও টাঙ্গাইলের যমুনা সেতু এলাকায় তীব্র যানজটে নাকাল হচ্ছেন ঘরমুখী মানুষ। বুধবার (২৭ মে) দুপুরের পর গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় কোনো ভোগান্তি দেখা না গেলেও যমুনা সেতু থেকে টাঙ্গাইল শহর বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থেমে থেমে চলছে গাড়ি। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং সকালের বৃষ্টির কারণে এ মহাসড়কে সাধারণ যাত্রী, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মহাসড়কের যমুনা সেতু এলাকায় কয়েক দফায় উভয় লেন ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন পারাপার করা হয়েছে। সেতু কর্তৃপক্ষ ও টোল প্লাজা সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত দুই লেনেই ঢাকামুখী গাড়ি বন্ধ রেখে শুধু উত্তরবঙ্গগামী গাড়ি ছাড়া হয়। এর আগে ভোর ৪টা ৩৫ থেকে সকাল ৬টা ৪০ এবং গত রাত ১২টা ১০ থেকে ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত দুই দফায় পৌনে চার ঘণ্টা উভয় লেন দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন পার করা হয়েছিল। সাময়িকভাবে চাপ কিছুটা কমলেও দুপুরের পর গাড়ির সংখ্যা আরও বেড়ে যাওয়ায় যানজট আবার দীর্ঘ রূপ নেয়। সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ১৭ থেকে ১৮ হাজার যানবাহন পার হলেও ঈদ উপলক্ষে এখন তিন গুণেরও বেশি গাড়ি চলাচল করছে।
এদিকে মহাসড়কে দীর্ঘ সময় আটকে থেকে চালক ও যাত্রীদের ক্ষোভ ও ক্লান্তি চরমে পৌঁছেছে। সকালে মহাসড়কের সদর উপজেলার বিক্রমহাটি এলাকায় যানজটে আটকে থাকা এক ট্রাকচালক জানান, ঢাকা থেকে আগের দিন রাত ১১টায় রওনা হয়েও টাঙ্গাইল আসতেই তার সকাল ৯টা বেজে গেছে। সিরাজগঞ্জগামী এক প্রবাসী যাত্রী জানান, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ট্যাক্সি ভাড়া করে সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে টাঙ্গাইল পর্যন্ত আসতেই ৯ ঘণ্টা সময় লেগে গেছে।
যাত্রীদের দুর্ভোগের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে সকালের আকস্মিক বৃষ্টি। খোলা ট্রাকে বাড়ি ফেরা বহু যাত্রী বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়েছেন। গণপরিবহনগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় এবং হাইওয়েতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় নারী যাত্রীদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। বাধ্য হয়ে শৌচাগার ব্যবহারের জন্য তাদের মহাসড়কের আশপাশের বাড়িঘরের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে।

স্বস্তির ঈদযাত্রা দক্ষিণাঞ্চলে, ভোগান্তি উত্তরাঞ্চলে


