মুক্তিপণ না দেওয়ায় এখনও জিম্মি ৬ জেলে

মুক্তিপণ না দেওয়ায় এখনও জিম্মি ৬ জেলে
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

মুক্তিপণ দিয়ে সুন্দরবন থেকে বাড়ি ফিরেছেন অপহৃত ১৪ জেলে। তবে মুক্তিপণের টাকা দিতে না পারায় এখনও ৬ জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে ডন বাহিনী।
ফিরে আসা জেলেরা জানান, ৮ থেকে ১০ সদস্যের জলদস্যু দলটি নিজেদের ‘ডন বাহিনী’ পরিচয় দিয়ে মুক্তিপণের দাবিতে তাদের জিম্মি করেছিল। তারা জনপ্রতি ২৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দিয়েছেন। মুক্তিপণ পরিশোধ করে মঙ্গলবার তারা লোকালয়ে পৌঁছেছেন।
জানা গেছে, ইব্রাহিম, দিলীপ, উজ্জ্বল ও ইউসুফ আলী ৪০ হাজার টাকা, আবু তাহের ও আবুল কালাম ৩৫ হাজার টাকা, সাদেক আক্কাস ৩০ হাজার টাকা, আইয়ুব আলী, আসাদুল গাজী ও হাফিজুর ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেন।
জেলেদের অভিযোগ, মুন্সিগঞ্জের মৌখালী গ্রামের শফিকুল ইসলাম ওরফে ‘ভেটো শফিকুল’ এবং আটিরউপর গ্রামের শাহজাহান- এই দুজন দস্যুদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মীরগাং গ্রামের মুজিবুর ও হরিনগর গ্রামের নজরুল ইসলামসহ ৬ জেলে এখনও দস্যুদের জিম্মায় রয়েছেন।
বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জানুয়ারি সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে অনুমতিপত্র (পাস) নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনে মাছ ধরতে যান। ২২ জানুয়ারি বন বিভাগের আওতাধীন মামুন্দো, চুনকুড়ি ও মালঞ্চ নদীসহ কলাগাছিয়া খাল থেকে অস্ত্রের মুখে তাদের অপহরণ করে জলদস্যুরা। পরে একটি বিকাশ নম্বর দিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা ফরেস্ট রেঞ্জার.ফজলুল হক জানান, অপহরণের খবর পাওয়ার পরপরই কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছিল। ১৪ জন জেলের মুক্তির খবর তারা লোকমুখে জানতে পেরেছেন।

মুক্তিপণ দিয়ে সুন্দরবন থেকে বাড়ি ফিরেছেন অপহৃত ১৪ জেলে। তবে মুক্তিপণের টাকা দিতে না পারায় এখনও ৬ জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে ডন বাহিনী।
ফিরে আসা জেলেরা জানান, ৮ থেকে ১০ সদস্যের জলদস্যু দলটি নিজেদের ‘ডন বাহিনী’ পরিচয় দিয়ে মুক্তিপণের দাবিতে তাদের জিম্মি করেছিল। তারা জনপ্রতি ২৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দিয়েছেন। মুক্তিপণ পরিশোধ করে মঙ্গলবার তারা লোকালয়ে পৌঁছেছেন।
জানা গেছে, ইব্রাহিম, দিলীপ, উজ্জ্বল ও ইউসুফ আলী ৪০ হাজার টাকা, আবু তাহের ও আবুল কালাম ৩৫ হাজার টাকা, সাদেক আক্কাস ৩০ হাজার টাকা, আইয়ুব আলী, আসাদুল গাজী ও হাফিজুর ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেন।
জেলেদের অভিযোগ, মুন্সিগঞ্জের মৌখালী গ্রামের শফিকুল ইসলাম ওরফে ‘ভেটো শফিকুল’ এবং আটিরউপর গ্রামের শাহজাহান- এই দুজন দস্যুদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মীরগাং গ্রামের মুজিবুর ও হরিনগর গ্রামের নজরুল ইসলামসহ ৬ জেলে এখনও দস্যুদের জিম্মায় রয়েছেন।
বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জানুয়ারি সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে অনুমতিপত্র (পাস) নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনে মাছ ধরতে যান। ২২ জানুয়ারি বন বিভাগের আওতাধীন মামুন্দো, চুনকুড়ি ও মালঞ্চ নদীসহ কলাগাছিয়া খাল থেকে অস্ত্রের মুখে তাদের অপহরণ করে জলদস্যুরা। পরে একটি বিকাশ নম্বর দিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা ফরেস্ট রেঞ্জার.ফজলুল হক জানান, অপহরণের খবর পাওয়ার পরপরই কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছিল। ১৪ জন জেলের মুক্তির খবর তারা লোকমুখে জানতে পেরেছেন।

মুক্তিপণ না দেওয়ায় এখনও জিম্মি ৬ জেলে
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা

মুক্তিপণ দিয়ে সুন্দরবন থেকে বাড়ি ফিরেছেন অপহৃত ১৪ জেলে। তবে মুক্তিপণের টাকা দিতে না পারায় এখনও ৬ জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে ডন বাহিনী।
ফিরে আসা জেলেরা জানান, ৮ থেকে ১০ সদস্যের জলদস্যু দলটি নিজেদের ‘ডন বাহিনী’ পরিচয় দিয়ে মুক্তিপণের দাবিতে তাদের জিম্মি করেছিল। তারা জনপ্রতি ২৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দিয়েছেন। মুক্তিপণ পরিশোধ করে মঙ্গলবার তারা লোকালয়ে পৌঁছেছেন।
জানা গেছে, ইব্রাহিম, দিলীপ, উজ্জ্বল ও ইউসুফ আলী ৪০ হাজার টাকা, আবু তাহের ও আবুল কালাম ৩৫ হাজার টাকা, সাদেক আক্কাস ৩০ হাজার টাকা, আইয়ুব আলী, আসাদুল গাজী ও হাফিজুর ২৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেন।
জেলেদের অভিযোগ, মুন্সিগঞ্জের মৌখালী গ্রামের শফিকুল ইসলাম ওরফে ‘ভেটো শফিকুল’ এবং আটিরউপর গ্রামের শাহজাহান- এই দুজন দস্যুদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মীরগাং গ্রামের মুজিবুর ও হরিনগর গ্রামের নজরুল ইসলামসহ ৬ জেলে এখনও দস্যুদের জিম্মায় রয়েছেন।
বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জানুয়ারি সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে অনুমতিপত্র (পাস) নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনে মাছ ধরতে যান। ২২ জানুয়ারি বন বিভাগের আওতাধীন মামুন্দো, চুনকুড়ি ও মালঞ্চ নদীসহ কলাগাছিয়া খাল থেকে অস্ত্রের মুখে তাদের অপহরণ করে জলদস্যুরা। পরে একটি বিকাশ নম্বর দিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা ফরেস্ট রেঞ্জার.ফজলুল হক জানান, অপহরণের খবর পাওয়ার পরপরই কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছিল। ১৪ জন জেলের মুক্তির খবর তারা লোকমুখে জানতে পেরেছেন।



