সৈকতে ভেসে এলো বিপন্ন প্রজাতির মৃত কচ্ছপ

সৈকতে ভেসে এলো বিপন্ন প্রজাতির মৃত কচ্ছপ
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও ভেসে এসেছে বিপন্ন প্রজাতির একটি মৃত অলিভ রিডলি কচ্ছপ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে সৈকতের পশ্চিম পাশে মিরা বাড়ি মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় কচ্ছপটি দেখতে পান উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন (উপরা)-এর সদস্য আব্দুল জলিল।
পরে বন বিভাগ ও উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সদস্যদের সমন্বয়ে কচ্ছপটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
কচ্ছপটি সম্পর্কে আবদুল জলিল বলেন, সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে কচ্ছপটি তীরে ভেসে এসেছে। শরীরের অধিকাংশ চামড়া উঠে যাওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরে কুয়াকাটা সৈকতে উদ্ধার হওয়া মৃত কচ্ছপের মধ্যে এটি দ্বিতীয়।
স্থানীয়দের মতে, বিপন্ন প্রজাতির এসব কচ্ছপ প্রায়ই সৈকতে ভেসে এলেও এর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি। তারা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে দ্রুত বৈজ্ঞানিক গবেষণার দাবি জানিয়েছেন।
কুয়াকাটায় ডলফিন সংরক্ষণে কাজ করা কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, আমরা উপকূল জুড়ে ডলফিন ও কচ্ছপ সংরক্ষণে কাজ করছি। ২০২২ সালে ৮টি, ২০২৩ সালে ৬টি, ২০২৪ সালে ২টি এবং ২০২৫ সালে ১টি মৃত কচ্ছপ কুয়াকাটা উপকূলে ভেসে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, এভাবে বারবার কচ্ছপের মৃত্যু ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো ময়নাতদন্ত বা বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান হয়নি। ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অজানাই থেকে যাচ্ছে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজীব সরকার বলেন, উদ্ধার হওয়া কচ্ছপটির বৈজ্ঞানিক নাম Lepidochelys olivacea। এটি একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ কচ্ছপ।
তিনি বলেন, মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভিন্ন অনুমান থাকলেও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা একেএম মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে দ্রুত কচ্ছপটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।।

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও ভেসে এসেছে বিপন্ন প্রজাতির একটি মৃত অলিভ রিডলি কচ্ছপ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে সৈকতের পশ্চিম পাশে মিরা বাড়ি মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় কচ্ছপটি দেখতে পান উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন (উপরা)-এর সদস্য আব্দুল জলিল।
পরে বন বিভাগ ও উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সদস্যদের সমন্বয়ে কচ্ছপটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
কচ্ছপটি সম্পর্কে আবদুল জলিল বলেন, সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে কচ্ছপটি তীরে ভেসে এসেছে। শরীরের অধিকাংশ চামড়া উঠে যাওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরে কুয়াকাটা সৈকতে উদ্ধার হওয়া মৃত কচ্ছপের মধ্যে এটি দ্বিতীয়।
স্থানীয়দের মতে, বিপন্ন প্রজাতির এসব কচ্ছপ প্রায়ই সৈকতে ভেসে এলেও এর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি। তারা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে দ্রুত বৈজ্ঞানিক গবেষণার দাবি জানিয়েছেন।
কুয়াকাটায় ডলফিন সংরক্ষণে কাজ করা কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, আমরা উপকূল জুড়ে ডলফিন ও কচ্ছপ সংরক্ষণে কাজ করছি। ২০২২ সালে ৮টি, ২০২৩ সালে ৬টি, ২০২৪ সালে ২টি এবং ২০২৫ সালে ১টি মৃত কচ্ছপ কুয়াকাটা উপকূলে ভেসে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, এভাবে বারবার কচ্ছপের মৃত্যু ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো ময়নাতদন্ত বা বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান হয়নি। ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অজানাই থেকে যাচ্ছে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজীব সরকার বলেন, উদ্ধার হওয়া কচ্ছপটির বৈজ্ঞানিক নাম Lepidochelys olivacea। এটি একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ কচ্ছপ।
তিনি বলেন, মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভিন্ন অনুমান থাকলেও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা একেএম মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে দ্রুত কচ্ছপটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।।

সৈকতে ভেসে এলো বিপন্ন প্রজাতির মৃত কচ্ছপ
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও ভেসে এসেছে বিপন্ন প্রজাতির একটি মৃত অলিভ রিডলি কচ্ছপ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে সৈকতের পশ্চিম পাশে মিরা বাড়ি মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় কচ্ছপটি দেখতে পান উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন (উপরা)-এর সদস্য আব্দুল জলিল।
পরে বন বিভাগ ও উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সদস্যদের সমন্বয়ে কচ্ছপটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
কচ্ছপটি সম্পর্কে আবদুল জলিল বলেন, সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে কচ্ছপটি তীরে ভেসে এসেছে। শরীরের অধিকাংশ চামড়া উঠে যাওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরে কুয়াকাটা সৈকতে উদ্ধার হওয়া মৃত কচ্ছপের মধ্যে এটি দ্বিতীয়।
স্থানীয়দের মতে, বিপন্ন প্রজাতির এসব কচ্ছপ প্রায়ই সৈকতে ভেসে এলেও এর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি। তারা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে দ্রুত বৈজ্ঞানিক গবেষণার দাবি জানিয়েছেন।
কুয়াকাটায় ডলফিন সংরক্ষণে কাজ করা কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, আমরা উপকূল জুড়ে ডলফিন ও কচ্ছপ সংরক্ষণে কাজ করছি। ২০২২ সালে ৮টি, ২০২৩ সালে ৬টি, ২০২৪ সালে ২টি এবং ২০২৫ সালে ১টি মৃত কচ্ছপ কুয়াকাটা উপকূলে ভেসে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, এভাবে বারবার কচ্ছপের মৃত্যু ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো ময়নাতদন্ত বা বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান হয়নি। ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অজানাই থেকে যাচ্ছে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজীব সরকার বলেন, উদ্ধার হওয়া কচ্ছপটির বৈজ্ঞানিক নাম Lepidochelys olivacea। এটি একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ কচ্ছপ।
তিনি বলেন, মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভিন্ন অনুমান থাকলেও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা একেএম মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে দ্রুত কচ্ছপটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।।




