সাগরকন্যা কুয়াকাটায় জলকেলিতে মেতেছেন তরুণ–তরুণীরা
পটুয়াখালী সংবাদদাতা

সাগরকন্যা কুয়াকাটায় জলকেলিতে মেতেছেন তরুণ–তরুণীরা
পটুয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ০৩

জলকেলিতে মেতেছেন রাখাইন তরুণ-তরুণীরা। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
বাংলা নববর্ষ ঘিরে পুরাতন বছরের গ্লানি ও দুঃখকে বিদায় জানিয়ে নতুন আশার আলোয় জীবনকে রাঙাতে কুয়াকাটায় শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মাহা সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব। তিন দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজনে মেতে উঠেছেন রাখাইন তরুণ-তরুণীরা। এ উৎসবে দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয় সাগরকন্যা কুয়াকাটা।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে কুয়াকাটার শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন রাখাইন মহিলা মার্কেট প্রাঙ্গণে জনকেলি উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক।
এদিকে, ঐতিহ্যবাহী জলকেলি আয়োজন ঘিরে রাখাইনপাড়াজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জলকেলিতে অংশ নিতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের ঢল নামে। এমনকি পার্শ্ববর্তী বরগুনা জেলা থেকেও রাখাইন সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশ নিতে আসেন।
উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ জলকেলি—সাজানো নৌকায় পানি রেখে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নাচ-গান ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। কিশোর-কিশোরীরা দলবেঁধে জলকেলিতে মেতে উঠে আনন্দঘন পরিবেশে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।
রাখাইন তরুণী মিয়াশু বলেন, সাংগ্রাই আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। আমরা বিশ্বাস করি, পুরোনো বছরের সব দুঃখ-কষ্ট এই পানির সঙ্গে মুছে যায়। নতুন বছরে আমরা নতুনভাবে জীবন শুরু করি।
আরেক তরুণ উখিন বলেন, এই জলকেলির মাধ্যমে আমরা একে অপরের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগাভাগি করি। এটি শুধু আনন্দ নয়, আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ।

দর্শনার্থী রাকিব হোসেন বলেন, এটা আমার জীবনে প্রথমবার এমন উৎসব দেখা। সবাই একসঙ্গে আনন্দ করছে–অভিজ্ঞতাটা দারুণ।
বরগুনা থেকে আসা জান্নাতি আক্তার বলেন, পানি ছিটিয়ে আনন্দ করার এই আয়োজন সত্যিই ব্যতিক্রম ও উপভোগ্য।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাউছার হামিদ বলেন, রাখাইন সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসব আমাদের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।
আয়োজকরা জানান, উৎসব চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন জলকেলির পাশাপাশি থাকবে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাখাইন পরিবারগুলোতে প্রস্তুত করা হয়েছে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি, যা উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই মাহা সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব এখন আর শুধু রাখাইন সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি কুয়াকাটার অন্যতম আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে পর্যটকদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

বাংলা নববর্ষ ঘিরে পুরাতন বছরের গ্লানি ও দুঃখকে বিদায় জানিয়ে নতুন আশার আলোয় জীবনকে রাঙাতে কুয়াকাটায় শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মাহা সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব। তিন দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজনে মেতে উঠেছেন রাখাইন তরুণ-তরুণীরা। এ উৎসবে দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয় সাগরকন্যা কুয়াকাটা।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে কুয়াকাটার শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন রাখাইন মহিলা মার্কেট প্রাঙ্গণে জনকেলি উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক।
এদিকে, ঐতিহ্যবাহী জলকেলি আয়োজন ঘিরে রাখাইনপাড়াজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জলকেলিতে অংশ নিতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের ঢল নামে। এমনকি পার্শ্ববর্তী বরগুনা জেলা থেকেও রাখাইন সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশ নিতে আসেন।
উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ জলকেলি—সাজানো নৌকায় পানি রেখে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নাচ-গান ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। কিশোর-কিশোরীরা দলবেঁধে জলকেলিতে মেতে উঠে আনন্দঘন পরিবেশে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।
রাখাইন তরুণী মিয়াশু বলেন, সাংগ্রাই আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। আমরা বিশ্বাস করি, পুরোনো বছরের সব দুঃখ-কষ্ট এই পানির সঙ্গে মুছে যায়। নতুন বছরে আমরা নতুনভাবে জীবন শুরু করি।
আরেক তরুণ উখিন বলেন, এই জলকেলির মাধ্যমে আমরা একে অপরের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগাভাগি করি। এটি শুধু আনন্দ নয়, আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ।

দর্শনার্থী রাকিব হোসেন বলেন, এটা আমার জীবনে প্রথমবার এমন উৎসব দেখা। সবাই একসঙ্গে আনন্দ করছে–অভিজ্ঞতাটা দারুণ।
বরগুনা থেকে আসা জান্নাতি আক্তার বলেন, পানি ছিটিয়ে আনন্দ করার এই আয়োজন সত্যিই ব্যতিক্রম ও উপভোগ্য।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাউছার হামিদ বলেন, রাখাইন সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসব আমাদের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।
আয়োজকরা জানান, উৎসব চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন জলকেলির পাশাপাশি থাকবে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাখাইন পরিবারগুলোতে প্রস্তুত করা হয়েছে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি, যা উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই মাহা সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব এখন আর শুধু রাখাইন সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি কুয়াকাটার অন্যতম আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে পর্যটকদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

সাগরকন্যা কুয়াকাটায় জলকেলিতে মেতেছেন তরুণ–তরুণীরা
পটুয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ০৩

জলকেলিতে মেতেছেন রাখাইন তরুণ-তরুণীরা। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
বাংলা নববর্ষ ঘিরে পুরাতন বছরের গ্লানি ও দুঃখকে বিদায় জানিয়ে নতুন আশার আলোয় জীবনকে রাঙাতে কুয়াকাটায় শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মাহা সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব। তিন দিনব্যাপী এই বর্ণিল আয়োজনে মেতে উঠেছেন রাখাইন তরুণ-তরুণীরা। এ উৎসবে দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয় সাগরকন্যা কুয়াকাটা।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে কুয়াকাটার শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন রাখাইন মহিলা মার্কেট প্রাঙ্গণে জনকেলি উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক।
এদিকে, ঐতিহ্যবাহী জলকেলি আয়োজন ঘিরে রাখাইনপাড়াজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জলকেলিতে অংশ নিতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষের ঢল নামে। এমনকি পার্শ্ববর্তী বরগুনা জেলা থেকেও রাখাইন সম্প্রদায়ের সদস্যরা অংশ নিতে আসেন।
উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ জলকেলি—সাজানো নৌকায় পানি রেখে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের গায়ে পানি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নাচ-গান ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। কিশোর-কিশোরীরা দলবেঁধে জলকেলিতে মেতে উঠে আনন্দঘন পরিবেশে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়।
রাখাইন তরুণী মিয়াশু বলেন, সাংগ্রাই আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব। আমরা বিশ্বাস করি, পুরোনো বছরের সব দুঃখ-কষ্ট এই পানির সঙ্গে মুছে যায়। নতুন বছরে আমরা নতুনভাবে জীবন শুরু করি।
আরেক তরুণ উখিন বলেন, এই জলকেলির মাধ্যমে আমরা একে অপরের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগাভাগি করি। এটি শুধু আনন্দ নয়, আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ।

দর্শনার্থী রাকিব হোসেন বলেন, এটা আমার জীবনে প্রথমবার এমন উৎসব দেখা। সবাই একসঙ্গে আনন্দ করছে–অভিজ্ঞতাটা দারুণ।
বরগুনা থেকে আসা জান্নাতি আক্তার বলেন, পানি ছিটিয়ে আনন্দ করার এই আয়োজন সত্যিই ব্যতিক্রম ও উপভোগ্য।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাউছার হামিদ বলেন, রাখাইন সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসব আমাদের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। এ ধরনের আয়োজন সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।
আয়োজকরা জানান, উৎসব চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিদিন জলকেলির পাশাপাশি থাকবে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাখাইন পরিবারগুলোতে প্রস্তুত করা হয়েছে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি, যা উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই মাহা সাংগ্রাই জলকেলি উৎসব এখন আর শুধু রাখাইন সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি কুয়াকাটার অন্যতম আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে পর্যটকদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
/এফআর/




