বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, গুলিতে প্রাণ গেল গৃহবধূর

বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, গুলিতে প্রাণ গেল গৃহবধূর
পাবনা সংবাদদাতা

বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে পাবনার সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত চায়না খাতুন (৪০) ওই গ্রামের শুকুর আলীর স্ত্রী।
সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাফিউল ইসলাম রাজা গ্রুপের সঙ্গে মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা গ্রামের বিএনপি সমর্থক ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। রবিবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাতে দুই পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে মারামারি হয়।
রাতের ঘটনার জেরে সকালে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার প্রস্তুতি নেয় ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের লোকজন। এক পর্যায়ে রাজা গ্রুপের লোকজন তাদের উপর হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ ও বাড়ি ভাঙচুর করে। গুলিতে গৃহবধূ চায়না খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া গুরুতর আহত হন আরও ১০ জন। আহতদের উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসলাম প্রামাণিক বলেন, আমার ভাগ্নে ফরহাদ আওয়ামী লীগ সমর্থক। এজন্য রবিবার রাতে ভিটবিলা বাজারে তাকে মারধর করে রাজা গ্রুপের লোকজন। আমি তখনি সেখানে যাই এবং তাদেরকে মারামারি না করতে অনুরোধ করি। তবে রাজা গ্রুপের লোকজন উল্টো আমার ওপরও হামলা চালিয়ে মারধর করে। খবর পেয়ে আমার গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে বিষয়টি মুরুব্বিদের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা করার সিদ্ধান্ত নেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সকালে আমরা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় রাজার নেতৃত্বে তার লোকেরা অতর্কিতভাবে আমাদের গ্রামের লোকজনের উপরে গুলি ও হামলা চালায়। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে চায়না খাতুন মারা যান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাজা বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এমনকী ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলামও না। আমি এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত খেতে এসেছি। এখানে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার নাম জড়ানো হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি শুনেছি চায়না খাতুন স্ট্রোক করে মারা গেছে। আপনারা ভালো করে তদন্ত করে দেখেন– আমি সেখানে ছিলাম কিনা, আমার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে কিনা।
স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, দুই পক্ষই বিএনপি সমর্থক। গত রাতে ঝামেলার সময় পূর্বপাড়ার লোকদের (রাজা গ্রুপের) পশ্চিমপাড়া বাজারে যেতে দেবে না বলে ঘোষণা দেয় পশ্চিমপাড়া এলাকার (ইসলাম গ্রুপের) লোকজন। পরে আজ সকালে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারা বসিয়ে বাজারে যাওয়া পূর্বপাড়ার লোকদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় পূর্বপাড়ার লোকজন একজোট হয়ে অস্ত্রশস্ত্রসহ পশ্চিমপাড়ার লোকদের ওপর হামলা চালায়।
সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হামলার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে পাবনার সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত চায়না খাতুন (৪০) ওই গ্রামের শুকুর আলীর স্ত্রী।
সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাফিউল ইসলাম রাজা গ্রুপের সঙ্গে মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা গ্রামের বিএনপি সমর্থক ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। রবিবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাতে দুই পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে মারামারি হয়।
রাতের ঘটনার জেরে সকালে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার প্রস্তুতি নেয় ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের লোকজন। এক পর্যায়ে রাজা গ্রুপের লোকজন তাদের উপর হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ ও বাড়ি ভাঙচুর করে। গুলিতে গৃহবধূ চায়না খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া গুরুতর আহত হন আরও ১০ জন। আহতদের উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসলাম প্রামাণিক বলেন, আমার ভাগ্নে ফরহাদ আওয়ামী লীগ সমর্থক। এজন্য রবিবার রাতে ভিটবিলা বাজারে তাকে মারধর করে রাজা গ্রুপের লোকজন। আমি তখনি সেখানে যাই এবং তাদেরকে মারামারি না করতে অনুরোধ করি। তবে রাজা গ্রুপের লোকজন উল্টো আমার ওপরও হামলা চালিয়ে মারধর করে। খবর পেয়ে আমার গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে বিষয়টি মুরুব্বিদের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা করার সিদ্ধান্ত নেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সকালে আমরা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় রাজার নেতৃত্বে তার লোকেরা অতর্কিতভাবে আমাদের গ্রামের লোকজনের উপরে গুলি ও হামলা চালায়। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে চায়না খাতুন মারা যান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাজা বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এমনকী ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলামও না। আমি এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত খেতে এসেছি। এখানে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার নাম জড়ানো হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি শুনেছি চায়না খাতুন স্ট্রোক করে মারা গেছে। আপনারা ভালো করে তদন্ত করে দেখেন– আমি সেখানে ছিলাম কিনা, আমার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে কিনা।
স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, দুই পক্ষই বিএনপি সমর্থক। গত রাতে ঝামেলার সময় পূর্বপাড়ার লোকদের (রাজা গ্রুপের) পশ্চিমপাড়া বাজারে যেতে দেবে না বলে ঘোষণা দেয় পশ্চিমপাড়া এলাকার (ইসলাম গ্রুপের) লোকজন। পরে আজ সকালে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারা বসিয়ে বাজারে যাওয়া পূর্বপাড়ার লোকদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় পূর্বপাড়ার লোকজন একজোট হয়ে অস্ত্রশস্ত্রসহ পশ্চিমপাড়ার লোকদের ওপর হামলা চালায়।
সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হামলার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, গুলিতে প্রাণ গেল গৃহবধূর
পাবনা সংবাদদাতা

বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে পাবনার সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত চায়না খাতুন (৪০) ওই গ্রামের শুকুর আলীর স্ত্রী।
সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাফিউল ইসলাম রাজা গ্রুপের সঙ্গে মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা গ্রামের বিএনপি সমর্থক ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। রবিবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাতে দুই পক্ষের অনুসারীদের মধ্যে মারামারি হয়।
রাতের ঘটনার জেরে সকালে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার প্রস্তুতি নেয় ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের লোকজন। এক পর্যায়ে রাজা গ্রুপের লোকজন তাদের উপর হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ ও বাড়ি ভাঙচুর করে। গুলিতে গৃহবধূ চায়না খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া গুরুতর আহত হন আরও ১০ জন। আহতদের উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসলাম প্রামাণিক বলেন, আমার ভাগ্নে ফরহাদ আওয়ামী লীগ সমর্থক। এজন্য রবিবার রাতে ভিটবিলা বাজারে তাকে মারধর করে রাজা গ্রুপের লোকজন। আমি তখনি সেখানে যাই এবং তাদেরকে মারামারি না করতে অনুরোধ করি। তবে রাজা গ্রুপের লোকজন উল্টো আমার ওপরও হামলা চালিয়ে মারধর করে। খবর পেয়ে আমার গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে বিষয়টি মুরুব্বিদের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা করার সিদ্ধান্ত নেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সকালে আমরা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় রাজার নেতৃত্বে তার লোকেরা অতর্কিতভাবে আমাদের গ্রামের লোকজনের উপরে গুলি ও হামলা চালায়। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে চায়না খাতুন মারা যান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাজা বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এমনকী ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলামও না। আমি এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত খেতে এসেছি। এখানে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার নাম জড়ানো হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি শুনেছি চায়না খাতুন স্ট্রোক করে মারা গেছে। আপনারা ভালো করে তদন্ত করে দেখেন– আমি সেখানে ছিলাম কিনা, আমার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে কিনা।
স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, দুই পক্ষই বিএনপি সমর্থক। গত রাতে ঝামেলার সময় পূর্বপাড়ার লোকদের (রাজা গ্রুপের) পশ্চিমপাড়া বাজারে যেতে দেবে না বলে ঘোষণা দেয় পশ্চিমপাড়া এলাকার (ইসলাম গ্রুপের) লোকজন। পরে আজ সকালে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাহারা বসিয়ে বাজারে যাওয়া পূর্বপাড়ার লোকদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় পূর্বপাড়ার লোকজন একজোট হয়ে অস্ত্রশস্ত্রসহ পশ্চিমপাড়ার লোকদের ওপর হামলা চালায়।
সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হামলার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।




