যে হাটে প্রতিদিন বিক্রি হয় দেড় কোটি টাকার লিচু

যে হাটে প্রতিদিন বিক্রি হয় দেড় কোটি টাকার লিচু
পাবনা সংবাদদাতা

আওতাপাড়া হাট। এটি উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় লিচুর হাট। হাটটি অবস্থিত পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায়। প্রতিদিন ভোরে এখানে বেচাকেনা শুরু হয়। চলে সকাল ১০টা পর্যন্ত।
প্রতিদিন ভোরে এলাকার চাষিরা এই হাটে লিচু নিয়ে আসেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকাররা সেই লিচু কিনেন। তারা পরে বিক্রি করেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁসহ বিভিন্ন অঞ্চলে।
রবিবার (২৪ মে) সকালে আওতাপাড়া হাটে গিয়ে দেখা যায়, পাবনা সদর, ঈশ্বরদী, চাটমোহর থেকে চাষিরা ডালি ভরে লিচু নিয়ে এসেছেন বিক্রি করতে। নানা জাতের লিচুর সমারোহ। পাইকাররা দরদাম করে লিচু কিনছেন।
ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন বাজারে ভরপুর দেশি জাতের লিচু। বোম্বাই জাতের লিচুও উঠতে শুরু করেছে। এই লিচু সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে তার চাহিদাও বেশি। প্রতিদিন এই বাজারে ১ থেকে দেড় কোটি টাকার লিচু বেচাকেনা হয়।
হাটে লিচু বিক্রি করতে এসেছেন সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের লিচু চাষি মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় লিচুর ফলনও ভালো হয়েছে। তাই লিচুর দামও কম। পাইকারি প্রকার ভেদে প্রতি হাজার লিচু ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরেক চাষি ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া গ্রামের আব্দুল হালিম বলেন, আমি ১০ হাজার লিচু নিয়ে এসেছি। প্রতি হাজার দাম বলছে ১৫০০ টাকা । এখনও বিক্রি করিনি। দেখা যাক, কত টাকা বিক্রি করতে পারি। তবে এবার দাম কম, মানুষ লিচু কিনে খেতে পারছেন।
ঢাকা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী শামীম হোসেন বলেন, হাটে প্রচুর লিচুর আমদানি হয়েছে। কম দামে লিচু কিনতে পারছি। সবচেয়ে ভালো যে বোম্বাই লিচু সেটা প্রতি হাজার কিনেছি ২০০০ টাকায়। একটু নিম্ন মানেরটা ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকায় কিনছি।
আরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘এখান থেকে লিচু কিনে ট্রাকে করে নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় খুচরা বিক্রি করি। যে লিচু ২০০০ টাকা হাজার কিনেছি, সেটা খুচরা বিক্রি হবে ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকায়। এবারের লিচুর ফলন যেমন ভালো, মানও তেমন ভালো হয়েছে।’

পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক বলেন, এবার পাবনায় লিচুর খুব ভালো ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগ সবসময় চাষিদের পরামর্শ দিয়ে গেছে। আবহাওয়াও অনুকূল থাকায় লিচুর ফলন ভালো হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, পাবনায় এ বছর ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে লিচু আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার মেট্টিক টন। তবে ফলন ভাল হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫০ হাজার মেট্টিক টন হবে বলে আশা কৃষি বিভাগের। তাদের হিসেবে এ বছর পাবনায় ৮০০ কোটি টাকার লিচু বিক্রি হবে

আওতাপাড়া হাট। এটি উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় লিচুর হাট। হাটটি অবস্থিত পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায়। প্রতিদিন ভোরে এখানে বেচাকেনা শুরু হয়। চলে সকাল ১০টা পর্যন্ত।
প্রতিদিন ভোরে এলাকার চাষিরা এই হাটে লিচু নিয়ে আসেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকাররা সেই লিচু কিনেন। তারা পরে বিক্রি করেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁসহ বিভিন্ন অঞ্চলে।
রবিবার (২৪ মে) সকালে আওতাপাড়া হাটে গিয়ে দেখা যায়, পাবনা সদর, ঈশ্বরদী, চাটমোহর থেকে চাষিরা ডালি ভরে লিচু নিয়ে এসেছেন বিক্রি করতে। নানা জাতের লিচুর সমারোহ। পাইকাররা দরদাম করে লিচু কিনছেন।
ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন বাজারে ভরপুর দেশি জাতের লিচু। বোম্বাই জাতের লিচুও উঠতে শুরু করেছে। এই লিচু সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে তার চাহিদাও বেশি। প্রতিদিন এই বাজারে ১ থেকে দেড় কোটি টাকার লিচু বেচাকেনা হয়।
হাটে লিচু বিক্রি করতে এসেছেন সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের লিচু চাষি মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় লিচুর ফলনও ভালো হয়েছে। তাই লিচুর দামও কম। পাইকারি প্রকার ভেদে প্রতি হাজার লিচু ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরেক চাষি ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া গ্রামের আব্দুল হালিম বলেন, আমি ১০ হাজার লিচু নিয়ে এসেছি। প্রতি হাজার দাম বলছে ১৫০০ টাকা । এখনও বিক্রি করিনি। দেখা যাক, কত টাকা বিক্রি করতে পারি। তবে এবার দাম কম, মানুষ লিচু কিনে খেতে পারছেন।
ঢাকা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী শামীম হোসেন বলেন, হাটে প্রচুর লিচুর আমদানি হয়েছে। কম দামে লিচু কিনতে পারছি। সবচেয়ে ভালো যে বোম্বাই লিচু সেটা প্রতি হাজার কিনেছি ২০০০ টাকায়। একটু নিম্ন মানেরটা ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকায় কিনছি।
আরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘এখান থেকে লিচু কিনে ট্রাকে করে নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় খুচরা বিক্রি করি। যে লিচু ২০০০ টাকা হাজার কিনেছি, সেটা খুচরা বিক্রি হবে ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকায়। এবারের লিচুর ফলন যেমন ভালো, মানও তেমন ভালো হয়েছে।’

পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক বলেন, এবার পাবনায় লিচুর খুব ভালো ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগ সবসময় চাষিদের পরামর্শ দিয়ে গেছে। আবহাওয়াও অনুকূল থাকায় লিচুর ফলন ভালো হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, পাবনায় এ বছর ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে লিচু আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার মেট্টিক টন। তবে ফলন ভাল হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫০ হাজার মেট্টিক টন হবে বলে আশা কৃষি বিভাগের। তাদের হিসেবে এ বছর পাবনায় ৮০০ কোটি টাকার লিচু বিক্রি হবে

যে হাটে প্রতিদিন বিক্রি হয় দেড় কোটি টাকার লিচু
পাবনা সংবাদদাতা

আওতাপাড়া হাট। এটি উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় লিচুর হাট। হাটটি অবস্থিত পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায়। প্রতিদিন ভোরে এখানে বেচাকেনা শুরু হয়। চলে সকাল ১০টা পর্যন্ত।
প্রতিদিন ভোরে এলাকার চাষিরা এই হাটে লিচু নিয়ে আসেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাইকাররা সেই লিচু কিনেন। তারা পরে বিক্রি করেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁসহ বিভিন্ন অঞ্চলে।
রবিবার (২৪ মে) সকালে আওতাপাড়া হাটে গিয়ে দেখা যায়, পাবনা সদর, ঈশ্বরদী, চাটমোহর থেকে চাষিরা ডালি ভরে লিচু নিয়ে এসেছেন বিক্রি করতে। নানা জাতের লিচুর সমারোহ। পাইকাররা দরদাম করে লিচু কিনছেন।
ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন বাজারে ভরপুর দেশি জাতের লিচু। বোম্বাই জাতের লিচুও উঠতে শুরু করেছে। এই লিচু সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে তার চাহিদাও বেশি। প্রতিদিন এই বাজারে ১ থেকে দেড় কোটি টাকার লিচু বেচাকেনা হয়।
হাটে লিচু বিক্রি করতে এসেছেন সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের লিচু চাষি মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় লিচুর ফলনও ভালো হয়েছে। তাই লিচুর দামও কম। পাইকারি প্রকার ভেদে প্রতি হাজার লিচু ১০০০ টাকা থেকে ২০০০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরেক চাষি ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া গ্রামের আব্দুল হালিম বলেন, আমি ১০ হাজার লিচু নিয়ে এসেছি। প্রতি হাজার দাম বলছে ১৫০০ টাকা । এখনও বিক্রি করিনি। দেখা যাক, কত টাকা বিক্রি করতে পারি। তবে এবার দাম কম, মানুষ লিচু কিনে খেতে পারছেন।
ঢাকা থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী শামীম হোসেন বলেন, হাটে প্রচুর লিচুর আমদানি হয়েছে। কম দামে লিচু কিনতে পারছি। সবচেয়ে ভালো যে বোম্বাই লিচু সেটা প্রতি হাজার কিনেছি ২০০০ টাকায়। একটু নিম্ন মানেরটা ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকায় কিনছি।
আরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘এখান থেকে লিচু কিনে ট্রাকে করে নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় খুচরা বিক্রি করি। যে লিচু ২০০০ টাকা হাজার কিনেছি, সেটা খুচরা বিক্রি হবে ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকায়। এবারের লিচুর ফলন যেমন ভালো, মানও তেমন ভালো হয়েছে।’

পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক বলেন, এবার পাবনায় লিচুর খুব ভালো ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগ সবসময় চাষিদের পরামর্শ দিয়ে গেছে। আবহাওয়াও অনুকূল থাকায় লিচুর ফলন ভালো হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, পাবনায় এ বছর ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে লিচু আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার মেট্টিক টন। তবে ফলন ভাল হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫০ হাজার মেট্টিক টন হবে বলে আশা কৃষি বিভাগের। তাদের হিসেবে এ বছর পাবনায় ৮০০ কোটি টাকার লিচু বিক্রি হবে




