উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে স্কুলশিক্ষার্থী প্রত্যয়

উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে স্কুলশিক্ষার্থী প্রত্যয়
পাবনা প্রতিনিধি

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের সপ্তম আন্তর্জাতিক শিক্ষামূলক প্রকল্প ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ এর একজন বিজয়ী হিসেবে উত্তর মেরুতে অভিযানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র মো. মালেকুল সালেহীন প্রত্যয়।
বাংলাদেশসহ ২২টি দেশের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এই সম্মানজনক সুযোগ অর্জন করেছেন প্রত্যয়। গত ২৩ জুন মস্কোর মিউজিয়াম অব অ্যাটমিক এনার্জিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। আগামী আগস্ট মাসে তারা বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক আইসব্রেকার ৫০ লিয়েত পাবেদি-তে চড়ে সুমেরু বা আর্কটিক অঞ্চলে এক অনন্য অভিযানে অংশ নেবেন।
সোমবার (২৯ জুন) বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় রাশিয়ার পরমাণু সংস্থা রোসাটম।
তিনটি পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। পারমাণবিক শক্তি, আর্কটিক অনুসন্ধান এবং বিকাশমান নতুন প্রযুক্তির ওপর একটি বিজ্ঞান কুইজ, বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় শিক্ষামূলক ওয়েবিনার এবং কীভাবে পারমাণবিক প্রযুক্তি আজকের বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে শীর্ষক চূড়ান্ত উপস্থাপনা। বিজ্ঞান, শিক্ষা, পারমাণবিক শিল্প এবং আর্কটিক গবেষণায় যুক্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করেন।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থী প্রত্যয় বলেন, আমার এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে যে, এমন একটি অনন্য সুযোগ পেয়েছি। একটি অভিযানে অংশ নেওয়া কেবল ভ্রমণ নয়, বরং পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে বিজ্ঞানের জগৎ কতটা বিশাল হতে পারে, তা দেখার এক দারুণ সুযোগ। এটা আমি অনুপ্রেরণা হিসেবে ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে চাই।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের সপ্তম আন্তর্জাতিক শিক্ষামূলক প্রকল্প ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ এর একজন বিজয়ী হিসেবে উত্তর মেরুতে অভিযানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র মো. মালেকুল সালেহীন প্রত্যয়।
বাংলাদেশসহ ২২টি দেশের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এই সম্মানজনক সুযোগ অর্জন করেছেন প্রত্যয়। গত ২৩ জুন মস্কোর মিউজিয়াম অব অ্যাটমিক এনার্জিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। আগামী আগস্ট মাসে তারা বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক আইসব্রেকার ৫০ লিয়েত পাবেদি-তে চড়ে সুমেরু বা আর্কটিক অঞ্চলে এক অনন্য অভিযানে অংশ নেবেন।
সোমবার (২৯ জুন) বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় রাশিয়ার পরমাণু সংস্থা রোসাটম।
তিনটি পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। পারমাণবিক শক্তি, আর্কটিক অনুসন্ধান এবং বিকাশমান নতুন প্রযুক্তির ওপর একটি বিজ্ঞান কুইজ, বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় শিক্ষামূলক ওয়েবিনার এবং কীভাবে পারমাণবিক প্রযুক্তি আজকের বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে শীর্ষক চূড়ান্ত উপস্থাপনা। বিজ্ঞান, শিক্ষা, পারমাণবিক শিল্প এবং আর্কটিক গবেষণায় যুক্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করেন।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থী প্রত্যয় বলেন, আমার এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে যে, এমন একটি অনন্য সুযোগ পেয়েছি। একটি অভিযানে অংশ নেওয়া কেবল ভ্রমণ নয়, বরং পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে বিজ্ঞানের জগৎ কতটা বিশাল হতে পারে, তা দেখার এক দারুণ সুযোগ। এটা আমি অনুপ্রেরণা হিসেবে ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে চাই।

উত্তর মেরু অভিযানে যাচ্ছে স্কুলশিক্ষার্থী প্রত্যয়
পাবনা প্রতিনিধি

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের সপ্তম আন্তর্জাতিক শিক্ষামূলক প্রকল্প ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ এর একজন বিজয়ী হিসেবে উত্তর মেরুতে অভিযানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র মো. মালেকুল সালেহীন প্রত্যয়।
বাংলাদেশসহ ২২টি দেশের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সী প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এই সম্মানজনক সুযোগ অর্জন করেছেন প্রত্যয়। গত ২৩ জুন মস্কোর মিউজিয়াম অব অ্যাটমিক এনার্জিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। আগামী আগস্ট মাসে তারা বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক আইসব্রেকার ৫০ লিয়েত পাবেদি-তে চড়ে সুমেরু বা আর্কটিক অঞ্চলে এক অনন্য অভিযানে অংশ নেবেন।
সোমবার (২৯ জুন) বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় রাশিয়ার পরমাণু সংস্থা রোসাটম।
তিনটি পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। পারমাণবিক শক্তি, আর্কটিক অনুসন্ধান এবং বিকাশমান নতুন প্রযুক্তির ওপর একটি বিজ্ঞান কুইজ, বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় শিক্ষামূলক ওয়েবিনার এবং কীভাবে পারমাণবিক প্রযুক্তি আজকের বিশ্বকে বদলে দিচ্ছে শীর্ষক চূড়ান্ত উপস্থাপনা। বিজ্ঞান, শিক্ষা, পারমাণবিক শিল্প এবং আর্কটিক গবেষণায় যুক্ত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ড চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করেন।
প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থী প্রত্যয় বলেন, আমার এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে যে, এমন একটি অনন্য সুযোগ পেয়েছি। একটি অভিযানে অংশ নেওয়া কেবল ভ্রমণ নয়, বরং পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে বিজ্ঞানের জগৎ কতটা বিশাল হতে পারে, তা দেখার এক দারুণ সুযোগ। এটা আমি অনুপ্রেরণা হিসেবে ভবিষ্যতে কাজে লাগাতে চাই।




