ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, প্রতারক চক্রের ২ সদস্য আটক

ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, প্রতারক চক্রের ২ সদস্য আটক
পাবনা প্রতিনিধি

ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। শনিবার (২৭ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো– পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের গাংকোলা সিংগা পালপাড়া এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে সুজন হোসেন এবং পাবনা পৌর সদরের শিবরামপুর এলাকার হাতেম আলীর ছেলে আরিফুল ইসলাম।
ডিবি সূত্র জানায়, আটককৃতরা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা ডিবি পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতো। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করে চক্রের সদস্যদের মধ্যে ভাগাভাগি করতো।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পাবনার গাংকোলা এলাকা থেকে সুজন এবং শিবরামপুর এলাকা থেকে আরিফুল ইসলামকে আটক করে। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ৫টি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এসব মোবাইল ফোন ও ব্যবহৃত সিমকার্ড প্রতারণামূলক কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে ডিবি।
ডিবি আরও জানায়, চক্রের অন্য সদস্যরা ভুয়া নিবন্ধনে নেওয়া সিমকার্ড বিভিন্ন অপরাধী চক্রের কাছে সরবরাহ করতো এবং বিকাশ এজেন্ট নম্বর ব্যবহার করে চাঁদার অর্থ সংগ্রহ করতো। এ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে একই কৌশলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলো।
ওসি রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় আটক দুইজনসহ আরও দুইজন নামীয় এবং ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে পাবনা সদর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর আটককৃত দুজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।’

ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। শনিবার (২৭ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো– পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের গাংকোলা সিংগা পালপাড়া এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে সুজন হোসেন এবং পাবনা পৌর সদরের শিবরামপুর এলাকার হাতেম আলীর ছেলে আরিফুল ইসলাম।
ডিবি সূত্র জানায়, আটককৃতরা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা ডিবি পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতো। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করে চক্রের সদস্যদের মধ্যে ভাগাভাগি করতো।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পাবনার গাংকোলা এলাকা থেকে সুজন এবং শিবরামপুর এলাকা থেকে আরিফুল ইসলামকে আটক করে। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ৫টি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এসব মোবাইল ফোন ও ব্যবহৃত সিমকার্ড প্রতারণামূলক কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে ডিবি।
ডিবি আরও জানায়, চক্রের অন্য সদস্যরা ভুয়া নিবন্ধনে নেওয়া সিমকার্ড বিভিন্ন অপরাধী চক্রের কাছে সরবরাহ করতো এবং বিকাশ এজেন্ট নম্বর ব্যবহার করে চাঁদার অর্থ সংগ্রহ করতো। এ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে একই কৌশলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলো।
ওসি রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় আটক দুইজনসহ আরও দুইজন নামীয় এবং ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে পাবনা সদর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর আটককৃত দুজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।’

ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, প্রতারক চক্রের ২ সদস্য আটক
পাবনা প্রতিনিধি

ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। শনিবার (২৭ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো– পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের গাংকোলা সিংগা পালপাড়া এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে সুজন হোসেন এবং পাবনা পৌর সদরের শিবরামপুর এলাকার হাতেম আলীর ছেলে আরিফুল ইসলাম।
ডিবি সূত্র জানায়, আটককৃতরা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা ডিবি পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ফোন করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতো। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করে চক্রের সদস্যদের মধ্যে ভাগাভাগি করতো।
এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পাবনার গাংকোলা এলাকা থেকে সুজন এবং শিবরামপুর এলাকা থেকে আরিফুল ইসলামকে আটক করে। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ৫টি ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এসব মোবাইল ফোন ও ব্যবহৃত সিমকার্ড প্রতারণামূলক কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে ডিবি।
ডিবি আরও জানায়, চক্রের অন্য সদস্যরা ভুয়া নিবন্ধনে নেওয়া সিমকার্ড বিভিন্ন অপরাধী চক্রের কাছে সরবরাহ করতো এবং বিকাশ এজেন্ট নম্বর ব্যবহার করে চাঁদার অর্থ সংগ্রহ করতো। এ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে একই কৌশলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলো।
ওসি রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় আটক দুইজনসহ আরও দুইজন নামীয় এবং ২/৩ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে পাবনা সদর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আর আটককৃত দুজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।’

পাবনায় বাড়ছে সমকামী: কর্মশালায় বক্তারা


