হাতি-মানুষ রক্ষায় গারো পাহাড়ে বসানো হচ্ছে এআই প্রযুক্তি

হাতি-মানুষ রক্ষায় গারো পাহাড়ে বসানো হচ্ছে এআই প্রযুক্তি
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

শেরপুরের গারো পাহাড়ে লোকালয়ে বন্যহাতির প্রবেশ ঠেকাতে এবং মানুষের জানমাল রক্ষায় বসানো হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর আগাম সতর্কীকরণ ডিভাইস। প্রথম ধাপে হাতি উপদ্রুত এলাকায় ১৫টি ডিভাইস বসানো হবে। এসব ডিভাইস হাতির চলাচল শনাক্ত করে দ্রুত স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্কবার্তা দেবে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কের মহুয়া রেস্ট হাউস মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।
সেমিনারে জানানো হয়, বন উজাড়, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া এবং খাদ্যের অভাবে গারো পাহাড়ের বন্যহাতিগুলো প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। এতে ফসল ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মশাল জ্বালিয়ে ও পটকা ফুটিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী বলেন, মানুষ ও বন্যহাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার সময়ের দাবি। এআইভিত্তিক আর্লি ডিটেকশন ডিভাইসের মাধ্যমে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া সম্ভব হলে প্রাণহানি ও কৃষকের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যাবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন এলায়েন্সের কমিউনিটি গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট আবরার আহমাদ। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ বন্যহাতি সংরক্ষণ এবং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল করিম, বন্যহাতি সংরক্ষণ কমিটির সদস্য ও সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনির এবং ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, সহকারী বন সংরক্ষক সাদেক আলী খান, রেঞ্জ কর্মকর্তা দেওয়ান আলীসহ বন বিভাগ, প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত ও পরবর্তী প্রক্রিয়া শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেরপুরের গারো পাহাড়ে লোকালয়ে বন্যহাতির প্রবেশ ঠেকাতে এবং মানুষের জানমাল রক্ষায় বসানো হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর আগাম সতর্কীকরণ ডিভাইস। প্রথম ধাপে হাতি উপদ্রুত এলাকায় ১৫টি ডিভাইস বসানো হবে। এসব ডিভাইস হাতির চলাচল শনাক্ত করে দ্রুত স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্কবার্তা দেবে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কের মহুয়া রেস্ট হাউস মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।
সেমিনারে জানানো হয়, বন উজাড়, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া এবং খাদ্যের অভাবে গারো পাহাড়ের বন্যহাতিগুলো প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। এতে ফসল ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মশাল জ্বালিয়ে ও পটকা ফুটিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী বলেন, মানুষ ও বন্যহাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার সময়ের দাবি। এআইভিত্তিক আর্লি ডিটেকশন ডিভাইসের মাধ্যমে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া সম্ভব হলে প্রাণহানি ও কৃষকের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যাবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন এলায়েন্সের কমিউনিটি গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট আবরার আহমাদ। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ বন্যহাতি সংরক্ষণ এবং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল করিম, বন্যহাতি সংরক্ষণ কমিটির সদস্য ও সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনির এবং ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, সহকারী বন সংরক্ষক সাদেক আলী খান, রেঞ্জ কর্মকর্তা দেওয়ান আলীসহ বন বিভাগ, প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত ও পরবর্তী প্রক্রিয়া শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাতি-মানুষ রক্ষায় গারো পাহাড়ে বসানো হচ্ছে এআই প্রযুক্তি
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

শেরপুরের গারো পাহাড়ে লোকালয়ে বন্যহাতির প্রবেশ ঠেকাতে এবং মানুষের জানমাল রক্ষায় বসানো হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর আগাম সতর্কীকরণ ডিভাইস। প্রথম ধাপে হাতি উপদ্রুত এলাকায় ১৫টি ডিভাইস বসানো হবে। এসব ডিভাইস হাতির চলাচল শনাক্ত করে দ্রুত স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্কবার্তা দেবে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কের মহুয়া রেস্ট হাউস মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।
সেমিনারে জানানো হয়, বন উজাড়, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া এবং খাদ্যের অভাবে গারো পাহাড়ের বন্যহাতিগুলো প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। এতে ফসল ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দারা মশাল জ্বালিয়ে ও পটকা ফুটিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী বলেন, মানুষ ও বন্যহাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার সময়ের দাবি। এআইভিত্তিক আর্লি ডিটেকশন ডিভাইসের মাধ্যমে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া সম্ভব হলে প্রাণহানি ও কৃষকের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যাবে।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন এলায়েন্সের কমিউনিটি গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট আবরার আহমাদ। তিনি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ বন্যহাতি সংরক্ষণ এবং স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল করিম, বন্যহাতি সংরক্ষণ কমিটির সদস্য ও সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম মনির এবং ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, সহকারী বন সংরক্ষক সাদেক আলী খান, রেঞ্জ কর্মকর্তা দেওয়ান আলীসহ বন বিভাগ, প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত ও পরবর্তী প্রক্রিয়া শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




