অনুশীলনের থেকে যে রীতিকে বেশি গুরুত্ব দেন স্কালোনি

অনুশীলনের থেকে যে রীতিকে বেশি গুরুত্ব দেন স্কালোনি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের ফাইনালে আজ স্পেনের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১ টায় শুরু হবে মেগা ফাইনাল। তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগেও আর্জেন্টিনা দলের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তাদের চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী ভোজ ‘আসাদো’। বর্তমান কোচিং স্টাফ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলের খেলোয়াড়দের মাঝে মেলবন্ধন ও একতা বাড়াতে এ বারবিকিউ বা মাংস পোড়ানোর উৎসবটি রীতিতে পরিণত হয়েছে। কোচ লিওনেল স্কালোনির কাছে মাঠের কঠোর অনুশীলনের চেয়েও এ আনন্দ আয়োজনের গুরুত্ব ঢের বেশি।
কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেছিলেন, এই মুহূর্তগুলো তাদের কাছে সেরা। মিশরের বিপক্ষে জয়ের পর উদযাপনের মতো এগুলোও অনন্য, যা জীবনে আর কখনো ফিরে আসবে না। কোচের এ কথার সঙ্গে মাঠের পারফরম্যান্স বা সফলতার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। এটি তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য, যা পুরো দলকে এক সুতোয় গেঁথে রেখেছে। স্কালোনি আলবিসেলেস্তেদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার পুরো মেয়াদেই প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত আসাদো উৎসব পালিত হয়ে আসছে। বিশ্বকাপের মতো বড় ও চাপের টুর্নামেন্ট চলাকালেও এর কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।
এবারের বিশ্বকাপেও দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লাউদিও তাপিয়া বেশ কয়েকবার আসাদোর আনন্দ একসঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। তাপিয়া প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে স্পেনের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে এটাই ছিল দলের শেষ ভোজ। তাই এবারের আসাদো ছিল একটু বেশিই বিশেষ। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তাপিয়া একটি ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘হাড় মজ্জায় আর্জেন্টাইন। হ্যাঁ, পুরো দলের সঙ্গে আসাদো হয়ে গেল।’ ভিডিওটিতে উৎসবের দারুণ এক আমেজ ফুটে উঠেছে।
কোচ স্কালোনি স্বীকার করেছেন, কেবল ৪-৩-৩ ফরমেশনের প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি কোচিংয়ে আসেননি। ফুটবলার হিসেবে অবসরের পরও এই দলগত পরিবেশের টানেই তিনি ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত আছেন। সতীর্থদের সান্নিধ্য পাওয়া, আসাদো খাওয়া আর আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী তাস খেলা ‘ট্রুকো’ উপভোগ করার জন্যই তিনি কোচ হয়েছেন। এগুলো এমন কিছু স্মৃতি, যা তারা সারা জীবন ধরে লালন করেন। আসাদো এখন দলের সবার কাছে সপ্তাহের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত মুহূর্ত।
পারস্পরিক সম্পর্ক মজবুত করার পরিবেশকে স্কালোনি এতটাই গুরুত্ব দেন যে, আসাদোর জন্য তিনি দলের অনুশীলনের সময়ও কমিয়ে দিয়েছেন। সান্তাফের এ কোচ বলেন, অন্য মানুষের কাছে এর গুরুত্ব না থাকলেও ভবিষ্যতের জন্য এই স্মৃতিগুলো অমূল্য। ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের কথা স্মরণ করে তিনি জানান, পাবলো আইমার ও ওয়াল্টার স্যামুয়েলের সঙ্গে কাটানো সেই দারুণ মুহূর্তগুলো এখনও তার চোখে ভাসে। যেকোনো ফলাফলের ঊর্ধ্বে এই সুন্দর স্মৃতিগুলোই মানুষ আজীবন মনে রাখে।
যে আর্জেন্টিনা দল আজ তাদের মূল শক্তির ভিত্তি হিসেবে একতাকে বেছে নিয়েছে, সেখানে আসাদো কেবল একবেলার সাধারণ খাওয়া-দাওয়ায় সীমাবদ্ধ নেই। এটি স্কালোনির প্রজেক্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। বিশ্বকাপে আরও একবার ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে মাঠে নামার আগে কোচ বুঝিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো রণকৌশল বা স্ট্র্যাটেজির চেয়ে গ্রিলের চারপাশে বসে আড্ডা, গল্প আর হাসির মুহূর্তগুলোর স্থায়িত্ব ও মূল্য ক্রীড়াক্ষেত্রের যেকোনো ফলাফলের চেয়ে অনেক বেশি।

বিশ্বকাপের ফাইনালে আজ স্পেনের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১ টায় শুরু হবে মেগা ফাইনাল। তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগেও আর্জেন্টিনা দলের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তাদের চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী ভোজ ‘আসাদো’। বর্তমান কোচিং স্টাফ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলের খেলোয়াড়দের মাঝে মেলবন্ধন ও একতা বাড়াতে এ বারবিকিউ বা মাংস পোড়ানোর উৎসবটি রীতিতে পরিণত হয়েছে। কোচ লিওনেল স্কালোনির কাছে মাঠের কঠোর অনুশীলনের চেয়েও এ আনন্দ আয়োজনের গুরুত্ব ঢের বেশি।
কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেছিলেন, এই মুহূর্তগুলো তাদের কাছে সেরা। মিশরের বিপক্ষে জয়ের পর উদযাপনের মতো এগুলোও অনন্য, যা জীবনে আর কখনো ফিরে আসবে না। কোচের এ কথার সঙ্গে মাঠের পারফরম্যান্স বা সফলতার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। এটি তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য, যা পুরো দলকে এক সুতোয় গেঁথে রেখেছে। স্কালোনি আলবিসেলেস্তেদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার পুরো মেয়াদেই প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত আসাদো উৎসব পালিত হয়ে আসছে। বিশ্বকাপের মতো বড় ও চাপের টুর্নামেন্ট চলাকালেও এর কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।
এবারের বিশ্বকাপেও দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লাউদিও তাপিয়া বেশ কয়েকবার আসাদোর আনন্দ একসঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। তাপিয়া প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে স্পেনের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে এটাই ছিল দলের শেষ ভোজ। তাই এবারের আসাদো ছিল একটু বেশিই বিশেষ। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তাপিয়া একটি ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘হাড় মজ্জায় আর্জেন্টাইন। হ্যাঁ, পুরো দলের সঙ্গে আসাদো হয়ে গেল।’ ভিডিওটিতে উৎসবের দারুণ এক আমেজ ফুটে উঠেছে।
কোচ স্কালোনি স্বীকার করেছেন, কেবল ৪-৩-৩ ফরমেশনের প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি কোচিংয়ে আসেননি। ফুটবলার হিসেবে অবসরের পরও এই দলগত পরিবেশের টানেই তিনি ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত আছেন। সতীর্থদের সান্নিধ্য পাওয়া, আসাদো খাওয়া আর আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী তাস খেলা ‘ট্রুকো’ উপভোগ করার জন্যই তিনি কোচ হয়েছেন। এগুলো এমন কিছু স্মৃতি, যা তারা সারা জীবন ধরে লালন করেন। আসাদো এখন দলের সবার কাছে সপ্তাহের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত মুহূর্ত।
পারস্পরিক সম্পর্ক মজবুত করার পরিবেশকে স্কালোনি এতটাই গুরুত্ব দেন যে, আসাদোর জন্য তিনি দলের অনুশীলনের সময়ও কমিয়ে দিয়েছেন। সান্তাফের এ কোচ বলেন, অন্য মানুষের কাছে এর গুরুত্ব না থাকলেও ভবিষ্যতের জন্য এই স্মৃতিগুলো অমূল্য। ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের কথা স্মরণ করে তিনি জানান, পাবলো আইমার ও ওয়াল্টার স্যামুয়েলের সঙ্গে কাটানো সেই দারুণ মুহূর্তগুলো এখনও তার চোখে ভাসে। যেকোনো ফলাফলের ঊর্ধ্বে এই সুন্দর স্মৃতিগুলোই মানুষ আজীবন মনে রাখে।
যে আর্জেন্টিনা দল আজ তাদের মূল শক্তির ভিত্তি হিসেবে একতাকে বেছে নিয়েছে, সেখানে আসাদো কেবল একবেলার সাধারণ খাওয়া-দাওয়ায় সীমাবদ্ধ নেই। এটি স্কালোনির প্রজেক্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। বিশ্বকাপে আরও একবার ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে মাঠে নামার আগে কোচ বুঝিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো রণকৌশল বা স্ট্র্যাটেজির চেয়ে গ্রিলের চারপাশে বসে আড্ডা, গল্প আর হাসির মুহূর্তগুলোর স্থায়িত্ব ও মূল্য ক্রীড়াক্ষেত্রের যেকোনো ফলাফলের চেয়ে অনেক বেশি।

অনুশীলনের থেকে যে রীতিকে বেশি গুরুত্ব দেন স্কালোনি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের ফাইনালে আজ স্পেনের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১ টায় শুরু হবে মেগা ফাইনাল। তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগেও আর্জেন্টিনা দলের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তাদের চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী ভোজ ‘আসাদো’। বর্তমান কোচিং স্টাফ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দলের খেলোয়াড়দের মাঝে মেলবন্ধন ও একতা বাড়াতে এ বারবিকিউ বা মাংস পোড়ানোর উৎসবটি রীতিতে পরিণত হয়েছে। কোচ লিওনেল স্কালোনির কাছে মাঠের কঠোর অনুশীলনের চেয়েও এ আনন্দ আয়োজনের গুরুত্ব ঢের বেশি।
কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেছিলেন, এই মুহূর্তগুলো তাদের কাছে সেরা। মিশরের বিপক্ষে জয়ের পর উদযাপনের মতো এগুলোও অনন্য, যা জীবনে আর কখনো ফিরে আসবে না। কোচের এ কথার সঙ্গে মাঠের পারফরম্যান্স বা সফলতার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। এটি তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য, যা পুরো দলকে এক সুতোয় গেঁথে রেখেছে। স্কালোনি আলবিসেলেস্তেদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তার পুরো মেয়াদেই প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত আসাদো উৎসব পালিত হয়ে আসছে। বিশ্বকাপের মতো বড় ও চাপের টুর্নামেন্ট চলাকালেও এর কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।
এবারের বিশ্বকাপেও দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লাউদিও তাপিয়া বেশ কয়েকবার আসাদোর আনন্দ একসঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। তাপিয়া প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে স্পেনের বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে এটাই ছিল দলের শেষ ভোজ। তাই এবারের আসাদো ছিল একটু বেশিই বিশেষ। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তাপিয়া একটি ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘হাড় মজ্জায় আর্জেন্টাইন। হ্যাঁ, পুরো দলের সঙ্গে আসাদো হয়ে গেল।’ ভিডিওটিতে উৎসবের দারুণ এক আমেজ ফুটে উঠেছে।
কোচ স্কালোনি স্বীকার করেছেন, কেবল ৪-৩-৩ ফরমেশনের প্রতি ভালোবাসা থেকে তিনি কোচিংয়ে আসেননি। ফুটবলার হিসেবে অবসরের পরও এই দলগত পরিবেশের টানেই তিনি ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত আছেন। সতীর্থদের সান্নিধ্য পাওয়া, আসাদো খাওয়া আর আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী তাস খেলা ‘ট্রুকো’ উপভোগ করার জন্যই তিনি কোচ হয়েছেন। এগুলো এমন কিছু স্মৃতি, যা তারা সারা জীবন ধরে লালন করেন। আসাদো এখন দলের সবার কাছে সপ্তাহের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত মুহূর্ত।
পারস্পরিক সম্পর্ক মজবুত করার পরিবেশকে স্কালোনি এতটাই গুরুত্ব দেন যে, আসাদোর জন্য তিনি দলের অনুশীলনের সময়ও কমিয়ে দিয়েছেন। সান্তাফের এ কোচ বলেন, অন্য মানুষের কাছে এর গুরুত্ব না থাকলেও ভবিষ্যতের জন্য এই স্মৃতিগুলো অমূল্য। ১৯৯৭ সালে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের কথা স্মরণ করে তিনি জানান, পাবলো আইমার ও ওয়াল্টার স্যামুয়েলের সঙ্গে কাটানো সেই দারুণ মুহূর্তগুলো এখনও তার চোখে ভাসে। যেকোনো ফলাফলের ঊর্ধ্বে এই সুন্দর স্মৃতিগুলোই মানুষ আজীবন মনে রাখে।
যে আর্জেন্টিনা দল আজ তাদের মূল শক্তির ভিত্তি হিসেবে একতাকে বেছে নিয়েছে, সেখানে আসাদো কেবল একবেলার সাধারণ খাওয়া-দাওয়ায় সীমাবদ্ধ নেই। এটি স্কালোনির প্রজেক্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। বিশ্বকাপে আরও একবার ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে মাঠে নামার আগে কোচ বুঝিয়ে দিয়েছেন, যেকোনো রণকৌশল বা স্ট্র্যাটেজির চেয়ে গ্রিলের চারপাশে বসে আড্ডা, গল্প আর হাসির মুহূর্তগুলোর স্থায়িত্ব ও মূল্য ক্রীড়াক্ষেত্রের যেকোনো ফলাফলের চেয়ে অনেক বেশি।

শেষ হলো দেশম অধ্যায়, শুরুর অপেক্ষায় জিদান
আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালসহ টিভিতে যত খেলা দেখবেন






