মাদক বিক্রির টাকার দ্বন্দ্বে যুবককে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

মাদক বিক্রির টাকার দ্বন্দ্বে যুবককে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে সুমন মিয়া নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকালে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার কোতয়ালি থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন– ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অষ্টধার কুঠুরাকান্দা গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে সজীব আলী, অষ্টধার ভিটাপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে নাজমুল ইসলাম এবং একই গ্রামের মাহিন মিয়ার ছেলে শিহাব মিয়া ওরফে শিপন।
নিহত সুমন একই গ্রামের আমছর আলীর ছেলে। তারা নিয়মিত মাদক ব্যবসা ও সেবন করতেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগির বিরোধের জেরে সুমন মিয়ার সঙ্গে সজীব আলীর হাতাহাতি হয়। এ বিরোধে সুমনকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে সুমনকে মোবাইল ফোনে ডেকে অষ্টধার সেনপাড়া এলাকায় আনা হয়। সেখানে তারা গাঁজা সেবন করেন। পুনরায় টাকার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হলে কয়েকজন মিলে ধারালো ছুরি দিয়ে সুমনকে হত্যা করে। পরে মরদেহ রেললাইনের দক্ষিণ পাশে ধানক্ষেতের সেচের নালার ওপর ফেলে রেখে চলে যায়।
এ ঘটনায় নিহত সুমনের মামা মাহিন হোসেন বাদী হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, তদন্ত ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সজীব, নাজমুল ও শিপনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার প্রত্যেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তার কিশোর শিপনকে আদালতের নির্দেশে গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

ময়মনসিংহে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে সুমন মিয়া নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকালে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার কোতয়ালি থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন– ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অষ্টধার কুঠুরাকান্দা গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে সজীব আলী, অষ্টধার ভিটাপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে নাজমুল ইসলাম এবং একই গ্রামের মাহিন মিয়ার ছেলে শিহাব মিয়া ওরফে শিপন।
নিহত সুমন একই গ্রামের আমছর আলীর ছেলে। তারা নিয়মিত মাদক ব্যবসা ও সেবন করতেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগির বিরোধের জেরে সুমন মিয়ার সঙ্গে সজীব আলীর হাতাহাতি হয়। এ বিরোধে সুমনকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে সুমনকে মোবাইল ফোনে ডেকে অষ্টধার সেনপাড়া এলাকায় আনা হয়। সেখানে তারা গাঁজা সেবন করেন। পুনরায় টাকার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হলে কয়েকজন মিলে ধারালো ছুরি দিয়ে সুমনকে হত্যা করে। পরে মরদেহ রেললাইনের দক্ষিণ পাশে ধানক্ষেতের সেচের নালার ওপর ফেলে রেখে চলে যায়।
এ ঘটনায় নিহত সুমনের মামা মাহিন হোসেন বাদী হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, তদন্ত ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সজীব, নাজমুল ও শিপনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার প্রত্যেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তার কিশোর শিপনকে আদালতের নির্দেশে গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাদক বিক্রির টাকার দ্বন্দ্বে যুবককে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে সুমন মিয়া নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকালে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার কোতয়ালি থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন– ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অষ্টধার কুঠুরাকান্দা গ্রামের আহাদ আলীর ছেলে সজীব আলী, অষ্টধার ভিটাপাড়া গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে নাজমুল ইসলাম এবং একই গ্রামের মাহিন মিয়ার ছেলে শিহাব মিয়া ওরফে শিপন।
নিহত সুমন একই গ্রামের আমছর আলীর ছেলে। তারা নিয়মিত মাদক ব্যবসা ও সেবন করতেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগির বিরোধের জেরে সুমন মিয়ার সঙ্গে সজীব আলীর হাতাহাতি হয়। এ বিরোধে সুমনকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে সুমনকে মোবাইল ফোনে ডেকে অষ্টধার সেনপাড়া এলাকায় আনা হয়। সেখানে তারা গাঁজা সেবন করেন। পুনরায় টাকার বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হলে কয়েকজন মিলে ধারালো ছুরি দিয়ে সুমনকে হত্যা করে। পরে মরদেহ রেললাইনের দক্ষিণ পাশে ধানক্ষেতের সেচের নালার ওপর ফেলে রেখে চলে যায়।
এ ঘটনায় নিহত সুমনের মামা মাহিন হোসেন বাদী হয়ে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, তদন্ত ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সজীব, নাজমুল ও শিপনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার প্রত্যেকেই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তার কিশোর শিপনকে আদালতের নির্দেশে গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।




