সন্তান জন্ম নিলেই লাগানো হয় গাছের চারা

সন্তান জন্ম নিলেই লাগানো হয় গাছের চারা
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

কোনো পরিবারে শিশু জন্মের খবর পেলেই উপহার হিসেবে গাছ নিয়ে ছুটে যান একদল তরুণ। নবজাতকের নামে বাড়ির আঙিনায় তারা রোপণ করেন দুইটি গাছের চারা।
‘একটি শিশু দুটি বৃক্ষ, লাগাব বৃক্ষ তাড়াব দুঃখ’ এই স্লোগানে ব্যতিক্রমী এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জনতার ঈশ্বরগঞ্জ’। ইতোমধ্যে সংগঠনটির সদস্যরা এক হাজারের বেশি শিশুর নামে গাছ লাগিয়েছেন।
সংগঠনের তথ্য মতে, ২০২৩ সালে তরুণরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেন। গত ১১ মে পর্যন্ত ১ হাজার ১১ জন শিশুর নামে ২ হাজার ২২টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। শুধু নবজাতক নয়, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার স্মরণেও দুটি করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সংগঠনটি। আজ ১ জুন সংগঠনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নতুন এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি অসহায় মানুষের আর্থিক সহায়তা, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচিও পরিচালনা করে সংগঠনটি।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এহসানুল হক বলেন, বিশ্বব্যাপী শিল্পায়ন ও নগরায়ণের কারণে নির্বিচার কাটা হচ্ছে গাছ। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। হুমকির মুখে পড়ছে মানুষের স্বাস্থ্য ও জলবায়ু। প্রতিটি প্রাণীই বৃক্ষ বা উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, অক্সিজেনের ঘাটতি দূর করা ও জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে আমরা গাছ লাগানোর এ উদ্যোগ শুরু করেছি।
স্বেচ্ছাসেবী সৈয়দা মাহফুজা ঝুমু বলেন, নবজাতককে পৃথিবীতে স্বাগত জানানো হয় দুটি গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে। এটি অন্য রকম উদ্যোগ, এর থেকে সুন্দর বার্তা আর হতে পারে না।
আরেক স্বেচ্ছাসেবী আরিফুল হক বলেন, প্রকৃতিতে গাছপালার খুব প্রয়োজন। সেটি অনুভব করে আমরা শিশুর জন্মের পর উপহার হিসেবে দুটি করে গাছ নিয়ে যাচ্ছি। এ কাজটি আমাদের জন্য খুব ভালো লাগার ও আনন্দের।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম তালুকদার বলেন, শিশুর জন্মের পর দুটি করে গাছ লাগানোর উদ্যোগটি খুবই ইতিবাচক। বৃক্ষ জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব, অক্সিজেনের ভারসাম্য ও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। আশা করছি, এই উদ্যোগে আরও তরুণরা এগিয়ে আসবেন।

কোনো পরিবারে শিশু জন্মের খবর পেলেই উপহার হিসেবে গাছ নিয়ে ছুটে যান একদল তরুণ। নবজাতকের নামে বাড়ির আঙিনায় তারা রোপণ করেন দুইটি গাছের চারা।
‘একটি শিশু দুটি বৃক্ষ, লাগাব বৃক্ষ তাড়াব দুঃখ’ এই স্লোগানে ব্যতিক্রমী এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জনতার ঈশ্বরগঞ্জ’। ইতোমধ্যে সংগঠনটির সদস্যরা এক হাজারের বেশি শিশুর নামে গাছ লাগিয়েছেন।
সংগঠনের তথ্য মতে, ২০২৩ সালে তরুণরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেন। গত ১১ মে পর্যন্ত ১ হাজার ১১ জন শিশুর নামে ২ হাজার ২২টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। শুধু নবজাতক নয়, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার স্মরণেও দুটি করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সংগঠনটি। আজ ১ জুন সংগঠনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নতুন এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি অসহায় মানুষের আর্থিক সহায়তা, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচিও পরিচালনা করে সংগঠনটি।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এহসানুল হক বলেন, বিশ্বব্যাপী শিল্পায়ন ও নগরায়ণের কারণে নির্বিচার কাটা হচ্ছে গাছ। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। হুমকির মুখে পড়ছে মানুষের স্বাস্থ্য ও জলবায়ু। প্রতিটি প্রাণীই বৃক্ষ বা উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, অক্সিজেনের ঘাটতি দূর করা ও জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে আমরা গাছ লাগানোর এ উদ্যোগ শুরু করেছি।
স্বেচ্ছাসেবী সৈয়দা মাহফুজা ঝুমু বলেন, নবজাতককে পৃথিবীতে স্বাগত জানানো হয় দুটি গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে। এটি অন্য রকম উদ্যোগ, এর থেকে সুন্দর বার্তা আর হতে পারে না।
আরেক স্বেচ্ছাসেবী আরিফুল হক বলেন, প্রকৃতিতে গাছপালার খুব প্রয়োজন। সেটি অনুভব করে আমরা শিশুর জন্মের পর উপহার হিসেবে দুটি করে গাছ নিয়ে যাচ্ছি। এ কাজটি আমাদের জন্য খুব ভালো লাগার ও আনন্দের।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম তালুকদার বলেন, শিশুর জন্মের পর দুটি করে গাছ লাগানোর উদ্যোগটি খুবই ইতিবাচক। বৃক্ষ জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব, অক্সিজেনের ভারসাম্য ও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। আশা করছি, এই উদ্যোগে আরও তরুণরা এগিয়ে আসবেন।

সন্তান জন্ম নিলেই লাগানো হয় গাছের চারা
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

কোনো পরিবারে শিশু জন্মের খবর পেলেই উপহার হিসেবে গাছ নিয়ে ছুটে যান একদল তরুণ। নবজাতকের নামে বাড়ির আঙিনায় তারা রোপণ করেন দুইটি গাছের চারা।
‘একটি শিশু দুটি বৃক্ষ, লাগাব বৃক্ষ তাড়াব দুঃখ’ এই স্লোগানে ব্যতিক্রমী এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘জনতার ঈশ্বরগঞ্জ’। ইতোমধ্যে সংগঠনটির সদস্যরা এক হাজারের বেশি শিশুর নামে গাছ লাগিয়েছেন।
সংগঠনের তথ্য মতে, ২০২৩ সালে তরুণরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেন। গত ১১ মে পর্যন্ত ১ হাজার ১১ জন শিশুর নামে ২ হাজার ২২টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। শুধু নবজাতক নয়, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার স্মরণেও দুটি করে গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সংগঠনটি। আজ ১ জুন সংগঠনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নতুন এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি অসহায় মানুষের আর্থিক সহায়তা, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচিও পরিচালনা করে সংগঠনটি।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এহসানুল হক বলেন, বিশ্বব্যাপী শিল্পায়ন ও নগরায়ণের কারণে নির্বিচার কাটা হচ্ছে গাছ। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। হুমকির মুখে পড়ছে মানুষের স্বাস্থ্য ও জলবায়ু। প্রতিটি প্রাণীই বৃক্ষ বা উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, অক্সিজেনের ঘাটতি দূর করা ও জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে আমরা গাছ লাগানোর এ উদ্যোগ শুরু করেছি।
স্বেচ্ছাসেবী সৈয়দা মাহফুজা ঝুমু বলেন, নবজাতককে পৃথিবীতে স্বাগত জানানো হয় দুটি গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে। এটি অন্য রকম উদ্যোগ, এর থেকে সুন্দর বার্তা আর হতে পারে না।
আরেক স্বেচ্ছাসেবী আরিফুল হক বলেন, প্রকৃতিতে গাছপালার খুব প্রয়োজন। সেটি অনুভব করে আমরা শিশুর জন্মের পর উপহার হিসেবে দুটি করে গাছ নিয়ে যাচ্ছি। এ কাজটি আমাদের জন্য খুব ভালো লাগার ও আনন্দের।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম তালুকদার বলেন, শিশুর জন্মের পর দুটি করে গাছ লাগানোর উদ্যোগটি খুবই ইতিবাচক। বৃক্ষ জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব, অক্সিজেনের ভারসাম্য ও পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। আশা করছি, এই উদ্যোগে আরও তরুণরা এগিয়ে আসবেন।



