টানা বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ নগরীতে জলাবদ্ধতা

টানা বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ নগরীতে জলাবদ্ধতা
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

টানা বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান সড়ক, অলিগলি ও আবাসিক এলাকার অনেক অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সাড়ে ৮ ঘণ্টায় জেলায় ১৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি এ বছরে ময়মনসিংহ জেলার সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।
টানা এ বৃষ্টিতে নগরীর সানকিপাড়া, আকুয়া, গোলকিবাড়ী, বলাশপুর, চরপাড়া, খাগডহর, গাঙ্গিনারপাড়, নতুন বাজার, জেলা স্কুল মোড়, কেওয়াটখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে যায়। অনেকের বসত ঘরে পানি উঠায় বেড়েছে ভোগান্তি।
সমাজ রুপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘের সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘শহরের অনেক জায়গায় ড্রেনের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই মানুষের বাসাবাড়িতে পানি উঠে ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। শুধু অস্থায়ীভাবে পানি অপসারণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, খাল পুনরুদ্ধার এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে।’
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি ইয়াজদানী কোরাইশী কাজল বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন করতে হলে পরিকল্পিতভাবে ড্রেন খনন জরুরি হয়ে পড়েছে। এখন যেভাবে ড্রেন করা হচ্ছে তা শুধু করার জন্যই করা হচ্ছে। এতে আসলে নগরবাসীর সুফল আসবে না।’
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান সরকার বলেন, ‘ভারি বৃষ্টির কারণে নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও দ্রুত পানি নামছে। সকাল থেকে আমি বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছি।’

টানা বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান সড়ক, অলিগলি ও আবাসিক এলাকার অনেক অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সাড়ে ৮ ঘণ্টায় জেলায় ১৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি এ বছরে ময়মনসিংহ জেলার সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।
টানা এ বৃষ্টিতে নগরীর সানকিপাড়া, আকুয়া, গোলকিবাড়ী, বলাশপুর, চরপাড়া, খাগডহর, গাঙ্গিনারপাড়, নতুন বাজার, জেলা স্কুল মোড়, কেওয়াটখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে যায়। অনেকের বসত ঘরে পানি উঠায় বেড়েছে ভোগান্তি।
সমাজ রুপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘের সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘শহরের অনেক জায়গায় ড্রেনের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই মানুষের বাসাবাড়িতে পানি উঠে ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। শুধু অস্থায়ীভাবে পানি অপসারণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, খাল পুনরুদ্ধার এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে।’
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি ইয়াজদানী কোরাইশী কাজল বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন করতে হলে পরিকল্পিতভাবে ড্রেন খনন জরুরি হয়ে পড়েছে। এখন যেভাবে ড্রেন করা হচ্ছে তা শুধু করার জন্যই করা হচ্ছে। এতে আসলে নগরবাসীর সুফল আসবে না।’
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান সরকার বলেন, ‘ভারি বৃষ্টির কারণে নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও দ্রুত পানি নামছে। সকাল থেকে আমি বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছি।’

টানা বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ নগরীতে জলাবদ্ধতা
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

টানা বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান সড়ক, অলিগলি ও আবাসিক এলাকার অনেক অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ পথচারীরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত সাড়ে ৮ ঘণ্টায় জেলায় ১৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি এ বছরে ময়মনসিংহ জেলার সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।
টানা এ বৃষ্টিতে নগরীর সানকিপাড়া, আকুয়া, গোলকিবাড়ী, বলাশপুর, চরপাড়া, খাগডহর, গাঙ্গিনারপাড়, নতুন বাজার, জেলা স্কুল মোড়, কেওয়াটখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুসমান পানি জমে যায়। অনেকের বসত ঘরে পানি উঠায় বেড়েছে ভোগান্তি।
সমাজ রুপান্তর সাংস্কৃতিক সংঘের সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ‘শহরের অনেক জায়গায় ড্রেনের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই মানুষের বাসাবাড়িতে পানি উঠে ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। শুধু অস্থায়ীভাবে পানি অপসারণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, খাল পুনরুদ্ধার এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে।’
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি ইয়াজদানী কোরাইশী কাজল বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসন করতে হলে পরিকল্পিতভাবে ড্রেন খনন জরুরি হয়ে পড়েছে। এখন যেভাবে ড্রেন করা হচ্ছে তা শুধু করার জন্যই করা হচ্ছে। এতে আসলে নগরবাসীর সুফল আসবে না।’
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান সরকার বলেন, ‘ভারি বৃষ্টির কারণে নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও দ্রুত পানি নামছে। সকাল থেকে আমি বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছি।’




