গফরগাঁওয়ে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩

গফরগাঁওয়ে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় রিকশাচালক যুবককে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আলম মিয়া। তিনি উপজেলার পড়শীপাড়া গ্রামের সহরুদ্দিনের ছেলে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের লিটন, মাজাহারুল ইসলাম ও ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে পড়শীপাড়া গ্রামে জমির সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে আমান মিয়ার সঙ্গে সহরুদ্দিনের ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। বিবাধের একপর্যায়ে সহরুদ্দিনের ছেলে বাক প্রতিবন্ধী আলম মিয়া আছিয়া বেগমকে মারধর করেন।
এ ঘটনার জেরে আমান মিয়া, ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের লিটন ও মাজাহারুল ইসলামের সহযোগিতায় বাক প্রতিবন্ধী যুবক আলম মিয়াকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করেন। এতে আলম মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ওই দিন মধ্য রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যুবককে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় রিকশাচালক যুবককে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আলম মিয়া। তিনি উপজেলার পড়শীপাড়া গ্রামের সহরুদ্দিনের ছেলে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের লিটন, মাজাহারুল ইসলাম ও ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে পড়শীপাড়া গ্রামে জমির সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে আমান মিয়ার সঙ্গে সহরুদ্দিনের ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। বিবাধের একপর্যায়ে সহরুদ্দিনের ছেলে বাক প্রতিবন্ধী আলম মিয়া আছিয়া বেগমকে মারধর করেন।
এ ঘটনার জেরে আমান মিয়া, ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের লিটন ও মাজাহারুল ইসলামের সহযোগিতায় বাক প্রতিবন্ধী যুবক আলম মিয়াকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করেন। এতে আলম মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ওই দিন মধ্য রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যুবককে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

গফরগাঁওয়ে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় রিকশাচালক যুবককে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আলম মিয়া। তিনি উপজেলার পড়শীপাড়া গ্রামের সহরুদ্দিনের ছেলে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের লিটন, মাজাহারুল ইসলাম ও ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে পড়শীপাড়া গ্রামে জমির সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে আমান মিয়ার সঙ্গে সহরুদ্দিনের ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। বিবাধের একপর্যায়ে সহরুদ্দিনের ছেলে বাক প্রতিবন্ধী আলম মিয়া আছিয়া বেগমকে মারধর করেন।
এ ঘটনার জেরে আমান মিয়া, ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের লিটন ও মাজাহারুল ইসলামের সহযোগিতায় বাক প্রতিবন্ধী যুবক আলম মিয়াকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করেন। এতে আলম মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ওই দিন মধ্য রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যুবককে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।




