ভারতের ককরোচ পার্টির আন্দোলনে ছাত্র ইউনিয়নের সংহতি

ভারতের ককরোচ পার্টির আন্দোলনে ছাত্র ইউনিয়নের সংহতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। একইসঙ্গে ছাত্র-যুবদের আন্দোলনে পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ সংহতি প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা এবং সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্র-যুবরা দিল্লির যন্তরমন্তরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। দীর্ঘদিন আন্দোলন চললেও ভারতের সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। বরং আন্দোলন নস্যাৎ করতে নানামুখী অপতৎপরতা চালিয়েছে দেশটির সরকার। সর্বশেষ, সোনম ওয়াংচুককে অনশন মঞ্চ থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া এবং ছাত্র-যুব-জনতার ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার মত বর্বর ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
তারা বলেন, রাষ্ট্রের অন্যায়-নিপীড়ন-নিষ্পেষণের বিরুদ্ধে ছাত্র-যুবরাই সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ। তাই দেশে দেশে সরকার তাদের উপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে। ভারতের ছাত্র-যুবরা দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপি সরকারের অন্যায়-অনিয়ম ও হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডার বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে। ভারতের প্রগতিশীল ছাত্র-যুব সংগঠনগুলো এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিজেপি সরকারের জেল-জুলুম উপেক্ষা করে তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের লড়াকু ছাত্র-যুব-জনতার প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করছি। আমরা বিশ্বের অপরাপর প্রগতিশীল সংগঠনসমূহকে ভারতের চলমান ছাত্র-যুব আন্দোলনে সংহতি জ্ঞাপন এবং তা নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সরব হওয়ার আহ্বান জানাই। বিশ্বব্যাপী অন্যায়-অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগঠিত সকল আন্দোলনের পক্ষে আমরা আমাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছি।
উল্লেখ্য, ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং প্রগতিশীল ছাত্র-যুব সংগঠনগুলো। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গড়ে ওঠে ককরোচ জনতা পার্টি।

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। একইসঙ্গে ছাত্র-যুবদের আন্দোলনে পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ সংহতি প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা এবং সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্র-যুবরা দিল্লির যন্তরমন্তরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। দীর্ঘদিন আন্দোলন চললেও ভারতের সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। বরং আন্দোলন নস্যাৎ করতে নানামুখী অপতৎপরতা চালিয়েছে দেশটির সরকার। সর্বশেষ, সোনম ওয়াংচুককে অনশন মঞ্চ থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া এবং ছাত্র-যুব-জনতার ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার মত বর্বর ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
তারা বলেন, রাষ্ট্রের অন্যায়-নিপীড়ন-নিষ্পেষণের বিরুদ্ধে ছাত্র-যুবরাই সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ। তাই দেশে দেশে সরকার তাদের উপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে। ভারতের ছাত্র-যুবরা দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপি সরকারের অন্যায়-অনিয়ম ও হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডার বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে। ভারতের প্রগতিশীল ছাত্র-যুব সংগঠনগুলো এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিজেপি সরকারের জেল-জুলুম উপেক্ষা করে তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের লড়াকু ছাত্র-যুব-জনতার প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করছি। আমরা বিশ্বের অপরাপর প্রগতিশীল সংগঠনসমূহকে ভারতের চলমান ছাত্র-যুব আন্দোলনে সংহতি জ্ঞাপন এবং তা নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সরব হওয়ার আহ্বান জানাই। বিশ্বব্যাপী অন্যায়-অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগঠিত সকল আন্দোলনের পক্ষে আমরা আমাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছি।
উল্লেখ্য, ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং প্রগতিশীল ছাত্র-যুব সংগঠনগুলো। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গড়ে ওঠে ককরোচ জনতা পার্টি।

ভারতের ককরোচ পার্টির আন্দোলনে ছাত্র ইউনিয়নের সংহতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। একইসঙ্গে ছাত্র-যুবদের আন্দোলনে পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ সংহতি প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা এবং সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ছাত্র-যুবরা দিল্লির যন্তরমন্তরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। দীর্ঘদিন আন্দোলন চললেও ভারতের সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। বরং আন্দোলন নস্যাৎ করতে নানামুখী অপতৎপরতা চালিয়েছে দেশটির সরকার। সর্বশেষ, সোনম ওয়াংচুককে অনশন মঞ্চ থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া এবং ছাত্র-যুব-জনতার ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার মত বর্বর ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
তারা বলেন, রাষ্ট্রের অন্যায়-নিপীড়ন-নিষ্পেষণের বিরুদ্ধে ছাত্র-যুবরাই সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ। তাই দেশে দেশে সরকার তাদের উপর রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে। ভারতের ছাত্র-যুবরা দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপি সরকারের অন্যায়-অনিয়ম ও হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডার বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে। ভারতের প্রগতিশীল ছাত্র-যুব সংগঠনগুলো এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। বিজেপি সরকারের জেল-জুলুম উপেক্ষা করে তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের লড়াকু ছাত্র-যুব-জনতার প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করছি। আমরা বিশ্বের অপরাপর প্রগতিশীল সংগঠনসমূহকে ভারতের চলমান ছাত্র-যুব আন্দোলনে সংহতি জ্ঞাপন এবং তা নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সরব হওয়ার আহ্বান জানাই। বিশ্বব্যাপী অন্যায়-অত্যাচার-নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগঠিত সকল আন্দোলনের পক্ষে আমরা আমাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছি।
উল্লেখ্য, ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং প্রগতিশীল ছাত্র-যুব সংগঠনগুলো। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গড়ে ওঠে ককরোচ জনতা পার্টি।

ছাত্রদলের একযোগে ২৯ কমিটি অনুমোদন







