রমজান আসতেই ২০ টাকা হালির কলা ৪০ টাকা

রমজান আসতেই ২০ টাকা হালির কলা ৪০ টাকা
মৌলবীবাজার সংবাদদাতা

পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই মৌলভীবাজারে কলার বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে কলা। কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি হালিতে দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
কলা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে কলার দাম দ্বিগুণ হয়েছে। এজন্য বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে কয়েকদিন আগে যে কলা ২০ থেকে ২৫ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছিল। বর্তমানে সেই একই কলার হালি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা বিক্রি হয়েছে। গুদামে কলা রেখে সংকট দেখানো হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ক্রেতাদের।
কলা কিনতে এসে হাসান মিয়া বলেন, যে কলা সবসময় ২০ থেকে ৩০ টাকা হালি কিনি, সেই একই কলা এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। সাগর কলা কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকা হালি ধরে। যেই কলা আগে বিক্রি হতো ৪০ টাকা হালি।
শমশেরনগর বাজারের কলার ব্যবসা করছেন মকুল মিয়া। তিনি বলেন, রমজান আসলে কলার দাম বাড়ে। আমাদেরও বিভিন্ন এলাকা থেকে দাম দিয়ে কলা আনতে হয়।
এক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানে ছোট কলা খুব কম চলে। এজন্য বড় কলা আনতে হয়। কিন্তু এখন বড় কলার দাম বেড়ে গেছে। এক পিস কলা ৮ টাকা করে কিনে ১০ টাকায় বিক্রি করছি। এই দামের নিচে বিক্রি করলে আমাদের কোনোভাবে পোষায় না।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী ন্যায্য দামে প্রাপ্তি নিশ্চিতে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান চলমান আছে।

পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই মৌলভীবাজারে কলার বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে কলা। কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি হালিতে দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
কলা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে কলার দাম দ্বিগুণ হয়েছে। এজন্য বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে কয়েকদিন আগে যে কলা ২০ থেকে ২৫ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছিল। বর্তমানে সেই একই কলার হালি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা বিক্রি হয়েছে। গুদামে কলা রেখে সংকট দেখানো হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ক্রেতাদের।
কলা কিনতে এসে হাসান মিয়া বলেন, যে কলা সবসময় ২০ থেকে ৩০ টাকা হালি কিনি, সেই একই কলা এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। সাগর কলা কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকা হালি ধরে। যেই কলা আগে বিক্রি হতো ৪০ টাকা হালি।
শমশেরনগর বাজারের কলার ব্যবসা করছেন মকুল মিয়া। তিনি বলেন, রমজান আসলে কলার দাম বাড়ে। আমাদেরও বিভিন্ন এলাকা থেকে দাম দিয়ে কলা আনতে হয়।
এক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানে ছোট কলা খুব কম চলে। এজন্য বড় কলা আনতে হয়। কিন্তু এখন বড় কলার দাম বেড়ে গেছে। এক পিস কলা ৮ টাকা করে কিনে ১০ টাকায় বিক্রি করছি। এই দামের নিচে বিক্রি করলে আমাদের কোনোভাবে পোষায় না।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী ন্যায্য দামে প্রাপ্তি নিশ্চিতে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান চলমান আছে।

রমজান আসতেই ২০ টাকা হালির কলা ৪০ টাকা
মৌলবীবাজার সংবাদদাতা

পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই মৌলভীবাজারে কলার বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে কলা। কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি হালিতে দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
কলা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে কলার দাম দ্বিগুণ হয়েছে। এজন্য বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে কয়েকদিন আগে যে কলা ২০ থেকে ২৫ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছিল। বর্তমানে সেই একই কলার হালি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা বিক্রি হয়েছে। গুদামে কলা রেখে সংকট দেখানো হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ক্রেতাদের।
কলা কিনতে এসে হাসান মিয়া বলেন, যে কলা সবসময় ২০ থেকে ৩০ টাকা হালি কিনি, সেই একই কলা এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। সাগর কলা কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকা হালি ধরে। যেই কলা আগে বিক্রি হতো ৪০ টাকা হালি।
শমশেরনগর বাজারের কলার ব্যবসা করছেন মকুল মিয়া। তিনি বলেন, রমজান আসলে কলার দাম বাড়ে। আমাদেরও বিভিন্ন এলাকা থেকে দাম দিয়ে কলা আনতে হয়।
এক ব্যবসায়ী বলেন, দোকানে ছোট কলা খুব কম চলে। এজন্য বড় কলা আনতে হয়। কিন্তু এখন বড় কলার দাম বেড়ে গেছে। এক পিস কলা ৮ টাকা করে কিনে ১০ টাকায় বিক্রি করছি। এই দামের নিচে বিক্রি করলে আমাদের কোনোভাবে পোষায় না।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী ন্যায্য দামে প্রাপ্তি নিশ্চিতে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান চলমান আছে।




