শিরোনাম

ডিজেলের অপেক্ষায় ট্রাক্টরের দীর্ঘ সারি

মেহেরপুর সংবাদদাতা
ডিজেলের অপেক্ষায় ট্রাক্টরের দীর্ঘ সারি
ছবি: সংগৃহীত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় জ্বালানি তেলের জন্য ট্রাক্টরের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। প্রতিদিনই সকাল থেকে ট্রাক্টরচালকরা তেলের অপেক্ষায় ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষা করেন।

ট্রাক্টরচালকরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন, সেখানে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ লিটার। এতে নির্ধারিত সময়ে পর্যাপ্ত জমি চাষ করা সম্ভব হচ্ছে না।

তারা আরো বলেন, প্রায় সকালেই তারা ট্রাক্টর নিয়ে ফিলিং স্টেশনে বসে থাকেন। পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছি।

বুধবার তেল নিতে আসা ট্রাক্টরচালক করিমুল ইসলাম বলেন, আমাদের তেলের চাহিদা ৭০ থেকে ৮০ লিটার। তবে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ লিটার। এভাবে তেল পেলে ঠিক মতো জমি চাষ করা সম্ভব হবে না। প্রশাসনের উচিত দ্রুত চাষিদের কথা চিন্তা করে ট্রাক্টর ও সেচযন্ত্রে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করা। অনেকের ইঞ্জিনচালিত শ্যালো মেশিন রয়েছে। তারাও দীর্ঘ সময় ধরে তেলের অপেক্ষায় আছেন। তেল নিতে যদি পুরো দিন চলে যায়, তাহলে কাজ করব কখন?’

কৃষক মো. রকিবুল ইসলাম বলেন, আমার ইঞ্জিনচালিত একটি শ্যালো মেশিন রয়েছে। পাম্পে গিয়ে ঠিক মতো তেল পাচ্ছি না। তাই জমিতে সেচ দিতে পারছি না। এভাবে তেল পেলে তো আবাদ নষ্ট হয়ে যাবে।

কৃষক মো. স্বপন আলী বলেন, ডিজেল না পাওয়ায় ট্রাক্টরচালকরা জমি চাষ করতে পারছেন না। শ্যালো ইঞ্জিনচালিত সেচযন্ত্রের মালিকরাও সময় মতো তেল পাচ্ছেন না। এতে সেচ কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি প্রশাসনের গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত।

গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মতিয়র রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতিক্রমে কৃষিযন্ত্রের জন্য ডিজেল কার্ড চালু করা হয়েছে। পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর ও সেচপাম্পের মালিকদের মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে এই কার্ড দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে পাম্পমালিক ও ট্যাগ অফিসারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

/এসআর/