গাংনীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫

গাংনীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫
মেহেরপুর সংবাদদাতা

মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলায় দুস্থ লোকজেনর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় (ভিজিএফ) চাল ভাগাভাগি ও প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিএনপির প্যানেল চেয়ারম্যান সারগিদুল ইসলাম গ্রুপ ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সারগিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, গত সোমবার থেকে আলফাজ উদ্দিন কালুর লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে হামলা ও ভাঙচুর করবে এমন সংবাদ পাওয়া যায়। ওই সংবাদের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে আমরা যাই। সেখানে যাওয়ার পর দেখা যায় কেএবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে কালুর লোকজন লাঠিশোঠা নিয়ে অবস্থান করছে। পরে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করে।
গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু বলেন, ‘অধিকাংশ গরিব লোকজন ভিজিএফ চাল থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। সরকারের বরাদ্দকৃত চাল সারগিদুল গ্রুপ নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নিয়েছে। এজন্য এলাকার লোকজন ইউনিয়ন পরিষদ অবরোধের আমরা এখানে এসেছি। তখন প্যানেল চেয়ারম্যানের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে।’
এদিকে আলফাজ উদ্দিন কালু গ্রুপের আব্দুল হালিম বলেন, সারগিদুল ইসলাম তার দলবল নিয়ে জোর করে অবৈধভাবে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে বসে আছেন। আর আমরা আজ দেড় বছর ধরে নারগিস খাতুনকে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে বসানোর জন্য আইনিভাবে লড়াই করছি। প্রশাসনের কাছে তারা দাবি করছেন, অবৈধ প্যানেল চেয়ারম্যানকে সরিয়ে নারগিস খাতুনকে যাতে বসানো হয়।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস জানান সেখানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলায় দুস্থ লোকজেনর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় (ভিজিএফ) চাল ভাগাভাগি ও প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিএনপির প্যানেল চেয়ারম্যান সারগিদুল ইসলাম গ্রুপ ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সারগিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, গত সোমবার থেকে আলফাজ উদ্দিন কালুর লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে হামলা ও ভাঙচুর করবে এমন সংবাদ পাওয়া যায়। ওই সংবাদের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে আমরা যাই। সেখানে যাওয়ার পর দেখা যায় কেএবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে কালুর লোকজন লাঠিশোঠা নিয়ে অবস্থান করছে। পরে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করে।
গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু বলেন, ‘অধিকাংশ গরিব লোকজন ভিজিএফ চাল থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। সরকারের বরাদ্দকৃত চাল সারগিদুল গ্রুপ নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নিয়েছে। এজন্য এলাকার লোকজন ইউনিয়ন পরিষদ অবরোধের আমরা এখানে এসেছি। তখন প্যানেল চেয়ারম্যানের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে।’
এদিকে আলফাজ উদ্দিন কালু গ্রুপের আব্দুল হালিম বলেন, সারগিদুল ইসলাম তার দলবল নিয়ে জোর করে অবৈধভাবে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে বসে আছেন। আর আমরা আজ দেড় বছর ধরে নারগিস খাতুনকে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে বসানোর জন্য আইনিভাবে লড়াই করছি। প্রশাসনের কাছে তারা দাবি করছেন, অবৈধ প্যানেল চেয়ারম্যানকে সরিয়ে নারগিস খাতুনকে যাতে বসানো হয়।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস জানান সেখানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

গাংনীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫
মেহেরপুর সংবাদদাতা

মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলায় দুস্থ লোকজেনর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় (ভিজিএফ) চাল ভাগাভাগি ও প্যানেল চেয়ারম্যান নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিএনপির প্যানেল চেয়ারম্যান সারগিদুল ইসলাম গ্রুপ ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. সারগিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, গত সোমবার থেকে আলফাজ উদ্দিন কালুর লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে হামলা ও ভাঙচুর করবে এমন সংবাদ পাওয়া যায়। ওই সংবাদের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে আমরা যাই। সেখানে যাওয়ার পর দেখা যায় কেএবি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে কালুর লোকজন লাঠিশোঠা নিয়ে অবস্থান করছে। পরে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা করে।
গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু বলেন, ‘অধিকাংশ গরিব লোকজন ভিজিএফ চাল থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। সরকারের বরাদ্দকৃত চাল সারগিদুল গ্রুপ নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নিয়েছে। এজন্য এলাকার লোকজন ইউনিয়ন পরিষদ অবরোধের আমরা এখানে এসেছি। তখন প্যানেল চেয়ারম্যানের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে।’
এদিকে আলফাজ উদ্দিন কালু গ্রুপের আব্দুল হালিম বলেন, সারগিদুল ইসলাম তার দলবল নিয়ে জোর করে অবৈধভাবে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে বসে আছেন। আর আমরা আজ দেড় বছর ধরে নারগিস খাতুনকে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে বসানোর জন্য আইনিভাবে লড়াই করছি। প্রশাসনের কাছে তারা দাবি করছেন, অবৈধ প্যানেল চেয়ারম্যানকে সরিয়ে নারগিস খাতুনকে যাতে বসানো হয়।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস জানান সেখানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।




