প্রবাসী দুই ছেলে থাকলেও কাটেনি ঋণের চাপ, বৃদ্ধের আত্মহত্যা

প্রবাসী দুই ছেলে থাকলেও কাটেনি ঋণের চাপ, বৃদ্ধের আত্মহত্যা
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় ঋণের বোঝা বইতে না পেরে কুব্বাত আলী বেপারী (৬১) নামে এক আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়নের দড়িকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন হরিরামপুর থানা ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন।
ৎনিহত কুব্বাত আলী দড়িকান্দি গ্রামের মৃত পাহালি বেপারীর ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুব্বাত আলীর দুই ছেলে ওলি ও সোহান প্রবাসে থাকেন। তার বড় ছেলে ওলি প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর ধরে বিদেশে থাকলেও বাবাকে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা করতেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। অপর ছেলে সোহান বিদেশে গিয়ে প্রত্যাশিত আয় করতে পারছিলেন না। তিনিও বাবাকে আর্থিক সহায়তা করতে পারেনি।
স্থানীয়দের দাবি, সুদ ও এনজিও ঋণের চাপে থাকা কুব্বাত আলী সোমবার সকালে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়িতে ফেরেন। পরে নিজ বসতঘরের শয়নকক্ষে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হাশেম ও জাহাঙ্গীর বলেন, ‘কুব্বাত আলীর বড় ছেলে ওলি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে থাকলেও বাবাকে তেমন টাকা-পয়সা দিতেন না। আরেক ছেলেও বিদেশ গিয়ে ভালো আয় করতে পারেননি। এ কারণে কুব্বাত আলী অনেকটা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পারিবারিক আর্থিক সংকটের পাশাপাশি কয়েক লাখ টাকা সুদে নেওয়া ঋণের চাপে ছিলেন কুব্বাত আলী। তিনি খুবই সহজ সরল মানুষ।
বয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য আবুল কাশেম জানান, সহজ সরল কুব্বাত আলী পারিবারিক আর্থিক সংকটের পাশাপাশি কয়েক লাখ টাকা ঋণের চাপে ছিলেন।
ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে কুব্বাত আলী আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় ঋণের বোঝা বইতে না পেরে কুব্বাত আলী বেপারী (৬১) নামে এক আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়নের দড়িকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন হরিরামপুর থানা ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন।
ৎনিহত কুব্বাত আলী দড়িকান্দি গ্রামের মৃত পাহালি বেপারীর ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুব্বাত আলীর দুই ছেলে ওলি ও সোহান প্রবাসে থাকেন। তার বড় ছেলে ওলি প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর ধরে বিদেশে থাকলেও বাবাকে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা করতেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। অপর ছেলে সোহান বিদেশে গিয়ে প্রত্যাশিত আয় করতে পারছিলেন না। তিনিও বাবাকে আর্থিক সহায়তা করতে পারেনি।
স্থানীয়দের দাবি, সুদ ও এনজিও ঋণের চাপে থাকা কুব্বাত আলী সোমবার সকালে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়িতে ফেরেন। পরে নিজ বসতঘরের শয়নকক্ষে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হাশেম ও জাহাঙ্গীর বলেন, ‘কুব্বাত আলীর বড় ছেলে ওলি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে থাকলেও বাবাকে তেমন টাকা-পয়সা দিতেন না। আরেক ছেলেও বিদেশ গিয়ে ভালো আয় করতে পারেননি। এ কারণে কুব্বাত আলী অনেকটা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পারিবারিক আর্থিক সংকটের পাশাপাশি কয়েক লাখ টাকা সুদে নেওয়া ঋণের চাপে ছিলেন কুব্বাত আলী। তিনি খুবই সহজ সরল মানুষ।
বয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য আবুল কাশেম জানান, সহজ সরল কুব্বাত আলী পারিবারিক আর্থিক সংকটের পাশাপাশি কয়েক লাখ টাকা ঋণের চাপে ছিলেন।
ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে কুব্বাত আলী আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

প্রবাসী দুই ছেলে থাকলেও কাটেনি ঋণের চাপ, বৃদ্ধের আত্মহত্যা
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় ঋণের বোঝা বইতে না পেরে কুব্বাত আলী বেপারী (৬১) নামে এক আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়নের দড়িকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন হরিরামপুর থানা ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন।
ৎনিহত কুব্বাত আলী দড়িকান্দি গ্রামের মৃত পাহালি বেপারীর ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কুব্বাত আলীর দুই ছেলে ওলি ও সোহান প্রবাসে থাকেন। তার বড় ছেলে ওলি প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর ধরে বিদেশে থাকলেও বাবাকে নিয়মিত আর্থিক সহায়তা করতেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। অপর ছেলে সোহান বিদেশে গিয়ে প্রত্যাশিত আয় করতে পারছিলেন না। তিনিও বাবাকে আর্থিক সহায়তা করতে পারেনি।
স্থানীয়দের দাবি, সুদ ও এনজিও ঋণের চাপে থাকা কুব্বাত আলী সোমবার সকালে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়িতে ফেরেন। পরে নিজ বসতঘরের শয়নকক্ষে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হাশেম ও জাহাঙ্গীর বলেন, ‘কুব্বাত আলীর বড় ছেলে ওলি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে থাকলেও বাবাকে তেমন টাকা-পয়সা দিতেন না। আরেক ছেলেও বিদেশ গিয়ে ভালো আয় করতে পারেননি। এ কারণে কুব্বাত আলী অনেকটা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পারিবারিক আর্থিক সংকটের পাশাপাশি কয়েক লাখ টাকা সুদে নেওয়া ঋণের চাপে ছিলেন কুব্বাত আলী। তিনি খুবই সহজ সরল মানুষ।
বয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য আবুল কাশেম জানান, সহজ সরল কুব্বাত আলী পারিবারিক আর্থিক সংকটের পাশাপাশি কয়েক লাখ টাকা ঋণের চাপে ছিলেন।
ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসেন জানান, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে কুব্বাত আলী আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মানিকগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে হামলা, আহত ১০ শিক্ষার্থী







