ব্রহ্মপুত্রের তীর কেটে মাটি ব্যবসা
হুমকিতে কুড়িগ্রামের ডানতীর রক্ষা প্রকল্প

হুমকিতে কুড়িগ্রামের ডানতীর রক্ষা প্রকল্প
তামজিদ হাসান তুরাগ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর কেটে অবাধে মাটির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের পুটিমারী ফকিরেরভিটা এলাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি আইনের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে নদের তীর কেটে বিক্রি করছে। ফলে নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ওইসব এলাকা সরাসরি নদের গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা স্থানীয়দের। এতে হুমকীর মুখে পড়েছে হাজারকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্প, বিভিন্ন স্থাপনা ও নদ তীরবর্তী জনপদ এবং আবাদী জমি। বারবার নিষেধ সত্ত্বেও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মাটি কাটতে থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পুটিমারী এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাধের ভেতরে ফকিরেরভিটা এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ২টি জায়গায় তীর সংলগ্ন জমি কেটে ট্রলিতে করে মাটি নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এসময় ছবি তুলতে গেলে ১৫ থেকে ১৬টি গাড়ি মাটি না নিয়েই সটকে পড়ে। এভাবে মাটি কাটা অব্যাহত থাকায় নদীর তীর সংলগ্ন এলাকাগুলো বর্ষাকালে নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা তৈরি হচ্ছে। এতে সামান্য পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে এসব জমি নদীর সাথে মিশে গোটা এলাকা তলিয়ে যাবে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করছি
সবুজ কুমার বসাক
উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চিলমারী
এসময় একাধিক ব্যক্তিকে প্রশ্ন করেও ব্যবসায়ীদের নাম কিংবা কোন তথ্য জানা যায়নি। প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের সম্পর্কে এলাকাবাসী মুখ খোলার সাহস পায়না বলে জানা গেছে।
রফিকুল ইসলাম নামে এক ট্রলি মালিকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমার গাড়ী এবং জমি দুটোই রয়েছে। সামান্য মাটি তুলে কাজে লাগাচ্ছি। আমি কোন ব্যবসায়ী নই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এলাকাবাসী জানান, নদীর এই তীরটি গ্রামের সুরক্ষা হিসেবে কাজ করছে। এভাবে তীর থেকে মাটি কেটে নিলে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলি নদীতে ভেঙ্গে যাবে। এতে বর্ষাকালে নদীভাঙ্গন তীব্র আকার ধারনসহ হুমকির মুখে পড়বে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ডানতীর রক্ষা প্রকল্প এবং নদী তীরবর্তী বিভিন্ন স্থাপনা ও জনপদ।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, ওই এলাকা থেকে মাটি কাটা রোধে কয়েকবার অভিযান চালিয়েছি। অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করছি।

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর কেটে অবাধে মাটির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের পুটিমারী ফকিরেরভিটা এলাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি আইনের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে নদের তীর কেটে বিক্রি করছে। ফলে নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ওইসব এলাকা সরাসরি নদের গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা স্থানীয়দের। এতে হুমকীর মুখে পড়েছে হাজারকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্প, বিভিন্ন স্থাপনা ও নদ তীরবর্তী জনপদ এবং আবাদী জমি। বারবার নিষেধ সত্ত্বেও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মাটি কাটতে থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পুটিমারী এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাধের ভেতরে ফকিরেরভিটা এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ২টি জায়গায় তীর সংলগ্ন জমি কেটে ট্রলিতে করে মাটি নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এসময় ছবি তুলতে গেলে ১৫ থেকে ১৬টি গাড়ি মাটি না নিয়েই সটকে পড়ে। এভাবে মাটি কাটা অব্যাহত থাকায় নদীর তীর সংলগ্ন এলাকাগুলো বর্ষাকালে নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা তৈরি হচ্ছে। এতে সামান্য পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে এসব জমি নদীর সাথে মিশে গোটা এলাকা তলিয়ে যাবে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করছি
সবুজ কুমার বসাক
উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চিলমারী
এসময় একাধিক ব্যক্তিকে প্রশ্ন করেও ব্যবসায়ীদের নাম কিংবা কোন তথ্য জানা যায়নি। প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের সম্পর্কে এলাকাবাসী মুখ খোলার সাহস পায়না বলে জানা গেছে।
রফিকুল ইসলাম নামে এক ট্রলি মালিকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমার গাড়ী এবং জমি দুটোই রয়েছে। সামান্য মাটি তুলে কাজে লাগাচ্ছি। আমি কোন ব্যবসায়ী নই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এলাকাবাসী জানান, নদীর এই তীরটি গ্রামের সুরক্ষা হিসেবে কাজ করছে। এভাবে তীর থেকে মাটি কেটে নিলে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলি নদীতে ভেঙ্গে যাবে। এতে বর্ষাকালে নদীভাঙ্গন তীব্র আকার ধারনসহ হুমকির মুখে পড়বে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ডানতীর রক্ষা প্রকল্প এবং নদী তীরবর্তী বিভিন্ন স্থাপনা ও জনপদ।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, ওই এলাকা থেকে মাটি কাটা রোধে কয়েকবার অভিযান চালিয়েছি। অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করছি।

হুমকিতে কুড়িগ্রামের ডানতীর রক্ষা প্রকল্প
তামজিদ হাসান তুরাগ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর কেটে অবাধে মাটির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের পুটিমারী ফকিরেরভিটা এলাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি আইনের তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে নদের তীর কেটে বিক্রি করছে। ফলে নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ওইসব এলাকা সরাসরি নদের গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা স্থানীয়দের। এতে হুমকীর মুখে পড়েছে হাজারকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্প, বিভিন্ন স্থাপনা ও নদ তীরবর্তী জনপদ এবং আবাদী জমি। বারবার নিষেধ সত্ত্বেও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মাটি কাটতে থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।
সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পুটিমারী এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাধের ভেতরে ফকিরেরভিটা এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ২টি জায়গায় তীর সংলগ্ন জমি কেটে ট্রলিতে করে মাটি নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এসময় ছবি তুলতে গেলে ১৫ থেকে ১৬টি গাড়ি মাটি না নিয়েই সটকে পড়ে। এভাবে মাটি কাটা অব্যাহত থাকায় নদীর তীর সংলগ্ন এলাকাগুলো বর্ষাকালে নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা তৈরি হচ্ছে। এতে সামান্য পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে এসব জমি নদীর সাথে মিশে গোটা এলাকা তলিয়ে যাবে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করছি
সবুজ কুমার বসাক
উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চিলমারী
এসময় একাধিক ব্যক্তিকে প্রশ্ন করেও ব্যবসায়ীদের নাম কিংবা কোন তথ্য জানা যায়নি। প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের সম্পর্কে এলাকাবাসী মুখ খোলার সাহস পায়না বলে জানা গেছে।
রফিকুল ইসলাম নামে এক ট্রলি মালিকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমার গাড়ী এবং জমি দুটোই রয়েছে। সামান্য মাটি তুলে কাজে লাগাচ্ছি। আমি কোন ব্যবসায়ী নই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন এলাকাবাসী জানান, নদীর এই তীরটি গ্রামের সুরক্ষা হিসেবে কাজ করছে। এভাবে তীর থেকে মাটি কেটে নিলে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলি নদীতে ভেঙ্গে যাবে। এতে বর্ষাকালে নদীভাঙ্গন তীব্র আকার ধারনসহ হুমকির মুখে পড়বে হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ডানতীর রক্ষা প্রকল্প এবং নদী তীরবর্তী বিভিন্ন স্থাপনা ও জনপদ।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক বলেন, ওই এলাকা থেকে মাটি কাটা রোধে কয়েকবার অভিযান চালিয়েছি। অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করছি।




