বরিশাল বিভাগের একমাত্র বিজয়ী নারী প্রার্থী ইলেন ভুট্টো

বরিশাল বিভাগের একমাত্র বিজয়ী নারী প্রার্থী ইলেন ভুট্টো
ঝালকাঠি সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে ঝালকাঠি-২ আসনে (সদর-নলছিটি) বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। বেসরকারি ফলাফলে জানা যায়, ইলেন ভুট্টো পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী এসএম নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে মোট ১২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র দুজন। এই ২ জনের মধ্যে একমাত্র বিজয়ী ইলেন ভুট্টো।
তার প্রয়াত স্বামী জুলফিকার আলী ভুট্টো জাতীয় পার্টি থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর ২০০০ সালের উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন তিনি। তবে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুকে পরাজিত করে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘদিন পর আবারও সংসদে ফিরলেন তিনি।
জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মস্তফা কামাল সন্টু বলেন, জনপ্রিয়তা ও জনমত জরিপের ভিত্তিতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে মনোনয়ন দেন। সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন।
বিজয়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বলেন, ঝালকাঠি সদর ও নলছিটির জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। এজন্য তাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অরাজকতা বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে ঝালকাঠি-২ আসনে (সদর-নলছিটি) বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। বেসরকারি ফলাফলে জানা যায়, ইলেন ভুট্টো পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী এসএম নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে মোট ১২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র দুজন। এই ২ জনের মধ্যে একমাত্র বিজয়ী ইলেন ভুট্টো।
তার প্রয়াত স্বামী জুলফিকার আলী ভুট্টো জাতীয় পার্টি থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর ২০০০ সালের উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন তিনি। তবে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুকে পরাজিত করে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘদিন পর আবারও সংসদে ফিরলেন তিনি।
জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মস্তফা কামাল সন্টু বলেন, জনপ্রিয়তা ও জনমত জরিপের ভিত্তিতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে মনোনয়ন দেন। সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন।
বিজয়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বলেন, ঝালকাঠি সদর ও নলছিটির জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। এজন্য তাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অরাজকতা বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।

বরিশাল বিভাগের একমাত্র বিজয়ী নারী প্রার্থী ইলেন ভুট্টো
ঝালকাঠি সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে ঝালকাঠি-২ আসনে (সদর-নলছিটি) বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। বেসরকারি ফলাফলে জানা যায়, ইলেন ভুট্টো পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী এসএম নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনে মোট ১২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র দুজন। এই ২ জনের মধ্যে একমাত্র বিজয়ী ইলেন ভুট্টো।
তার প্রয়াত স্বামী জুলফিকার আলী ভুট্টো জাতীয় পার্টি থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর ২০০০ সালের উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন তিনি। তবে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমুকে পরাজিত করে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। দীর্ঘদিন পর আবারও সংসদে ফিরলেন তিনি।
জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মস্তফা কামাল সন্টু বলেন, জনপ্রিয়তা ও জনমত জরিপের ভিত্তিতে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে মনোনয়ন দেন। সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন।
বিজয়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো বলেন, ঝালকাঠি সদর ও নলছিটির জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। এজন্য তাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অরাজকতা বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।




