বিএনপির ৩ নেতা পেলো ৪ হাজার ভিজিএফ কার্ড

বিএনপির ৩ নেতা পেলো ৪ হাজার ভিজিএফ কার্ড
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরের বকশীগঞ্জের বগারচর ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ করা ভিজিএফের কার্ড বিএনপি নেতাদের হাতে তুলে দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ নিজ কার্যালয়ে দলীয় কোটার অংশ হিসেবে এ কার্ডগুলো তাদের হাতে তুলে দেন।
জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে সরকার বগারচর ইউনিয়নে ৮ হাজার ৪৮টি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্ধ দেয়। কার্ডগুলো ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রতি কার্ডধারী বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল পাবেন।
বরাদ্ধকৃত কার্ডের মধ্যে দলীয় কোটার অংশ হিসেবে বিএনপির নেতারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশের কাছে পঞ্চাশ শতাংশ কার্ড দাবি করেন। দাবি পূরণে বৃহস্পতিবার বিকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিএনপির ৩ জন সিনিয়র নেতার হাতে ৪ হাজার ২৪টি ভিজিএফ কার্ড তুলে দেন।
বিএনপির তিন নেতা হলেন- উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসিবুল হক সঞ্জু, ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেলায়েত হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম।
স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুর রহমান বলেন, ভিজিএফ চালের কার্ড গরীব মানুষের জন্য বরাদ্ধ। সেই বরাদ্ধ দলীয় কোটায় বন্টন করা হলে হতদরিদ্র পরিবারগুলো সুবিধা বঞ্চিত হবেন।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ বলেন, চাপের মুখেই কার্ডগুলো দেওয়া হয়। দলীয় নির্দেশনার বাইরে কিছু করা হয়নি। বিষয়টি ওপেন সিক্রেট।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স বলেন, দলীয় কোটার বিষয়ে দল থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সরকারি নীতিমালা অনুয়ায়ী ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন বলেন, নীতিমালার বাইরে কেউ কার্ড বিতরণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।

জামালপুরের বকশীগঞ্জের বগারচর ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ করা ভিজিএফের কার্ড বিএনপি নেতাদের হাতে তুলে দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ নিজ কার্যালয়ে দলীয় কোটার অংশ হিসেবে এ কার্ডগুলো তাদের হাতে তুলে দেন।
জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে সরকার বগারচর ইউনিয়নে ৮ হাজার ৪৮টি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্ধ দেয়। কার্ডগুলো ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রতি কার্ডধারী বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল পাবেন।
বরাদ্ধকৃত কার্ডের মধ্যে দলীয় কোটার অংশ হিসেবে বিএনপির নেতারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশের কাছে পঞ্চাশ শতাংশ কার্ড দাবি করেন। দাবি পূরণে বৃহস্পতিবার বিকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিএনপির ৩ জন সিনিয়র নেতার হাতে ৪ হাজার ২৪টি ভিজিএফ কার্ড তুলে দেন।
বিএনপির তিন নেতা হলেন- উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসিবুল হক সঞ্জু, ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেলায়েত হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম।
স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুর রহমান বলেন, ভিজিএফ চালের কার্ড গরীব মানুষের জন্য বরাদ্ধ। সেই বরাদ্ধ দলীয় কোটায় বন্টন করা হলে হতদরিদ্র পরিবারগুলো সুবিধা বঞ্চিত হবেন।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ বলেন, চাপের মুখেই কার্ডগুলো দেওয়া হয়। দলীয় নির্দেশনার বাইরে কিছু করা হয়নি। বিষয়টি ওপেন সিক্রেট।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স বলেন, দলীয় কোটার বিষয়ে দল থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সরকারি নীতিমালা অনুয়ায়ী ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন বলেন, নীতিমালার বাইরে কেউ কার্ড বিতরণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।

বিএনপির ৩ নেতা পেলো ৪ হাজার ভিজিএফ কার্ড
জামালপুর সংবাদদাতা

জামালপুরের বকশীগঞ্জের বগারচর ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ করা ভিজিএফের কার্ড বিএনপি নেতাদের হাতে তুলে দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ নিজ কার্যালয়ে দলীয় কোটার অংশ হিসেবে এ কার্ডগুলো তাদের হাতে তুলে দেন।
জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে সরকার বগারচর ইউনিয়নে ৮ হাজার ৪৮টি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্ধ দেয়। কার্ডগুলো ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রতি কার্ডধারী বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল পাবেন।
বরাদ্ধকৃত কার্ডের মধ্যে দলীয় কোটার অংশ হিসেবে বিএনপির নেতারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশের কাছে পঞ্চাশ শতাংশ কার্ড দাবি করেন। দাবি পূরণে বৃহস্পতিবার বিকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বিএনপির ৩ জন সিনিয়র নেতার হাতে ৪ হাজার ২৪টি ভিজিএফ কার্ড তুলে দেন।
বিএনপির তিন নেতা হলেন- উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসিবুল হক সঞ্জু, ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেলায়েত হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম।
স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুর রহমান বলেন, ভিজিএফ চালের কার্ড গরীব মানুষের জন্য বরাদ্ধ। সেই বরাদ্ধ দলীয় কোটায় বন্টন করা হলে হতদরিদ্র পরিবারগুলো সুবিধা বঞ্চিত হবেন।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সোহেল রানা পলাশ বলেন, চাপের মুখেই কার্ডগুলো দেওয়া হয়। দলীয় নির্দেশনার বাইরে কিছু করা হয়নি। বিষয়টি ওপেন সিক্রেট।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম প্রিন্স বলেন, দলীয় কোটার বিষয়ে দল থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সরকারি নীতিমালা অনুয়ায়ী ভিজিএফ কার্ড বিতরণ করা হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন বলেন, নীতিমালার বাইরে কেউ কার্ড বিতরণ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।




