শুকনা পাতা আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু

শুকনা পাতা আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু
গাইবান্ধা সংবাদদাতা

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বজ্রপাতে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন– মান্দুরা গ্রামের সুনীল চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্পনা রানী ও তার ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীর। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, বজ্রপাতে মারা যাওয়া দুই পরিবারকে সকালে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসী ও নিহত ব্যক্তিদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তিনি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে বাড়ির পাশের জমিতে শুকাতে দেওয়া গাছের পাতা তুলে আনতে যান তিনি। পরে পাতা তুলতে তার মা কল্পনা রানীও সেখানে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতের কবলে পড়ে তারা ঘটনাস্থলেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। পরে আশপাশের লোকজন ও স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে মা-ছেলে মারা যান।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বজ্রপাতে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন– মান্দুরা গ্রামের সুনীল চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্পনা রানী ও তার ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীর। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, বজ্রপাতে মারা যাওয়া দুই পরিবারকে সকালে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসী ও নিহত ব্যক্তিদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তিনি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে বাড়ির পাশের জমিতে শুকাতে দেওয়া গাছের পাতা তুলে আনতে যান তিনি। পরে পাতা তুলতে তার মা কল্পনা রানীও সেখানে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতের কবলে পড়ে তারা ঘটনাস্থলেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। পরে আশপাশের লোকজন ও স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে মা-ছেলে মারা যান।

শুকনা পাতা আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মা-ছেলের মৃত্যু
গাইবান্ধা সংবাদদাতা

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বজ্রপাতে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের মান্দুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন– মান্দুরা গ্রামের সুনীল চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্পনা রানী ও তার ছেলে সোহাগ চন্দ্র দাস।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীর। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, বজ্রপাতে মারা যাওয়া দুই পরিবারকে সকালে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসী ও নিহত ব্যক্তিদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোহাগ চন্দ্র দাস ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তিনি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে বাড়ির পাশের জমিতে শুকাতে দেওয়া গাছের পাতা তুলে আনতে যান তিনি। পরে পাতা তুলতে তার মা কল্পনা রানীও সেখানে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতের কবলে পড়ে তারা ঘটনাস্থলেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। পরে আশপাশের লোকজন ও স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ৮টার দিকে মা-ছেলে মারা যান।




