স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসারের প্রতি আস্থা অনেক ভোটারের

স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসারের প্রতি আস্থা অনেক ভোটারের
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন শিল্পপতি মো. আবুল বাসার খান। তার প্রতি আস্থা রয়েছে অনেক সাধারণ ভোটারের। নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে এমনটাই জানা গেছে।
এই আসনের ভোটার পারু রহমান বলেন, ‘সাধারণ ভোটারা ঝুঁকছেন আবুল বাসারের দিকেই। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট চিন্তা করে সেইভাবে মানুষ মুখ খুলছেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আবুল বাশার এমপি না হয়েও এই এলাকার মানুষের জন্য অনেক কাজ করে যাচ্ছেন। তার প্রতি সাধারণ ভোটারদের আস্থা বেশি রয়েছে।’
এলাকায় স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ আবুল বাসার খান। তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ নেই। তাদের পারিবারিক শিল্প প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সাড়ে ৭ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। সেই শ্রমিকদের সঙ্গে শুধু মালিক হিসেবে নয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে আবুল বাসারের। ফলে বিশাল একটি রিজার্ভ ভোট ব্যাংক বাসারের পক্ষে কাজ করছেন।
তিনবারের সিআইপি মো. আবুল বাসার খান ‘রাজ্জাক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক’। ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের আশাপুর গ্রামের মো. রাজ্জাক খানের বড় ছেলে।

ফরিদপুর-১ আসনের মধুখালী উপজেলার ভোটার মনির হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমরা একজন ভালো প্রার্থীর অপেক্ষায় ছিলাম। আবুল বাসার খান একজন ভালো মানুষ। সরকারি কোনো ক্ষমতায় না থেকেও তিনি এই এলাকার হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। নির্বাচিত হলে তার কাজ করার আরও সুযোগ তৈরি হবে।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসার খান বলেন, ‘আমি ফরিদপুর-১ আসনের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। এলাকার উন্নয়নসহ শিল্প-কারখানা স্থাপন করে মানুষের কর্মসংস্থান করতে আমি নির্বাচন করতে মনস্থির করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতে দেখেছি, আমার এলাকার মানুষের রাজনৈতিক শূন্যতার কারণে তাদের অসহায়ত্ব আমাকে মর্মাহত করেছে। তখন ভেবেছি, এলাকার নির্যাতিত দুঃখী মানুষের প্রতিনিধি হয়ে সংসদে কাজ করব। সেই অর্থে আমি ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
ফরিদপুর-১ আসন থেকে বিএনপি ও জামায়াতসহ ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন– বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার নাসিরুল ইসলাম, জামায়াতের মো. ইলিয়াস মোল্লা, জাতীয় পার্টির সুলতান আহম্মেদ খান ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির (বিএমজেপি) মৃন্ময় কান্তি দাস।
একই আসনে ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তারা হলেন– উট প্রতীকে শেখ আব্দুর রহমান জিকো, জাহাজ প্রতীকে সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলন, ফুটবল প্রতীকে মো. আবুল বাসার খান, মোটরসাইকেল প্রতীকে মো. গোলাম কবীর মিয়া ও হরিণ প্রতীকে মো. হাসিবুর রহমান অপু। এর মধ্যে সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলনের মনোনয়ন উচ্চ আদালত স্থগিত করেছে।
ফরিদপুর-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১০ হাজার ৫৪০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৫ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ৫১ হাজার ২০৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন ভোটার রয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন শিল্পপতি মো. আবুল বাসার খান। তার প্রতি আস্থা রয়েছে অনেক সাধারণ ভোটারের। নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে এমনটাই জানা গেছে।
এই আসনের ভোটার পারু রহমান বলেন, ‘সাধারণ ভোটারা ঝুঁকছেন আবুল বাসারের দিকেই। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট চিন্তা করে সেইভাবে মানুষ মুখ খুলছেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আবুল বাশার এমপি না হয়েও এই এলাকার মানুষের জন্য অনেক কাজ করে যাচ্ছেন। তার প্রতি সাধারণ ভোটারদের আস্থা বেশি রয়েছে।’
এলাকায় স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ আবুল বাসার খান। তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ নেই। তাদের পারিবারিক শিল্প প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সাড়ে ৭ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। সেই শ্রমিকদের সঙ্গে শুধু মালিক হিসেবে নয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে আবুল বাসারের। ফলে বিশাল একটি রিজার্ভ ভোট ব্যাংক বাসারের পক্ষে কাজ করছেন।
তিনবারের সিআইপি মো. আবুল বাসার খান ‘রাজ্জাক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক’। ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের আশাপুর গ্রামের মো. রাজ্জাক খানের বড় ছেলে।

ফরিদপুর-১ আসনের মধুখালী উপজেলার ভোটার মনির হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমরা একজন ভালো প্রার্থীর অপেক্ষায় ছিলাম। আবুল বাসার খান একজন ভালো মানুষ। সরকারি কোনো ক্ষমতায় না থেকেও তিনি এই এলাকার হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। নির্বাচিত হলে তার কাজ করার আরও সুযোগ তৈরি হবে।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসার খান বলেন, ‘আমি ফরিদপুর-১ আসনের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। এলাকার উন্নয়নসহ শিল্প-কারখানা স্থাপন করে মানুষের কর্মসংস্থান করতে আমি নির্বাচন করতে মনস্থির করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতে দেখেছি, আমার এলাকার মানুষের রাজনৈতিক শূন্যতার কারণে তাদের অসহায়ত্ব আমাকে মর্মাহত করেছে। তখন ভেবেছি, এলাকার নির্যাতিত দুঃখী মানুষের প্রতিনিধি হয়ে সংসদে কাজ করব। সেই অর্থে আমি ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
ফরিদপুর-১ আসন থেকে বিএনপি ও জামায়াতসহ ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন– বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার নাসিরুল ইসলাম, জামায়াতের মো. ইলিয়াস মোল্লা, জাতীয় পার্টির সুলতান আহম্মেদ খান ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির (বিএমজেপি) মৃন্ময় কান্তি দাস।
একই আসনে ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তারা হলেন– উট প্রতীকে শেখ আব্দুর রহমান জিকো, জাহাজ প্রতীকে সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলন, ফুটবল প্রতীকে মো. আবুল বাসার খান, মোটরসাইকেল প্রতীকে মো. গোলাম কবীর মিয়া ও হরিণ প্রতীকে মো. হাসিবুর রহমান অপু। এর মধ্যে সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলনের মনোনয়ন উচ্চ আদালত স্থগিত করেছে।
ফরিদপুর-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১০ হাজার ৫৪০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৫ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ৫১ হাজার ২০৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন ভোটার রয়েছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসারের প্রতি আস্থা অনেক ভোটারের
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন শিল্পপতি মো. আবুল বাসার খান। তার প্রতি আস্থা রয়েছে অনেক সাধারণ ভোটারের। নির্বাচনী এলাকায় ঘুরে এমনটাই জানা গেছে।
এই আসনের ভোটার পারু রহমান বলেন, ‘সাধারণ ভোটারা ঝুঁকছেন আবুল বাসারের দিকেই। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট চিন্তা করে সেইভাবে মানুষ মুখ খুলছেন না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আবুল বাশার এমপি না হয়েও এই এলাকার মানুষের জন্য অনেক কাজ করে যাচ্ছেন। তার প্রতি সাধারণ ভোটারদের আস্থা বেশি রয়েছে।’
এলাকায় স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ আবুল বাসার খান। তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ নেই। তাদের পারিবারিক শিল্প প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় সাড়ে ৭ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। সেই শ্রমিকদের সঙ্গে শুধু মালিক হিসেবে নয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে আবুল বাসারের। ফলে বিশাল একটি রিজার্ভ ভোট ব্যাংক বাসারের পক্ষে কাজ করছেন।
তিনবারের সিআইপি মো. আবুল বাসার খান ‘রাজ্জাক গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক’। ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের আশাপুর গ্রামের মো. রাজ্জাক খানের বড় ছেলে।

ফরিদপুর-১ আসনের মধুখালী উপজেলার ভোটার মনির হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমরা একজন ভালো প্রার্থীর অপেক্ষায় ছিলাম। আবুল বাসার খান একজন ভালো মানুষ। সরকারি কোনো ক্ষমতায় না থেকেও তিনি এই এলাকার হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। নির্বাচিত হলে তার কাজ করার আরও সুযোগ তৈরি হবে।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসার খান বলেন, ‘আমি ফরিদপুর-১ আসনের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। এলাকার উন্নয়নসহ শিল্প-কারখানা স্থাপন করে মানুষের কর্মসংস্থান করতে আমি নির্বাচন করতে মনস্থির করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতে দেখেছি, আমার এলাকার মানুষের রাজনৈতিক শূন্যতার কারণে তাদের অসহায়ত্ব আমাকে মর্মাহত করেছে। তখন ভেবেছি, এলাকার নির্যাতিত দুঃখী মানুষের প্রতিনিধি হয়ে সংসদে কাজ করব। সেই অর্থে আমি ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’
ফরিদপুর-১ আসন থেকে বিএনপি ও জামায়াতসহ ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন– বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার নাসিরুল ইসলাম, জামায়াতের মো. ইলিয়াস মোল্লা, জাতীয় পার্টির সুলতান আহম্মেদ খান ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির (বিএমজেপি) মৃন্ময় কান্তি দাস।
একই আসনে ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তারা হলেন– উট প্রতীকে শেখ আব্দুর রহমান জিকো, জাহাজ প্রতীকে সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলন, ফুটবল প্রতীকে মো. আবুল বাসার খান, মোটরসাইকেল প্রতীকে মো. গোলাম কবীর মিয়া ও হরিণ প্রতীকে মো. হাসিবুর রহমান অপু। এর মধ্যে সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলনের মনোনয়ন উচ্চ আদালত স্থগিত করেছে।
ফরিদপুর-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১০ হাজার ৫৪০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৫ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ৫১ হাজার ২০৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন ভোটার রয়েছেন।



