রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ড, শিশুসহ দগ্ধ ৪

রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ড, শিশুসহ দগ্ধ ৪

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিশুসহ একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (২৩ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে হাজারীবাগ এলাকার পূর্ব রায়েরবাজারের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২), তাদের ৩ বছরের ছেলে রুহান এবং রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয় মো. মামুন। তিনি জানান, বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে এসে ভর্তি করান।
মো.মামুন আরও জানান, শেখ রোমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকায়। তিনি ওই এলাকার শেখ গোলাম মাওলার ছেলে। বর্তমানে তিনি পূর্ব রায়েরবাজারের ১৪৭ নম্বর জাহানারা ভিলার ৬ তলার নিচতলার ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বাস করছেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, রায়েরবাজার এলাকা থেকে দগ্ধ অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এদের মধ্যে শেখ রোমানের শরীরের ২৫ শতাংশ, পিংকি আক্তারের শরীরের ৭৫ শতাংশ, শিশু মায়ানের শরীরের ২৪ শতাংশ এবং অপুর শরীরের ৭ শতাংশ পুড়ে গেছে। এদের মধ্যে ২ জন হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিশুসহ একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (২৩ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে হাজারীবাগ এলাকার পূর্ব রায়েরবাজারের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২), তাদের ৩ বছরের ছেলে রুহান এবং রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয় মো. মামুন। তিনি জানান, বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে এসে ভর্তি করান।
মো.মামুন আরও জানান, শেখ রোমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকায়। তিনি ওই এলাকার শেখ গোলাম মাওলার ছেলে। বর্তমানে তিনি পূর্ব রায়েরবাজারের ১৪৭ নম্বর জাহানারা ভিলার ৬ তলার নিচতলার ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বাস করছেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, রায়েরবাজার এলাকা থেকে দগ্ধ অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এদের মধ্যে শেখ রোমানের শরীরের ২৫ শতাংশ, পিংকি আক্তারের শরীরের ৭৫ শতাংশ, শিশু মায়ানের শরীরের ২৪ শতাংশ এবং অপুর শরীরের ৭ শতাংশ পুড়ে গেছে। এদের মধ্যে ২ জন হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রাজধানীতে গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ড, শিশুসহ দগ্ধ ৪

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিশুসহ একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (২৩ জানুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে হাজারীবাগ এলাকার পূর্ব রায়েরবাজারের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন শেখ রোমান (৩৫), তার স্ত্রী পিংকি আক্তার (৩২), তাদের ৩ বছরের ছেলে রুহান এবং রোমানের শ্যালক অপু (২৩)। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয় মো. মামুন। তিনি জানান, বাসায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের চারজন দগ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে এসে ভর্তি করান।
মো.মামুন আরও জানান, শেখ রোমানের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকায়। তিনি ওই এলাকার শেখ গোলাম মাওলার ছেলে। বর্তমানে তিনি পূর্ব রায়েরবাজারের ১৪৭ নম্বর জাহানারা ভিলার ৬ তলার নিচতলার ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বাস করছেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বলেন, রায়েরবাজার এলাকা থেকে দগ্ধ অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এদের মধ্যে শেখ রোমানের শরীরের ২৫ শতাংশ, পিংকি আক্তারের শরীরের ৭৫ শতাংশ, শিশু মায়ানের শরীরের ২৪ শতাংশ এবং অপুর শরীরের ৭ শতাংশ পুড়ে গেছে। এদের মধ্যে ২ জন হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছে। তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।




