ফরিদপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৩

ফরিদপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে রাজু ওরফে বাটুল রাজু নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজু মারা যান। এর আগে, রাত ১০টার দিকে শহরের স্টেশন বাজার এলাকায় তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়।
নিহত রাজু ফরিদপুর শহরের মুসলিম কলোনি এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ী শিল্পী বেগমের জামাতা হৃদয় শেখ ও তার চার-পাঁচ জন সহযোগী চাপাতি, রামদা নিয়ে রাজুর ওপর হামলা চালায়। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় রাজুকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
রাজুর ছেলে নীরব অভিযোগ করে বলেন, হৃদয় ও তার সহযোগীরা আমার বাবাকে ধরে চোখেমুখে হলুদের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। এ সময় বাবা মাটিতে পড়ে গেলে কুপিয়ে জখম করে ও পায়ের রগ কেটে দেয়।
তার বাবা বাবলু কসাই বলেন, আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই। এ হত্যার বিচার না হলে হত্যাকাণ্ড বাড়তেই থাকবে।
পুলিশ জানায়, নিহত রাজুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ফরিদপুরে রাজু ওরফে বাটুল রাজু নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজু মারা যান। এর আগে, রাত ১০টার দিকে শহরের স্টেশন বাজার এলাকায় তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়।
নিহত রাজু ফরিদপুর শহরের মুসলিম কলোনি এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ী শিল্পী বেগমের জামাতা হৃদয় শেখ ও তার চার-পাঁচ জন সহযোগী চাপাতি, রামদা নিয়ে রাজুর ওপর হামলা চালায়। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় রাজুকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
রাজুর ছেলে নীরব অভিযোগ করে বলেন, হৃদয় ও তার সহযোগীরা আমার বাবাকে ধরে চোখেমুখে হলুদের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। এ সময় বাবা মাটিতে পড়ে গেলে কুপিয়ে জখম করে ও পায়ের রগ কেটে দেয়।
তার বাবা বাবলু কসাই বলেন, আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই। এ হত্যার বিচার না হলে হত্যাকাণ্ড বাড়তেই থাকবে।
পুলিশ জানায়, নিহত রাজুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ফরিদপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে রাজু ওরফে বাটুল রাজু নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজু মারা যান। এর আগে, রাত ১০টার দিকে শহরের স্টেশন বাজার এলাকায় তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়।
নিহত রাজু ফরিদপুর শহরের মুসলিম কলোনি এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ী শিল্পী বেগমের জামাতা হৃদয় শেখ ও তার চার-পাঁচ জন সহযোগী চাপাতি, রামদা নিয়ে রাজুর ওপর হামলা চালায়। এলাকাবাসী গুরুতর আহত অবস্থায় রাজুকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
রাজুর ছেলে নীরব অভিযোগ করে বলেন, হৃদয় ও তার সহযোগীরা আমার বাবাকে ধরে চোখেমুখে হলুদের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। এ সময় বাবা মাটিতে পড়ে গেলে কুপিয়ে জখম করে ও পায়ের রগ কেটে দেয়।
তার বাবা বাবলু কসাই বলেন, আমার ছেলেকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই। এ হত্যার বিচার না হলে হত্যাকাণ্ড বাড়তেই থাকবে।
পুলিশ জানায়, নিহত রাজুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।




