একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু হোক: জামায়াত আমির

একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু হোক: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘২০১৪ সাল, ’১৮ সাল, ’২৪ সালে ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়নি। আজকে আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। এই ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু হোক, দোয়া করি।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বর এলাকায় অবস্থিত মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে (বালক শাখা) ভোট দেওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ছোটখাটো কোনো বিষয় হলে অবশ্যই ইগনোর করব (এড়িয়ে যাব), বড় কোনো বিষয় হলে আমরা ছাড় দেবো না। আমাদের যা করা প্রয়োজন, তাই করবো। কারণ, মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যায়, এটা আমরা কোনোভাবেই চাই না।
তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, শুধু আমি না; দেশের যুবসমাজ যারা জীবনে একটা ভোটও দিতে পারে নাই, আজকের এই ভোটের জন্য তারা বড় অপেক্ষায় ছিল। এই ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, সংঘাতমুক্ত ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হোক– সেটা আমরা দোয়া করি।

জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, এই ভোটের মাধ্যমে এমন সরকার গঠন হোক, যা কোনো ব্যক্তি, পরিবার, দলের হবে না, যা হবে ১৮ কোটি মানুষের। আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশা করি। আজকে ভোট দিয়ে শুরু করলাম। অন্যান্য কেন্দ্রেও যাব।
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, দেশ গড়ার কাজে আমরা মিডিয়াকে আমাদের পাশে চাই। মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যাক, সেটা আমরা কখনোই চাই না। ভোট যখন সুষ্ঠু হবে, নিরপেক্ষ হবে, সেটা আমরাও মানব, আপনাদেরও মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। সবাই আসুন, যার যার ঘর থেকে বেরিয়ে এসে নিজের অধিকার প্রয়োগ করুন এবং রাষ্ট্র গঠনের গর্বিত অংশীদার হন।
মিডিয়া একই নিউজ ভিন্নভাবে পরিবেশন করে জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, কেউ যদি অপরাধ করে থাকেন, সেটা আমি হলেও– আমি অপরাধের বিপক্ষে। কিন্তু অপরাধ নয়, সেটাকে আবার জোর করে অপরাধ বানানো, সেটা আরেকটা বড় অপরাধ।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য– ঢাকা-১৫ আসনে মোট ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬, নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ প্রার্থী। তারা হলেন– শফিকুল ইসলাম খান (ধানের শীষ), শফিকুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), সামসুল হক (লাঙ্গল), আহাম্মদ সাজেদুল হক (কাস্তে), খান শোয়েব আমান উল্লাহ (কলম), মোবারক হোসেন (একতারা), আশফাকুর রহমান (মোটরগাড়ি) ও নিলাভ পারভেজ (প্রজাপতি)।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘২০১৪ সাল, ’১৮ সাল, ’২৪ সালে ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়নি। আজকে আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। এই ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু হোক, দোয়া করি।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বর এলাকায় অবস্থিত মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে (বালক শাখা) ভোট দেওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ছোটখাটো কোনো বিষয় হলে অবশ্যই ইগনোর করব (এড়িয়ে যাব), বড় কোনো বিষয় হলে আমরা ছাড় দেবো না। আমাদের যা করা প্রয়োজন, তাই করবো। কারণ, মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যায়, এটা আমরা কোনোভাবেই চাই না।
তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, শুধু আমি না; দেশের যুবসমাজ যারা জীবনে একটা ভোটও দিতে পারে নাই, আজকের এই ভোটের জন্য তারা বড় অপেক্ষায় ছিল। এই ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, সংঘাতমুক্ত ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হোক– সেটা আমরা দোয়া করি।

জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, এই ভোটের মাধ্যমে এমন সরকার গঠন হোক, যা কোনো ব্যক্তি, পরিবার, দলের হবে না, যা হবে ১৮ কোটি মানুষের। আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশা করি। আজকে ভোট দিয়ে শুরু করলাম। অন্যান্য কেন্দ্রেও যাব।
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, দেশ গড়ার কাজে আমরা মিডিয়াকে আমাদের পাশে চাই। মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যাক, সেটা আমরা কখনোই চাই না। ভোট যখন সুষ্ঠু হবে, নিরপেক্ষ হবে, সেটা আমরাও মানব, আপনাদেরও মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। সবাই আসুন, যার যার ঘর থেকে বেরিয়ে এসে নিজের অধিকার প্রয়োগ করুন এবং রাষ্ট্র গঠনের গর্বিত অংশীদার হন।
মিডিয়া একই নিউজ ভিন্নভাবে পরিবেশন করে জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, কেউ যদি অপরাধ করে থাকেন, সেটা আমি হলেও– আমি অপরাধের বিপক্ষে। কিন্তু অপরাধ নয়, সেটাকে আবার জোর করে অপরাধ বানানো, সেটা আরেকটা বড় অপরাধ।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য– ঢাকা-১৫ আসনে মোট ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬, নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ প্রার্থী। তারা হলেন– শফিকুল ইসলাম খান (ধানের শীষ), শফিকুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), সামসুল হক (লাঙ্গল), আহাম্মদ সাজেদুল হক (কাস্তে), খান শোয়েব আমান উল্লাহ (কলম), মোবারক হোসেন (একতারা), আশফাকুর রহমান (মোটরগাড়ি) ও নিলাভ পারভেজ (প্রজাপতি)।

একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু হোক: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘২০১৪ সাল, ’১৮ সাল, ’২৪ সালে ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়নি। আজকে আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। এই ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু হোক, দোয়া করি।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বর এলাকায় অবস্থিত মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে (বালক শাখা) ভোট দেওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ছোটখাটো কোনো বিষয় হলে অবশ্যই ইগনোর করব (এড়িয়ে যাব), বড় কোনো বিষয় হলে আমরা ছাড় দেবো না। আমাদের যা করা প্রয়োজন, তাই করবো। কারণ, মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যায়, এটা আমরা কোনোভাবেই চাই না।
তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, শুধু আমি না; দেশের যুবসমাজ যারা জীবনে একটা ভোটও দিতে পারে নাই, আজকের এই ভোটের জন্য তারা বড় অপেক্ষায় ছিল। এই ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, সংঘাতমুক্ত ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হোক– সেটা আমরা দোয়া করি।

জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, এই ভোটের মাধ্যমে এমন সরকার গঠন হোক, যা কোনো ব্যক্তি, পরিবার, দলের হবে না, যা হবে ১৮ কোটি মানুষের। আমরা সেই সরকার গঠনের ব্যাপারে আশা করি। আজকে ভোট দিয়ে শুরু করলাম। অন্যান্য কেন্দ্রেও যাব।
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, দেশ গড়ার কাজে আমরা মিডিয়াকে আমাদের পাশে চাই। মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যাক, সেটা আমরা কখনোই চাই না। ভোট যখন সুষ্ঠু হবে, নিরপেক্ষ হবে, সেটা আমরাও মানব, আপনাদেরও মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। সবাই আসুন, যার যার ঘর থেকে বেরিয়ে এসে নিজের অধিকার প্রয়োগ করুন এবং রাষ্ট্র গঠনের গর্বিত অংশীদার হন।
মিডিয়া একই নিউজ ভিন্নভাবে পরিবেশন করে জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, কেউ যদি অপরাধ করে থাকেন, সেটা আমি হলেও– আমি অপরাধের বিপক্ষে। কিন্তু অপরাধ নয়, সেটাকে আবার জোর করে অপরাধ বানানো, সেটা আরেকটা বড় অপরাধ।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য– ঢাকা-১৫ আসনে মোট ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬, নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ প্রার্থী। তারা হলেন– শফিকুল ইসলাম খান (ধানের শীষ), শফিকুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), সামসুল হক (লাঙ্গল), আহাম্মদ সাজেদুল হক (কাস্তে), খান শোয়েব আমান উল্লাহ (কলম), মোবারক হোসেন (একতারা), আশফাকুর রহমান (মোটরগাড়ি) ও নিলাভ পারভেজ (প্রজাপতি)।




