ডাকাতি মামলার আসামি ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করলেন এমপি

ডাকাতি মামলার আসামি ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করলেন এমপি
কুমিল্লা সংবাদদাতা

ডাকাতির ঘটনায় মামলার আসামিদের ধরিয়ে দিতে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) আবুল কালাম।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে মনোহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুর ইউনিয়নের ভাউপুর গ্রামের ভুক্তভোগী প্রবাসী নাসির উদ্দিনের বাড়ি পরিদর্শনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভাউপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী নাসির উদ্দিন গত ৮ মার্চ রাত ১০টার দিকে অটোরিকশা করে তার শ্বশুরবাড়ি কিসমত গ্রামে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি ভাউপুর গ্রামের আলী মিয়ার বাড়ির সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে করে আসা ওই গ্রামের সৈয়দ আহমেদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন, রুহুল আমিনের ছেলে ইলিয়াস অটোরিকশাটি গতিরোধ করে।
এ সময় প্রবাসী নাসিরকে গলায় ছুরি ধরে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে পাশের ভাউপুর দক্ষিণপাড়া নুরানি তালিমুল মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে যান সাদ্দাম ও ইলিয়াস। সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং তার কাছে কী পরিমাণ টাকা-পয়সা আছে তা জানার চেষ্টা করেন তারা।
টাকার জন্য রাত পৌনে ১১টার দিকে নাসিরকে জিম্মি করে শ্বশুর হাজি হাশেমের বাড়িতে নিয়ে যান। এ সময় সাদ্দাম ও ইলিয়াসের সঙ্গে যোগ দেন একই গ্রামের শামসুল হকের ছেলে শাহ আলম প্রকাশ মো. সালাউদ্দিন, রোয়াব মিয়ার ছেলে মো. রাসেল, মৃত ছাদেকের ছেলে কামাল হোসেন। এরপর সংঘবদ্ধ হয়ে নাসিরের শ্বশুরবাড়ির সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেন।
এরপর নাসিরের এক বছর বয়সী ছেলে নাফিসের গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর ব্যবহৃত প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যান।
পরদিন গ্রামবাসী একজোট হয়ে সন্ত্রাসীদের বিচার দাবি করে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালামকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মনোহরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
সোমবার (৯ মার্চ) ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর সাদ্দাম ও শাহ আলম (সালাউদ্দিন) নামে দুই জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উদ্ধার করে লুট করে নেওয়া ৪ ভরি স্বর্ণসহ এক লাখ ৫৫ হাজার টাকা।
মনোহরগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ডাকাতি মামলায় সাদ্দাম হোসেন ও শাহ আলম নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ডাকাতির ঘটনায় মামলার আসামিদের ধরিয়ে দিতে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) আবুল কালাম।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে মনোহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুর ইউনিয়নের ভাউপুর গ্রামের ভুক্তভোগী প্রবাসী নাসির উদ্দিনের বাড়ি পরিদর্শনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভাউপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী নাসির উদ্দিন গত ৮ মার্চ রাত ১০টার দিকে অটোরিকশা করে তার শ্বশুরবাড়ি কিসমত গ্রামে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি ভাউপুর গ্রামের আলী মিয়ার বাড়ির সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে করে আসা ওই গ্রামের সৈয়দ আহমেদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন, রুহুল আমিনের ছেলে ইলিয়াস অটোরিকশাটি গতিরোধ করে।
এ সময় প্রবাসী নাসিরকে গলায় ছুরি ধরে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে পাশের ভাউপুর দক্ষিণপাড়া নুরানি তালিমুল মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে যান সাদ্দাম ও ইলিয়াস। সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং তার কাছে কী পরিমাণ টাকা-পয়সা আছে তা জানার চেষ্টা করেন তারা।
টাকার জন্য রাত পৌনে ১১টার দিকে নাসিরকে জিম্মি করে শ্বশুর হাজি হাশেমের বাড়িতে নিয়ে যান। এ সময় সাদ্দাম ও ইলিয়াসের সঙ্গে যোগ দেন একই গ্রামের শামসুল হকের ছেলে শাহ আলম প্রকাশ মো. সালাউদ্দিন, রোয়াব মিয়ার ছেলে মো. রাসেল, মৃত ছাদেকের ছেলে কামাল হোসেন। এরপর সংঘবদ্ধ হয়ে নাসিরের শ্বশুরবাড়ির সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেন।
এরপর নাসিরের এক বছর বয়সী ছেলে নাফিসের গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর ব্যবহৃত প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যান।
পরদিন গ্রামবাসী একজোট হয়ে সন্ত্রাসীদের বিচার দাবি করে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালামকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মনোহরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
সোমবার (৯ মার্চ) ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর সাদ্দাম ও শাহ আলম (সালাউদ্দিন) নামে দুই জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উদ্ধার করে লুট করে নেওয়া ৪ ভরি স্বর্ণসহ এক লাখ ৫৫ হাজার টাকা।
মনোহরগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ডাকাতি মামলায় সাদ্দাম হোসেন ও শাহ আলম নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ডাকাতি মামলার আসামি ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করলেন এমপি
কুমিল্লা সংবাদদাতা

ডাকাতির ঘটনায় মামলার আসামিদের ধরিয়ে দিতে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) আবুল কালাম।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে মনোহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুর ইউনিয়নের ভাউপুর গ্রামের ভুক্তভোগী প্রবাসী নাসির উদ্দিনের বাড়ি পরিদর্শনকালে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভাউপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী নাসির উদ্দিন গত ৮ মার্চ রাত ১০টার দিকে অটোরিকশা করে তার শ্বশুরবাড়ি কিসমত গ্রামে যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি ভাউপুর গ্রামের আলী মিয়ার বাড়ির সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে করে আসা ওই গ্রামের সৈয়দ আহমেদের ছেলে সাদ্দাম হোসেন, রুহুল আমিনের ছেলে ইলিয়াস অটোরিকশাটি গতিরোধ করে।
এ সময় প্রবাসী নাসিরকে গলায় ছুরি ধরে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে পাশের ভাউপুর দক্ষিণপাড়া নুরানি তালিমুল মাদ্রাসার ছাদে নিয়ে যান সাদ্দাম ও ইলিয়াস। সেখানে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং তার কাছে কী পরিমাণ টাকা-পয়সা আছে তা জানার চেষ্টা করেন তারা।
টাকার জন্য রাত পৌনে ১১টার দিকে নাসিরকে জিম্মি করে শ্বশুর হাজি হাশেমের বাড়িতে নিয়ে যান। এ সময় সাদ্দাম ও ইলিয়াসের সঙ্গে যোগ দেন একই গ্রামের শামসুল হকের ছেলে শাহ আলম প্রকাশ মো. সালাউদ্দিন, রোয়াব মিয়ার ছেলে মো. রাসেল, মৃত ছাদেকের ছেলে কামাল হোসেন। এরপর সংঘবদ্ধ হয়ে নাসিরের শ্বশুরবাড়ির সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করেন।
এরপর নাসিরের এক বছর বয়সী ছেলে নাফিসের গলায় ছুরি ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর ব্যবহৃত প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যান।
পরদিন গ্রামবাসী একজোট হয়ে সন্ত্রাসীদের বিচার দাবি করে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালামকে জানালে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মনোহরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
সোমবার (৯ মার্চ) ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর সাদ্দাম ও শাহ আলম (সালাউদ্দিন) নামে দুই জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উদ্ধার করে লুট করে নেওয়া ৪ ভরি স্বর্ণসহ এক লাখ ৫৫ হাজার টাকা।
মনোহরগঞ্জ থানার ওসি শাহিনুর ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ডাকাতি মামলায় সাদ্দাম হোসেন ও শাহ আলম নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।




