ফিলিস্তিনি ভূমি দখল জোরদার করছে ইসরায়েল

ফিলিস্তিনি ভূমি দখল জোরদার করছে ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তি নিয়ে অসন্তোষের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থীরা। দেশটির অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ হেবরন চুক্তি বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। সেইসঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্ৎজের সঙ্গে হেবরন জেলায় একটি অবৈধ বসতির উদ্বোধন করেছেন।
যদিও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ্যে চুক্তি বাতিল হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তবে বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা।
স্মোট্রিচ অধিকৃত পশ্চিম তীরের সবচেয়ে জনবহুল শহর হেবরনের পরিকল্পনা, এলাকা বিভাজন এবং নির্মাণ সংক্রান্ত ক্ষমতা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সরিয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে দিয়েছেন।
হেবরন চুক্তির আওতায় শহরের প্রায় ২০ শতাংশ এলাকা, যেখানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বাস করে, ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল হেবরনে অবস্থিত কয়েকটি অবৈধ বসতির অস্তিত্ব বজায় রাখা, যেখানে এক হাজারেরও কম ইসরায়েলি অবৈধভাবে বসবাস করে।
এই সবকিছু এখন কেন ঘটছে?
ইসরায়েল এমন একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে যা ফিলিস্তিনি ভূমি ও বাড়িঘর দখলকে সহজ করেছে। সামনেই দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখন স্মোট্রিচ এবং ক্ষমতাসীন জোটের সকল সদস্যকে সমর্থন সুসংহত করতে চাইছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি মেনে চলার জন্য ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ছে। এর ফলে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এগুলো ইসরায়েলে তাদের সমর্থকদের কাছে মোটেও সমর্থনযোগ্য নয়।
তাই এ সবকিছুর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফিলিস্তিনি জমি দখল বৃদ্ধি এবং ও কার্যত (ডি ফ্যাক্টো) সংযুক্তিকরণ বা অধিগ্রহণের প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে। এগুলো ইসরায়েলে ডানপন্থী সমর্থকদের কাছে জনপ্রিয়। এসব পদক্ষেপ ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান মতবিরোধ থেকে জনসাধারণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতেও সাহায্য করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তি নিয়ে অসন্তোষের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থীরা। দেশটির অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ হেবরন চুক্তি বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। সেইসঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্ৎজের সঙ্গে হেবরন জেলায় একটি অবৈধ বসতির উদ্বোধন করেছেন।
যদিও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ্যে চুক্তি বাতিল হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তবে বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা।
স্মোট্রিচ অধিকৃত পশ্চিম তীরের সবচেয়ে জনবহুল শহর হেবরনের পরিকল্পনা, এলাকা বিভাজন এবং নির্মাণ সংক্রান্ত ক্ষমতা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সরিয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে দিয়েছেন।
হেবরন চুক্তির আওতায় শহরের প্রায় ২০ শতাংশ এলাকা, যেখানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বাস করে, ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল হেবরনে অবস্থিত কয়েকটি অবৈধ বসতির অস্তিত্ব বজায় রাখা, যেখানে এক হাজারেরও কম ইসরায়েলি অবৈধভাবে বসবাস করে।
এই সবকিছু এখন কেন ঘটছে?
ইসরায়েল এমন একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে যা ফিলিস্তিনি ভূমি ও বাড়িঘর দখলকে সহজ করেছে। সামনেই দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখন স্মোট্রিচ এবং ক্ষমতাসীন জোটের সকল সদস্যকে সমর্থন সুসংহত করতে চাইছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি মেনে চলার জন্য ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ছে। এর ফলে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এগুলো ইসরায়েলে তাদের সমর্থকদের কাছে মোটেও সমর্থনযোগ্য নয়।
তাই এ সবকিছুর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফিলিস্তিনি জমি দখল বৃদ্ধি এবং ও কার্যত (ডি ফ্যাক্টো) সংযুক্তিকরণ বা অধিগ্রহণের প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে। এগুলো ইসরায়েলে ডানপন্থী সমর্থকদের কাছে জনপ্রিয়। এসব পদক্ষেপ ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান মতবিরোধ থেকে জনসাধারণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতেও সাহায্য করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ফিলিস্তিনি ভূমি দখল জোরদার করছে ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তি নিয়ে অসন্তোষের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থীরা। দেশটির অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ হেবরন চুক্তি বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। সেইসঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্ৎজের সঙ্গে হেবরন জেলায় একটি অবৈধ বসতির উদ্বোধন করেছেন।
যদিও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ্যে চুক্তি বাতিল হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তবে বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা।
স্মোট্রিচ অধিকৃত পশ্চিম তীরের সবচেয়ে জনবহুল শহর হেবরনের পরিকল্পনা, এলাকা বিভাজন এবং নির্মাণ সংক্রান্ত ক্ষমতা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সরিয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে দিয়েছেন।
হেবরন চুক্তির আওতায় শহরের প্রায় ২০ শতাংশ এলাকা, যেখানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বাস করে, ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল হেবরনে অবস্থিত কয়েকটি অবৈধ বসতির অস্তিত্ব বজায় রাখা, যেখানে এক হাজারেরও কম ইসরায়েলি অবৈধভাবে বসবাস করে।
এই সবকিছু এখন কেন ঘটছে?
ইসরায়েল এমন একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে যা ফিলিস্তিনি ভূমি ও বাড়িঘর দখলকে সহজ করেছে। সামনেই দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এখন স্মোট্রিচ এবং ক্ষমতাসীন জোটের সকল সদস্যকে সমর্থন সুসংহত করতে চাইছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি মেনে চলার জন্য ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ছে। এর ফলে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এগুলো ইসরায়েলে তাদের সমর্থকদের কাছে মোটেও সমর্থনযোগ্য নয়।
তাই এ সবকিছুর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফিলিস্তিনি জমি দখল বৃদ্ধি এবং ও কার্যত (ডি ফ্যাক্টো) সংযুক্তিকরণ বা অধিগ্রহণের প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে। এগুলো ইসরায়েলে ডানপন্থী সমর্থকদের কাছে জনপ্রিয়। এসব পদক্ষেপ ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান মতবিরোধ থেকে জনসাধারণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে নিতেও সাহায্য করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির তথ্য ফাঁস করলো ইসরায়েলি গণমাধ্যম

