ছয় দফা ভর্তি কার্যক্রমের পরও কুবিতে ফাঁকা ১১০ আসন

ছয় দফা ভর্তি কার্যক্রমের পরও কুবিতে ফাঁকা ১১০ আসন
কুবি সংবাদদাতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য ছয় দফা মেধাতালিকা প্রকাশের পরও বিভিন্ন বিভাগে মোট ১১০টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এসব আসন পূরণে নতুন করে উদ্যোগ নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য ইতোমধ্যে ছয় দফা মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এরপরও সব আসন পূরণ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অর্থনীতি বিভাগে ২টি, লোকপ্রশাসন বিভাগে ১২টি, নৃবিজ্ঞান বিভাগে ১২টি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ১২টি এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ৯টি আসন রয়েছে। কলা ও মানবিক অনুষদের বাংলা বিভাগে ৯টি এবং ইংরেজি বিভাগে ৪টি আসন খালি রয়েছে।
এছাড়া, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগে ৩টি, মার্কেটিং বিভাগে ৩টি, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগে ২টি এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে ২টি আসন ফাঁকা রয়েছে।
অন্যদিকে, বিজ্ঞান অনুষদের পরিসংখ্যান বিভাগে ১২টি, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ১৫টি, রসায়ন বিভাগে ৭টি এবং গণিত বিভাগে ২টি আসন এখনো পূরণ হয়নি। প্রকৌশল অনুষদের আইসিটি বিভাগে ৪টি আসন শূন্য রয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সদস্যরা জানান, কুবির ভর্তি কার্যক্রম অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আগে শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া এগোলে অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের পছন্দের বিষয় কিংবা বাড়ির কাছাকাছি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়ে কুবিতে ভর্তি বাতিল করে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যান। ফলে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন শূন্য হয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করীম চৌধুরী বলেন, ‘আজকে মাইগ্রেশনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। মাইগ্রেশনের ফলে যতগুলো আসন ফাঁকা হয়, তার ভিত্তিতে আজকে বিকেলে ইউনিট প্রধানেরা বসবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য ছয় দফা মেধাতালিকা প্রকাশের পরও বিভিন্ন বিভাগে মোট ১১০টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এসব আসন পূরণে নতুন করে উদ্যোগ নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য ইতোমধ্যে ছয় দফা মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এরপরও সব আসন পূরণ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অর্থনীতি বিভাগে ২টি, লোকপ্রশাসন বিভাগে ১২টি, নৃবিজ্ঞান বিভাগে ১২টি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ১২টি এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ৯টি আসন রয়েছে। কলা ও মানবিক অনুষদের বাংলা বিভাগে ৯টি এবং ইংরেজি বিভাগে ৪টি আসন খালি রয়েছে।
এছাড়া, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগে ৩টি, মার্কেটিং বিভাগে ৩টি, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগে ২টি এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে ২টি আসন ফাঁকা রয়েছে।
অন্যদিকে, বিজ্ঞান অনুষদের পরিসংখ্যান বিভাগে ১২টি, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ১৫টি, রসায়ন বিভাগে ৭টি এবং গণিত বিভাগে ২টি আসন এখনো পূরণ হয়নি। প্রকৌশল অনুষদের আইসিটি বিভাগে ৪টি আসন শূন্য রয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সদস্যরা জানান, কুবির ভর্তি কার্যক্রম অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আগে শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া এগোলে অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের পছন্দের বিষয় কিংবা বাড়ির কাছাকাছি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়ে কুবিতে ভর্তি বাতিল করে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যান। ফলে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন শূন্য হয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করীম চৌধুরী বলেন, ‘আজকে মাইগ্রেশনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। মাইগ্রেশনের ফলে যতগুলো আসন ফাঁকা হয়, তার ভিত্তিতে আজকে বিকেলে ইউনিট প্রধানেরা বসবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’

ছয় দফা ভর্তি কার্যক্রমের পরও কুবিতে ফাঁকা ১১০ আসন
কুবি সংবাদদাতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য ছয় দফা মেধাতালিকা প্রকাশের পরও বিভিন্ন বিভাগে মোট ১১০টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এসব আসন পূরণে নতুন করে উদ্যোগ নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য ইতোমধ্যে ছয় দফা মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এরপরও সব আসন পূরণ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অর্থনীতি বিভাগে ২টি, লোকপ্রশাসন বিভাগে ১২টি, নৃবিজ্ঞান বিভাগে ১২টি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ১২টি এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ৯টি আসন রয়েছে। কলা ও মানবিক অনুষদের বাংলা বিভাগে ৯টি এবং ইংরেজি বিভাগে ৪টি আসন খালি রয়েছে।
এছাড়া, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগে ৩টি, মার্কেটিং বিভাগে ৩টি, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (এআইএস) বিভাগে ২টি এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে ২টি আসন ফাঁকা রয়েছে।
অন্যদিকে, বিজ্ঞান অনুষদের পরিসংখ্যান বিভাগে ১২টি, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ১৫টি, রসায়ন বিভাগে ৭টি এবং গণিত বিভাগে ২টি আসন এখনো পূরণ হয়নি। প্রকৌশল অনুষদের আইসিটি বিভাগে ৪টি আসন শূন্য রয়েছে।
ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সদস্যরা জানান, কুবির ভর্তি কার্যক্রম অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আগে শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি প্রক্রিয়া এগোলে অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের পছন্দের বিষয় কিংবা বাড়ির কাছাকাছি বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়ে কুবিতে ভর্তি বাতিল করে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যান। ফলে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন শূন্য হয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করীম চৌধুরী বলেন, ‘আজকে মাইগ্রেশনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। মাইগ্রেশনের ফলে যতগুলো আসন ফাঁকা হয়, তার ভিত্তিতে আজকে বিকেলে ইউনিট প্রধানেরা বসবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’




