শিরোনাম

পাবনায় বেড়েছে লোডশেডিং, বিপাকে পরীক্ষার্থীরা

পাবনা সংবাদদাতা
পাবনা সংবাদদাতা
পাবনায় বেড়েছে লোডশেডিং, বিপাকে পরীক্ষার্থীরা
বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা। হাতপাখা নিয়ে বাতাস নিচ্ছেন এক ব্যবসায়ী। ছবি: সিটিজেন জার্নাল

পাবনায় গত কয়েকদিন ধরে বেড়েছে লোডশেডিং। দিনে-রাতে কয়েকবার করে বিদ্যুতের আসা-যাওয়া করায় অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। একদিকে ভ্যাপসা গরম ও অন্যদিকে লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় ভোগান্তির শেষ নেই।

ভুক্তভোগীরা জানান, দিনে চার থেকে পাঁচবার ও রাতে তিন থেকে চারবার লোডশেডিং হচ্ছে। শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি লোডশেডিং। এমন অবস্থায় আসন্ন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে তাদের লেখাপড়া। এছাড়া ধর্মীয় উপাসনা কাজেও ব্যাঘাত ঘটছে। খেতে-ঘুমাতে গিয়ে বিদ্যুতের অভাব ও গরমে ভোগান্তির শেষ নেই। ব্যবসা-বাণিজ্যে নেমে এসেছে স্থবিরতা।

পাবনা শহরের কাপড় ব্যবসায়ী সবুজ হোসেন সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ক্রেতা দোকানে এসে যদি দেখে বিদ্যুৎ নেই, তখনই উঠে চলে যায়। বলে বিদ্যুৎ আসুক, তারপর আসবো। এভাবে ব্যবসা হয় বলেন ভাই? দিনে চার পাঁচবার বিদ্যুৎ চলে যায়। ঠিক মতো ব্যবসা করতে পারছি না।

কার্যালয়

মুদি দোকানি রফিকুল ইসলাম সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বিদ্যুৎ ঠিক মতো না থাকলে এই গরমে বসে থাকাই কঠিন। বেচাকেনাও কমে গেছে। হাতপাখা দিয়ে আর কতক্ষণ বাতাস নেওয়া যায়। একদিকে গরম, অপরদিকে লোডশেডিং এর যন্ত্রণায় আর বাঁচি না।

চাটমোহর উপজেলার শামীম হোসেন নামের বেসরকারি চাকরিজীবি বলেন, সামনে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা। লোডশেডিংয়ের কারণে বাচ্চারা ঠিক মতো পড়াশোনা করতে পারছে না। চরম ব্যাঘাত ঘটছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।

পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল আমিন চৌধুরী বলেন, একদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। অপরদিকে আমরা চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছি না। আশা করি,পরিস্থিতি উন্নত হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের চাহিদা ১০৩ মেগাওয়াট এর বিপরীতে পেয়েছি ৮৭ মেগাওয়াট। কয়েকদিন আগে চাহিদার তুলনায় ৭০ ভাগ বিদ্যুৎ পেয়েছিলাম। যে কারণে লোডশেডিং হয়েছে। জাতীয় গ্রিড থেকে যেমন দেয়, আমরা সেটাই সরবরাহ করি। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।

/এসআর/