ইকোপার্ক থেকে উদ্ধার আহত শিশু মারা গেছে

ইকোপার্ক থেকে উদ্ধার আহত শিশু মারা গেছে
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌর সদরের বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক থেকে গলায় ছুরিকাঘাতে আহত অবস্থায় উদ্ধার শিশুটি মারা গেছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শিশুটির মামা মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘ভোর সাড়ে চারটার দিকে তার অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ৫টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।’
এই ঘটনায় রবিবার (১ মার্চ) রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার সকাল ১০টার দিকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের সহস্রধারা ঝরণা থেকে প্রায় ৫০০ মিটার উত্তরে পাহাড়ের নির্জন পথে শিশুটিকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন শ্রমিকরা। তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সোমবার দুপুরে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন জানিয়েছিলেন, শিশুটির গলায় অস্ত্রোপচার করা হয়েছে এবং তাকে ওসিসি সেন্টারে রাখা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘শিশুটির বাড়ি কুমিরার মছজিদদা এলাকায়। এত সকালে সে কীভাবে ইকোপার্কের এত গভীরে পৌঁছাল এবং এই নৃশংস ঘটনার পেছনে কারা দায়ী, তা উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।’

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌর সদরের বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক থেকে গলায় ছুরিকাঘাতে আহত অবস্থায় উদ্ধার শিশুটি মারা গেছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শিশুটির মামা মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘ভোর সাড়ে চারটার দিকে তার অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ৫টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।’
এই ঘটনায় রবিবার (১ মার্চ) রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার সকাল ১০টার দিকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের সহস্রধারা ঝরণা থেকে প্রায় ৫০০ মিটার উত্তরে পাহাড়ের নির্জন পথে শিশুটিকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন শ্রমিকরা। তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সোমবার দুপুরে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন জানিয়েছিলেন, শিশুটির গলায় অস্ত্রোপচার করা হয়েছে এবং তাকে ওসিসি সেন্টারে রাখা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘শিশুটির বাড়ি কুমিরার মছজিদদা এলাকায়। এত সকালে সে কীভাবে ইকোপার্কের এত গভীরে পৌঁছাল এবং এই নৃশংস ঘটনার পেছনে কারা দায়ী, তা উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।’

ইকোপার্ক থেকে উদ্ধার আহত শিশু মারা গেছে
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌর সদরের বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক থেকে গলায় ছুরিকাঘাতে আহত অবস্থায় উদ্ধার শিশুটি মারা গেছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শিশুটির মামা মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘ভোর সাড়ে চারটার দিকে তার অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ৫টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।’
এই ঘটনায় রবিবার (১ মার্চ) রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার সকাল ১০টার দিকে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের সহস্রধারা ঝরণা থেকে প্রায় ৫০০ মিটার উত্তরে পাহাড়ের নির্জন পথে শিশুটিকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন শ্রমিকরা। তারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সোমবার দুপুরে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন জানিয়েছিলেন, শিশুটির গলায় অস্ত্রোপচার করা হয়েছে এবং তাকে ওসিসি সেন্টারে রাখা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘শিশুটির বাড়ি কুমিরার মছজিদদা এলাকায়। এত সকালে সে কীভাবে ইকোপার্কের এত গভীরে পৌঁছাল এবং এই নৃশংস ঘটনার পেছনে কারা দায়ী, তা উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।’



