ঐতিহ্যবাহী বলীখেলায় মানুষের ঢল

ঐতিহ্যবাহী বলীখেলায় মানুষের ঢল
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বলীখেলা। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন টেকেরহাটের বিস্তীর্ণ মাঠে যুব সমাজের উদ্যোগে বলীখেলা অনুষ্ঠিত হয়।
বলীখেলায় শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন। মিরসরাই ছাড়াও কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আব্দুল জব্বারের বলীখেলায় অংশ নেওয়া অসংখ্য বলী এতে অংশ নেন।
খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠ ও আশপাশ এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষের চোখ তখন মাঠের দিকে, যেখানে শুরু হয় শক্তি, সাহস ও কৌশলের লড়াই। খেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন ঐতিহ্যবাহী আব্দুল জব্বারের বলীখেলার টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন ‘বাঘা শরীফ’। তার উপস্থিতি মাঠে বাড়তি উন্মাদনা সৃষ্টি হয়।
এবারের আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য রাখা হয় ১০১টি পুরস্কার। ফ্রিজ, টেলিভিশন, সাইকেল, সিলিং ফ্যান, গ্যাসের চুলাসহ বিভিন্ন সামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বসিত হন বিজয়ীরা।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা বাদশা বলী বলেন, দেশে ফিরে আবার মাঠে নামার সুযোগ তাকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছে।
প্রবীণ বলী জামাল উদ্দিনও স্মৃতিচারণা করে বলেন, একসময় এই খেলাই ছিল গ্রামের প্রধান বিনোদন।
খেলা দেখতে আসা দর্শনার্থী মো. কামাল উদ্দিন বলেন, এমন আয়োজন এখন খুব কম দেখা যায়। মাঠে এসে মনে হয়েছে যেন পুরোনো দিনের গ্রামীণ পরিবেশ আবার ফিরে এসেছে।
ষাটোর্ধ্ব বলি জামাল উদ্দিন বলেন, আমি এক সময় পুরো উপজেলা জুড়ে বলীখেলায় অংশ নিয়েছি। এখন বয়সের কারণে সম্ভব হয় না। আগের মতো খেলাও হয় না। কোথাও বলীখেলা হচ্ছে শুনলে ছুটে যাই। আজ টেকেরহাট এসে অনেক ভালো লাগছে।
আরেক দর্শনার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, বলীখেলা আমাদের ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ। প্রতিযোগীদের শক্তি আর কৌশলের লড়াই খুবই উপভোগ করেছি। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে ভালো লাগবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাসুকুল আলম সোহান, ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু নোমান, সাবেক সদস্যসচিব মনজুরুল হক মঞ্জু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেন রুবেল প্রমুখ।

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বলীখেলা। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন টেকেরহাটের বিস্তীর্ণ মাঠে যুব সমাজের উদ্যোগে বলীখেলা অনুষ্ঠিত হয়।
বলীখেলায় শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন। মিরসরাই ছাড়াও কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আব্দুল জব্বারের বলীখেলায় অংশ নেওয়া অসংখ্য বলী এতে অংশ নেন।
খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠ ও আশপাশ এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষের চোখ তখন মাঠের দিকে, যেখানে শুরু হয় শক্তি, সাহস ও কৌশলের লড়াই। খেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন ঐতিহ্যবাহী আব্দুল জব্বারের বলীখেলার টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন ‘বাঘা শরীফ’। তার উপস্থিতি মাঠে বাড়তি উন্মাদনা সৃষ্টি হয়।
এবারের আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য রাখা হয় ১০১টি পুরস্কার। ফ্রিজ, টেলিভিশন, সাইকেল, সিলিং ফ্যান, গ্যাসের চুলাসহ বিভিন্ন সামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বসিত হন বিজয়ীরা।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা বাদশা বলী বলেন, দেশে ফিরে আবার মাঠে নামার সুযোগ তাকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছে।
প্রবীণ বলী জামাল উদ্দিনও স্মৃতিচারণা করে বলেন, একসময় এই খেলাই ছিল গ্রামের প্রধান বিনোদন।
খেলা দেখতে আসা দর্শনার্থী মো. কামাল উদ্দিন বলেন, এমন আয়োজন এখন খুব কম দেখা যায়। মাঠে এসে মনে হয়েছে যেন পুরোনো দিনের গ্রামীণ পরিবেশ আবার ফিরে এসেছে।
ষাটোর্ধ্ব বলি জামাল উদ্দিন বলেন, আমি এক সময় পুরো উপজেলা জুড়ে বলীখেলায় অংশ নিয়েছি। এখন বয়সের কারণে সম্ভব হয় না। আগের মতো খেলাও হয় না। কোথাও বলীখেলা হচ্ছে শুনলে ছুটে যাই। আজ টেকেরহাট এসে অনেক ভালো লাগছে।
আরেক দর্শনার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, বলীখেলা আমাদের ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ। প্রতিযোগীদের শক্তি আর কৌশলের লড়াই খুবই উপভোগ করেছি। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে ভালো লাগবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাসুকুল আলম সোহান, ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু নোমান, সাবেক সদস্যসচিব মনজুরুল হক মঞ্জু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেন রুবেল প্রমুখ।

ঐতিহ্যবাহী বলীখেলায় মানুষের ঢল
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বলীখেলা। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন টেকেরহাটের বিস্তীর্ণ মাঠে যুব সমাজের উদ্যোগে বলীখেলা অনুষ্ঠিত হয়।
বলীখেলায় শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন। মিরসরাই ছাড়াও কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আব্দুল জব্বারের বলীখেলায় অংশ নেওয়া অসংখ্য বলী এতে অংশ নেন।
খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠ ও আশপাশ এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষের চোখ তখন মাঠের দিকে, যেখানে শুরু হয় শক্তি, সাহস ও কৌশলের লড়াই। খেলার বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন ঐতিহ্যবাহী আব্দুল জব্বারের বলীখেলার টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন ‘বাঘা শরীফ’। তার উপস্থিতি মাঠে বাড়তি উন্মাদনা সৃষ্টি হয়।
এবারের আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের জন্য রাখা হয় ১০১টি পুরস্কার। ফ্রিজ, টেলিভিশন, সাইকেল, সিলিং ফ্যান, গ্যাসের চুলাসহ বিভিন্ন সামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বসিত হন বিজয়ীরা।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা বাদশা বলী বলেন, দেশে ফিরে আবার মাঠে নামার সুযোগ তাকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছে।
প্রবীণ বলী জামাল উদ্দিনও স্মৃতিচারণা করে বলেন, একসময় এই খেলাই ছিল গ্রামের প্রধান বিনোদন।
খেলা দেখতে আসা দর্শনার্থী মো. কামাল উদ্দিন বলেন, এমন আয়োজন এখন খুব কম দেখা যায়। মাঠে এসে মনে হয়েছে যেন পুরোনো দিনের গ্রামীণ পরিবেশ আবার ফিরে এসেছে।
ষাটোর্ধ্ব বলি জামাল উদ্দিন বলেন, আমি এক সময় পুরো উপজেলা জুড়ে বলীখেলায় অংশ নিয়েছি। এখন বয়সের কারণে সম্ভব হয় না। আগের মতো খেলাও হয় না। কোথাও বলীখেলা হচ্ছে শুনলে ছুটে যাই। আজ টেকেরহাট এসে অনেক ভালো লাগছে।
আরেক দর্শনার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, বলীখেলা আমাদের ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ। প্রতিযোগীদের শক্তি আর কৌশলের লড়াই খুবই উপভোগ করেছি। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে ভালো লাগবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাসুকুল আলম সোহান, ইছাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবু নোমান, সাবেক সদস্যসচিব মনজুরুল হক মঞ্জু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির হোসেন এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেন রুবেল প্রমুখ।




