সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবন ভেঙে ফেলার উদ্যোগ

সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবন ভেঙে ফেলার উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে থাকা ১ নম্বর ভবন ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে নতুন ২১ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে।
নতুন ভবন নির্মাণের একটি প্রকল্প প্রস্তাব এরইমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। কমিশন সূত্র জানায়, আগামীকাল সোমবার (৬ মার্চ) বিএনপি সরকারের প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পসহ মোট ১৭টি প্রকল্প তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন ভবনের মাধ্যমে ২ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট জায়গা সংকুলান করা হবে। ভবনটি ২০২৯ সালের জুন মাসের মধ্যে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ জন্য মোট ব্যয় হবে ৬৪৯ কোটি টাকা। এর প্রতি বর্গমিটারে ব্যয় হবে ৫২ হাজার ৭০৪ টাকা। স্থাপত্য বিশেষজ্ঞরা এ ব্যয়কে অতি উচ্চ মূল্য এবং অপচয় বলে অভিযোগ করছেন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে সচিবালয়ে অফিস স্পেস রয়েছে ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭২ বর্গফুট। আরও ৬ লাখ ৮০ হাজার বর্গফুটের চাহিদা রয়েছে। প্রস্তাবিত ভবনটি নির্মাণ করা হলে চাহিদার প্রায় ৪২ শতাংশ পূরণ করা যাবে। নতুন এ ভবনে সচিবালয়ের বাইরে থাকা বিভিন্ন অফিসকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে।
স্থাপত্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচিবালয়ে এমনিতেই বেশি ভবন নির্মাণ হওয়ায় আশপাশের রাস্তায় গাড়ি পার্ক করতে হচ্ছে। তাই ভবন নির্মাণ করলে পার্কিংয়ের জন্য আলাদা ভবন করা উচিত।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম শাকিল আখতার জানান, সচিবালয়ের তিন-চারটি ভবনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে এগুলো ধসে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই নতুন ভবন করা হচ্ছে। পার্কিংয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন ভবনে প্রায় ২০০ গাড়ি পার্ক করা যাবে। এখনকার নতুন ভবনটিতেও পার্কিং আছে।
নতুন ভবন যা থাকবে
প্রস্তাবিত ভবনে সৌরবিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি ধরে রাখা, অগ্নিনির্বাপণে অত্যাধুনিক সুবিধাসহ নানা প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। ভবনে ৬ যাত্রীবাহী, ৬টি ফায়ার লিফট, ২টি বেড লিফটসহ মোট ১৪টি লিফট থাকবে। ২ হাজার ৪০০ টনের কেন্দ্রীয় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকবে। স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশনের ব্যবস্থা থাকবে। মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসহ ২০টি কনফারেন্স রুম থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ৪টি বেজমেট থাকবে। আলোর জন্য গ্লাস ব্যবহার করা হবে। আবার তাপও যেন কম লাগে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সচিবালয়ে বর্তমানে মোট ১১টি ভবন রয়েছে। ১ নম্বর ভবনে আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অফিস ছিল। তাদের এখন নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে কিছু অংশ এখনো পুরোনো ভবনে রয়ে গেছে।

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে থাকা ১ নম্বর ভবন ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে নতুন ২১ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে।
নতুন ভবন নির্মাণের একটি প্রকল্প প্রস্তাব এরইমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। কমিশন সূত্র জানায়, আগামীকাল সোমবার (৬ মার্চ) বিএনপি সরকারের প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পসহ মোট ১৭টি প্রকল্প তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন ভবনের মাধ্যমে ২ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট জায়গা সংকুলান করা হবে। ভবনটি ২০২৯ সালের জুন মাসের মধ্যে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ জন্য মোট ব্যয় হবে ৬৪৯ কোটি টাকা। এর প্রতি বর্গমিটারে ব্যয় হবে ৫২ হাজার ৭০৪ টাকা। স্থাপত্য বিশেষজ্ঞরা এ ব্যয়কে অতি উচ্চ মূল্য এবং অপচয় বলে অভিযোগ করছেন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে সচিবালয়ে অফিস স্পেস রয়েছে ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭২ বর্গফুট। আরও ৬ লাখ ৮০ হাজার বর্গফুটের চাহিদা রয়েছে। প্রস্তাবিত ভবনটি নির্মাণ করা হলে চাহিদার প্রায় ৪২ শতাংশ পূরণ করা যাবে। নতুন এ ভবনে সচিবালয়ের বাইরে থাকা বিভিন্ন অফিসকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে।
স্থাপত্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচিবালয়ে এমনিতেই বেশি ভবন নির্মাণ হওয়ায় আশপাশের রাস্তায় গাড়ি পার্ক করতে হচ্ছে। তাই ভবন নির্মাণ করলে পার্কিংয়ের জন্য আলাদা ভবন করা উচিত।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম শাকিল আখতার জানান, সচিবালয়ের তিন-চারটি ভবনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে এগুলো ধসে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই নতুন ভবন করা হচ্ছে। পার্কিংয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন ভবনে প্রায় ২০০ গাড়ি পার্ক করা যাবে। এখনকার নতুন ভবনটিতেও পার্কিং আছে।
নতুন ভবন যা থাকবে
প্রস্তাবিত ভবনে সৌরবিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি ধরে রাখা, অগ্নিনির্বাপণে অত্যাধুনিক সুবিধাসহ নানা প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। ভবনে ৬ যাত্রীবাহী, ৬টি ফায়ার লিফট, ২টি বেড লিফটসহ মোট ১৪টি লিফট থাকবে। ২ হাজার ৪০০ টনের কেন্দ্রীয় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকবে। স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশনের ব্যবস্থা থাকবে। মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসহ ২০টি কনফারেন্স রুম থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ৪টি বেজমেট থাকবে। আলোর জন্য গ্লাস ব্যবহার করা হবে। আবার তাপও যেন কম লাগে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সচিবালয়ে বর্তমানে মোট ১১টি ভবন রয়েছে। ১ নম্বর ভবনে আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অফিস ছিল। তাদের এখন নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে কিছু অংশ এখনো পুরোনো ভবনে রয়ে গেছে।

সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবন ভেঙে ফেলার উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে থাকা ১ নম্বর ভবন ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে নতুন ২১ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে।
নতুন ভবন নির্মাণের একটি প্রকল্প প্রস্তাব এরইমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। কমিশন সূত্র জানায়, আগামীকাল সোমবার (৬ মার্চ) বিএনপি সরকারের প্রথম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্পসহ মোট ১৭টি প্রকল্প তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন ভবনের মাধ্যমে ২ লাখ ৮৭ হাজার বর্গফুট জায়গা সংকুলান করা হবে। ভবনটি ২০২৯ সালের জুন মাসের মধ্যে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ জন্য মোট ব্যয় হবে ৬৪৯ কোটি টাকা। এর প্রতি বর্গমিটারে ব্যয় হবে ৫২ হাজার ৭০৪ টাকা। স্থাপত্য বিশেষজ্ঞরা এ ব্যয়কে অতি উচ্চ মূল্য এবং অপচয় বলে অভিযোগ করছেন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমানে সচিবালয়ে অফিস স্পেস রয়েছে ৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭২ বর্গফুট। আরও ৬ লাখ ৮০ হাজার বর্গফুটের চাহিদা রয়েছে। প্রস্তাবিত ভবনটি নির্মাণ করা হলে চাহিদার প্রায় ৪২ শতাংশ পূরণ করা যাবে। নতুন এ ভবনে সচিবালয়ের বাইরে থাকা বিভিন্ন অফিসকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হবে।
স্থাপত্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচিবালয়ে এমনিতেই বেশি ভবন নির্মাণ হওয়ায় আশপাশের রাস্তায় গাড়ি পার্ক করতে হচ্ছে। তাই ভবন নির্মাণ করলে পার্কিংয়ের জন্য আলাদা ভবন করা উচিত।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম শাকিল আখতার জানান, সচিবালয়ের তিন-চারটি ভবনের বয়স ৬০ বছরের বেশি। ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে এগুলো ধসে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই নতুন ভবন করা হচ্ছে। পার্কিংয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন ভবনে প্রায় ২০০ গাড়ি পার্ক করা যাবে। এখনকার নতুন ভবনটিতেও পার্কিং আছে।
নতুন ভবন যা থাকবে
প্রস্তাবিত ভবনে সৌরবিদ্যুৎ, বৃষ্টির পানি ধরে রাখা, অগ্নিনির্বাপণে অত্যাধুনিক সুবিধাসহ নানা প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। ভবনে ৬ যাত্রীবাহী, ৬টি ফায়ার লিফট, ২টি বেড লিফটসহ মোট ১৪টি লিফট থাকবে। ২ হাজার ৪০০ টনের কেন্দ্রীয় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকবে। স্বয়ংক্রিয় ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশনের ব্যবস্থা থাকবে। মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসহ ২০টি কনফারেন্স রুম থাকবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য ৪টি বেজমেট থাকবে। আলোর জন্য গ্লাস ব্যবহার করা হবে। আবার তাপও যেন কম লাগে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সচিবালয়ে বর্তমানে মোট ১১টি ভবন রয়েছে। ১ নম্বর ভবনে আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অফিস ছিল। তাদের এখন নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে কিছু অংশ এখনো পুরোনো ভবনে রয়ে গেছে।




