চাঁদাবাজির মামলায় খালাস পেলেন আওয়ামী লীগ নেতা বি এম মোজাম্মেল

চাঁদাবাজির মামলায় খালাস পেলেন আওয়ামী লীগ নেতা বি এম মোজাম্মেল
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে করা একটি মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। রায়ে খালাস পেয়েছেন তিনি। রবিবার (৫ এপ্রিল) এই রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় খালাস পেলেও তার মুক্তি মিলছে না।
জানা গেছে, ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বি এম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট আদালতে মামলা করেন ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে খলিলুর রহমানকে আওয়ামী ও ছাত্রলীগের কর্মীদের দিয়ে ধানমন্ডির অফিসে ডেকে নেন মোজাম্মেল হক। এ সময় নির্বাচনী খরচ বাবদ তার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য খলিলুর রহমানকে তিন দিনের সময় দিয়ে গুম করার হুমকি দেন। পরবর্তী নির্বাচনে নিজ এলাকা শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে নানা অভিযোগ ও হুমকি দিয়ে ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেন।
গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন থেকে মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে গত ১ এপ্রিল বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার ১৪তম মহানগর দায়রা জজ মাহমুদা আক্তার। আপস হওয়ার কথা জানিয়ে মামলার বাদী খলিলুর রহমান আদালতে বলেন, মোজাম্মেল হক খালাস পেলে তার ‘আপত্তি নেই’। এতে বিচারক এ মামলার রায়ের জন্য আজ (রবিবার) দিন ধার্য করেছিলেন।

চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে করা একটি মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। রায়ে খালাস পেয়েছেন তিনি। রবিবার (৫ এপ্রিল) এই রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় খালাস পেলেও তার মুক্তি মিলছে না।
জানা গেছে, ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বি এম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট আদালতে মামলা করেন ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে খলিলুর রহমানকে আওয়ামী ও ছাত্রলীগের কর্মীদের দিয়ে ধানমন্ডির অফিসে ডেকে নেন মোজাম্মেল হক। এ সময় নির্বাচনী খরচ বাবদ তার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য খলিলুর রহমানকে তিন দিনের সময় দিয়ে গুম করার হুমকি দেন। পরবর্তী নির্বাচনে নিজ এলাকা শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে নানা অভিযোগ ও হুমকি দিয়ে ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেন।
গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন থেকে মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে গত ১ এপ্রিল বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার ১৪তম মহানগর দায়রা জজ মাহমুদা আক্তার। আপস হওয়ার কথা জানিয়ে মামলার বাদী খলিলুর রহমান আদালতে বলেন, মোজাম্মেল হক খালাস পেলে তার ‘আপত্তি নেই’। এতে বিচারক এ মামলার রায়ের জন্য আজ (রবিবার) দিন ধার্য করেছিলেন।

চাঁদাবাজির মামলায় খালাস পেলেন আওয়ামী লীগ নেতা বি এম মোজাম্মেল
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে করা একটি মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে। রায়ে খালাস পেয়েছেন তিনি। রবিবার (৫ এপ্রিল) এই রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় খালাস পেলেও তার মুক্তি মিলছে না।
জানা গেছে, ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বি এম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট আদালতে মামলা করেন ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে খলিলুর রহমানকে আওয়ামী ও ছাত্রলীগের কর্মীদের দিয়ে ধানমন্ডির অফিসে ডেকে নেন মোজাম্মেল হক। এ সময় নির্বাচনী খরচ বাবদ তার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই টাকা পরিশোধের জন্য খলিলুর রহমানকে তিন দিনের সময় দিয়ে গুম করার হুমকি দেন। পরবর্তী নির্বাচনে নিজ এলাকা শরীয়তপুরে ব্যবসায়ী সমিতির কাছে নানা অভিযোগ ও হুমকি দিয়ে ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য করেন।
গত বছরের ৫ অক্টোবর ঢাকার নিকেতন থেকে মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে গত ১ এপ্রিল বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার ১৪তম মহানগর দায়রা জজ মাহমুদা আক্তার। আপস হওয়ার কথা জানিয়ে মামলার বাদী খলিলুর রহমান আদালতে বলেন, মোজাম্মেল হক খালাস পেলে তার ‘আপত্তি নেই’। এতে বিচারক এ মামলার রায়ের জন্য আজ (রবিবার) দিন ধার্য করেছিলেন।




