শিরোনাম
সরাসরি

ট্রাম্পের ‘অশ্লীল ভাষা’ নিয়ে কটাক্ষ ইরানি দূতাবাসগুলোর

২০: ৫৫

ট্রাম্পের ‘অশ্লীল ভাষা’ নিয়ে কটাক্ষ ইরানি দূতাবাসগুলোর

ইরানের বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের ভাষা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া ওই পোস্টে ট্রাম্প ইরানকে লক্ষ্য করে কড়া ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে দেন, দুই দেশের মধ্যে চুক্তি না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

এ নিয়ে বিদেশে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসগুলো প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানায়। জাপানে ইরানের দূতাবাস ট্রাম্পের ভাষাকে ‘নিম্নমানের সভ্যতা ও বুদ্ধিমত্তার’ পরিচয় বলে উল্লেখ করেছে।

অন্যদিকে থাইল্যানন্ডে ইরানি দূতাবাস বলেছে, এ ধরনের মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে ‘প্রস্তর যুগে’ নিয়ে গেছে বলেই প্রতীয়মান হয়।

ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

২০: ৪৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির ‘ভালো সম্ভাবনা’ দেখছেন ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার ‘ভালো সম্ভাবনা’ রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুই পক্ষের আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি আগামীকাল একটি ভালো সম্ভাবনা আছে-তারা এখন আলোচনা করছে।’

এর আগে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, সমঝোতায় পৌঁছাতে তাদের হাতে মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সময় রয়েছে, অন্যথায় ‘ভয়াবহ পরিস্থিতি’ তৈরি হতে পারে।

তবে সাম্প্রতিক মন্তব্যে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে এবং একটি সমঝোতা প্রায় কাছাকাছি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দ্রুত চুক্তি না হলে তেলক্ষেত্র দখলের মতো কঠোর পদক্ষেপ বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।

ট্রাম্প আরও জানান, আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদের সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা আলোচনার প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারেন।

২০: ৩৪

‘কুর্দিদের মাধ্যমে’ ইরানে অস্ত্র পাঠানোর চেষ্টা হয়েছিল: ট্রাম্প

‘কুর্দিদের মাধ্যমে’ ইরানে অস্ত্র পাঠানোর চেষ্টা হয়েছিল: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছরের শুরুতে ‘কুর্দিদের মাধ্যমে’ ইরানের বিক্ষোভকারীদের কাছে অস্ত্র পাঠানোর চেষ্টা করেছিল। তবে তার ধারণা, সেই অস্ত্র শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের হাতে পৌঁছায়নি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের কাছে অনেক অস্ত্র পাঠিয়েছি, কুর্দিদের মাধ্যমে পাঠিয়েছি।’ যদিও তিনি ঠিক কোন কুর্দি গোষ্ঠীর কথা বলেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

তিনি আরও দাবি করেন, তার বিশ্বাস ‘কুর্দিরা’ ওই অস্ত্র নিজেদের কাছেই রেখে দিয়েছে।

ট্রাম্পের এই মন্তব্য নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

২০: ২২

ট্রাম্প ‘প্রস্তর যুগে আটকে আছেন’: ইরানের উপরাষ্ট্রপতি

ট্রাম্প ‘প্রস্তর যুগে আটকে আছেন’: ইরানের উপরাষ্ট্রপতি
ইরানের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ। ছবি: ফার্স্ট পোস্ট

ইরানের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরেফ বলেন, ট্রাম্প যুদ্ধের অজুহাত দেখিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক খাতে ব্যয় কমানোর কথা বলেছেন, আবার একই সময়ে ইরানের অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিচ্ছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প চিকিৎসা ও শিশুযত্ন খাতে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সামরিক ব্যয়ের ওপর জোর দিয়েছেন।

এ প্রেক্ষাপটে আরেফ লেখেন, ‘যে ব্যক্তি অন্যদের হুমকি দিতে গিয়ে নিজের জনগণের কল্যাণ বিসর্জন দেয়, সে এখনো ‘প্রস্তর যুগে’ আটকে আছে।’

তিনি আরও বলেন, চাপের মধ্যেও ইরান উন্নয়ন ও নির্মাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পথ বেছে নিয়েছে।

উল্লেখ্য, ট্রাম্প একাধিকবার ইরানকে বোমা হামলার মাধ্যমে ‘প্রস্তর যুগে’ ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

১৯: ৪৬

ট্রাম্পের ‘বড় সাফল্যে’ প্রশংসায় নেতানিয়াহু

ট্রাম্পের ‘বড় সাফল্যে’ প্রশংসায় নেতানিয়াহু
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানে পরিচালিত এক মার্কিন উদ্ধার অভিযানে ‘অসাধারণ সাফল্য’ অর্জনের দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমেরিকার নির্ভীক যোদ্ধাদের মাধ্যমে একজন সাহসী পাইলটকে উদ্ধারের ঘটনা সত্যিই অবিশ্বাস্য।’ তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের অভিযান প্রমাণ করে-মুক্ত সমাজগুলো যখন সাহস ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে একসঙ্গে কাজ করে, তখন তারা কঠিনতম চ্যালেঞ্জও অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।

তিনি আরও বলেন, এই উদ্ধার অভিযান একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিকে আবারও সামনে এনেছে—‘কাউকে পেছনে ফেলে রাখা হবে না।’ নেতানিয়াহুর ভাষায়, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অভিন্ন মূল্যবোধ, যা দুই দেশের ইতিহাসে বহুবার প্রতিফলিত হয়েছে।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইসরায়েল বহুবার দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে। বিশেষ করে অপারেশন এনতেব্বের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই অভিযানে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, ফলে এমন সিদ্ধান্তের গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই বোঝেন।

শেষে ট্রাম্পকে ‘প্রিয় বন্ধু’ উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, তার দৃঢ় নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও বড় ধরনের সাফল্য এনে দিয়েছে এবং এজন্য তিনি তাকে অভিনন্দন জানান।

১৯: ২৩

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা নিয়ে উদ্বেগ জানালো ওপেক

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা নিয়ে উদ্বেগ জানালো ওপেক
আলজিয়ার্সে পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন (ওপেক)-এর সদস্যদের মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের আগে তোলা ওপেক লোগোর ছবি। রয়টার্স

ইরানকে ঘিরে চলমান মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওপেক+ প্যানেল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের হাতে পাওয়া একটি খসড়া বিবৃতিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা বাড়ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। এসব স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা দ্রুত মেরামত করা কঠিন হয়ে পড়ে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাধা সৃষ্টি হয়।

খসড়া বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পথগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়লে বৈশ্বিক বাজারে এর সরাসরি প্রভাব পড়ে।

প্যানেলটি জোর দিয়ে বলেছে, জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা শুধু তাৎক্ষণিক ক্ষতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোকে আবার পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে সময় ও বিপুল ব্যয় প্রয়োজন হয়, যা সামগ্রিকভাবে জ্বালানির প্রাপ্যতা কমিয়ে দিতে পারে।

ওপেক+ প্যানেলের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোকে নিরাপদ রাখা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য জরুরি অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

১৮: ৫৪

ইরানে মঙ্গলবার হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু দিবস: ট্রাম্প

ইরানে মঙ্গলবার হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু দিবস: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প: ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আবারও কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালী ঘিরে সংকট নিরসনে চাপ বাড়াতে গিয়ে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছেন।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানে মঙ্গলবার হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস এবং সেতু দিবস-দুটোই একসাথে।’ তার এই মন্তব্যকে বিশ্লেষকরা ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো-বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু-লক্ষ্য করে সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার দাবি পুনর্ব্যক্ত করে ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ থাকলে ইরানকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। তার ভাষায়, ‘প্রণালীটা খুলে দাও… নইলে তোরা জাহান্নামে বাস করবি—শুধু দেখ!’

এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন যে ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে, তা স্পষ্ট। তবে এমন কড়া ভাষা ও সরাসরি হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

১৮: ২৫

উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় আবারও ইরানের হামলা

উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় আবারও ইরানের হামলা
ইরানের ড্রোন হামলার পর বাহরাইনের গালফ পেট্রোকেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানিতে আগুন ধরে যায়। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সর্বশেষ ড্রোন হামলার ঢেউয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এতে আবুধাবি ও বাহরাইনের একাধিক স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবিতে অবস্থিত বোরুজ পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে একাধিক আগুনের ঘটনায় সাড়া দিচ্ছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। জানা গেছে, ইরান থেকে ছোড়া হামলা প্রতিরোধ করার সময় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দ্বারা ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ প্ল্যান্টের ওপর পড়ে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।

অন্যদিকে বাহরাইনের গালফ পেট্রোকেমিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানিতেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একাধিক অপারেশনাল স্থাপনায় আগুন লাগার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাপকো এনার্জিসের একটি তেল ট্যাঙ্ক ও সংরক্ষণাগার পৃথক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাহরাইনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উভয় স্থানের আগুন ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরবে আজ সকালে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই ধরনের হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে।

১৭: ৫০

ইরান যুদ্ধে চতুর্থ এফ-১৫ হারালো যুক্তরাষ্ট্র

ইরান যুদ্ধে চতুর্থ এফ-১৫ হারালো যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫বি যুদ্ধবিমান। ফাইল ছবি

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের আরেকটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান হারিয়েছে। যুদ্ধবিমানটি চলমান সংঘাতে ইরানের হামলায় বিধ্বস্ত হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারির পর এটি যুক্তরাষ্ট্রের হারানো চতুর্থ বিমান।

এই যুদ্ধবিমানটি ১৯৮০-এর দশকে তৈরি করা হয় এবং এটি মূল এফ-১৫ প্ল্যাটফর্ম থেকে উন্নত সংস্করণ হিসেবে গড়ে ওঠে। বহুমুখী সক্ষমতার এই জেটটি দিন-রাত সব ধরনের আবহাওয়ায় এবং নিচু উচ্চতায় উড্ডয়নের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, এফ-১৫ মূলত আকাশ থেকে ভূমিতে আক্রমণের জন্য ব্যবহৃত হলেও এটি আকাশযুদ্ধে সমানভাবে কার্যকর। জেটটি এআইএম-৯এম সাইডউইন্ডার, এআইএম-১২০ এএমআরএএএম-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে। এছাড়া এতে একটি ২০ মিলিমিটার কামান রয়েছে, যা প্রায় ৫০০ রাউন্ড গুলি ধারণ করতে সক্ষম।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে যুদ্ধবিমানটি ঘণ্টায় প্রায় ১,৮৭৫ মাইল (ম্যাক ২.৫-এর বেশি) গতিতে উড়তে পারে এবং এর কার্যক্ষম পাল্লা প্রায় ২,৪০০ মাইল। প্রতিটি বিমানের মূল্য আনুমানিক ৩১.১ মিলিয়ন ডলার।

এই বিমানে একজন পাইলট ও একজন অস্ত্র ব্যবস্থা কর্মকর্তা (ওয়েপন সিস্টেমস অফিসার) দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ঘটনায় পাইলটকে আগে উদ্ধার করা হয় এবং পরবর্তীতে অন্য ক্রু সদস্যকেও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

১৭: ১৮

মার্কিন পাইলট উদ্ধার অভিযানে ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ

ইরানে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে উদ্ধারের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূপাতিত এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় পাইলটকে খুঁজে বের করতে পরিচালিত তল্লাশি অভিযানের সময় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রবিবার (৫ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওই পাইলটকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তিনি গুলিতে নয়, বরং বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার সময় আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই তল্লাশি অভিযানে ডজনেরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নেয়। তবে অভিযানে কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, নিখোঁজ পাইলটের সন্ধানে পরিচালিত অভিযানের সময় তারা একটি মার্কিন ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে।

এ ছাড়া শুক্রবারের কিছু ভিডিও ফুটেজে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএইচ-৬০ ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি চালানোর দৃশ্য দেখা গেছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

১৭: ০৫

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত ৪

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত ৪
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধারকারী হেলিকপ্টারের ছবি প্রকাশ করেছে, যেগুলোকে তারা গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে। কিন্তু মার্কিন বাহিনী বলছে তারা নিজেরাই সেগুলোকে উড়িয়ে দিয়েছে। ছবি: টেলিগ্রাফ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কর্মকর্তারা। একই ঘটনায় একটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে তেহরান।

ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোহগিলুয়েহ ও বোয়ের-আহমাদ প্রদেশের পার্বত্য এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় গভর্নরের বরাতে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে তিনজন নিহত ও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

পরে প্রদেশটির ডেপুটি গভর্নর ফাত্তাহ মোহাম্মদী জানান, মৃতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে।

ইরান এই হামলার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে। তবে নিখোঁজ মার্কিন যুদ্ধবিমানের ক্রু উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানের সঙ্গে এই হামলার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর-আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা একটি মার্কিন ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ মার্কিন ক্রুকে খুঁজে বের করার কাজে ড্রোনটি ব্যবহার করা হচ্ছিল।

ইরানের আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তর জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের ইসফাহান প্রদেশে ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

তবে ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে, ইরানে ভূপাতিত মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রুকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, উদ্ধার হওয়া ওই পাইলট ‘নিরাপদ ও সুস্থ’ আছেন।

ট্রাম্প আরও জানান, এই অভিযানে মার্কিন বাহিনী ‘কয়েক ডজন বিমান’ ব্যবহার করেছে এবং এতে কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি।

তবে ইরানের দাবি, নিখোঁজ ক্রুর সন্ধানে পরিচালিত তল্লাশি অভিযানের সময়ই মার্কিন ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্ল্যাক হক’ হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি চালানোর দৃশ্যও দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

১৬: ৫৯

এবার পাইলট উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান ব্যর্থ: ইরান

এবার পাইলট উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান ব্যর্থ: ইরান
মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। ছবি: বিবিসি

নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারে পরিচালিত বিশেষ সামরিক অভিযান ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির সরকার ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ওই প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম সাহসী একটি অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরই তা নাকচ করে ইরানের পক্ষ থেকে ভিন্ন দাবি উঠে আসে। দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক সদর দপ্তর খাতামুল আম্বিয়ার মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ভূপাতিত বিমানের পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন বাহিনী মরিয়া চেষ্টা চালালেও ইরানি বাহিনীর প্রতিরোধে তা ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, ‘ইরানি বাহিনীর তৎপরতা এবং আল্লাহর কৃপায় শত্রুর এই অভিযান ব্যর্থ হয়েছে।’

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করেছিল, এই উদ্ধার অভিযানের সময় মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে।

ইরানের সামরিক বাহিনীর দাবি, উদ্ধার অভিযান সফল হয়েছে—এমন প্রচারণা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃত পরিস্থিতি আড়াল করার চেষ্টা করছে।

১৫: ৫৩

ইসরায়েলে বেন গুরিয়ন বিমান বন্দরে হামলার দায় স্বীকার হুথির

ইসরায়েলে বেন গুরিয়ন বিমান বন্দরে হামলার দায় স্বীকার হুথির
ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলের জাফায় অবস্থিত বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরে ড্রোন ও ক্লাস্টার মিউনিশন ব্যবহার করে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি।

হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক অফিসিয়াল বিবৃতিতে এ তথ্য জানান। প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি নির্মিত একটি কন্ট্রোল টাওয়ার, টার্মিনাল ১ ও ২-এর প্রধান কন্ট্রোল টাওয়ার, নেভিগেশন সরঞ্জাম এবং বিমানবন্দরের অ্যান্টেনা ও রাডার সিস্টেম ছিল এ হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে।

সূত্র: প্রেস টিভি