মঙ্গল বা আনন্দ নয়, এবার হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

মঙ্গল বা আনন্দ নয়, এবার হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’
বিশেষ প্রতিনিধি

`মঙ্গল শোভাযাত্রা' বা `আনন্দ শোভাযাত্রা' নয়, এবার বাংলা নববর্ষে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সভা শেষে সংস্কৃতিমন্ত্রী এ কথা জানান।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আফসানা মিমি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম নিয়ে যে বিতর্ক, আমরা তার অবসান চাই। পহেলা বৈশাখ মূলত সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও কৃষকের উৎসব। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ গণতান্ত্রিক সরকার। গণতন্ত্রে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য থাকবে। এখন থেকে নববর্ষের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণসহ অন্য সকল আয়োজনই থাকবে। চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়, তার যে যে বৈশিষ্ট্য আছে, সবই থাকবে।
গত শতকের আশির দশকে সামরিক শাসনের অর্গল ভাঙার আহ্বানে পহেলা বৈশাখে চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়েছিল; সেটিই পরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় রূপ নেয়। ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতিও পায় এ কর্মসূচি।

কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরোধিতা করে আসছিল আওয়ামী লীগের সময় থেকেই। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই বিরোধিতা আরো জোরালো হয়। সেই প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালে চারুকলার শোভাযাত্রার নাম থেকে ‘মঙ্গল’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। নতুন নামকরণ হয় ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’।
গত মঙ্গলবার বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপনের কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সভা হয়।
সভার পর ঢাকা বিশ্বদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নববর্ষ উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হবে। রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর, বাংলা একাডেমি হয়ে শোভাযাত্রাটি পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে শেষ হবে।
তবে আনন্দ শোভাযাত্রা নাকি মঙ্গল শোভাযাত্রা হবে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়। এ বিষয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়েও সোশাল মিডিয়ায় তর্ক-বিতর্ক চলে।
সেই প্রেক্ষাপটে এবার সংস্কৃতিমন্ত্রী স্পষ্ট করলেন, শোভাযাত্রার নাম হবে 'বৈশাখী শোভাযাত্রা'।

`মঙ্গল শোভাযাত্রা' বা `আনন্দ শোভাযাত্রা' নয়, এবার বাংলা নববর্ষে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সভা শেষে সংস্কৃতিমন্ত্রী এ কথা জানান।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আফসানা মিমি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম নিয়ে যে বিতর্ক, আমরা তার অবসান চাই। পহেলা বৈশাখ মূলত সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও কৃষকের উৎসব। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ গণতান্ত্রিক সরকার। গণতন্ত্রে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য থাকবে। এখন থেকে নববর্ষের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণসহ অন্য সকল আয়োজনই থাকবে। চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়, তার যে যে বৈশিষ্ট্য আছে, সবই থাকবে।
গত শতকের আশির দশকে সামরিক শাসনের অর্গল ভাঙার আহ্বানে পহেলা বৈশাখে চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়েছিল; সেটিই পরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় রূপ নেয়। ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতিও পায় এ কর্মসূচি।

কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরোধিতা করে আসছিল আওয়ামী লীগের সময় থেকেই। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই বিরোধিতা আরো জোরালো হয়। সেই প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালে চারুকলার শোভাযাত্রার নাম থেকে ‘মঙ্গল’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। নতুন নামকরণ হয় ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’।
গত মঙ্গলবার বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপনের কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সভা হয়।
সভার পর ঢাকা বিশ্বদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নববর্ষ উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হবে। রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর, বাংলা একাডেমি হয়ে শোভাযাত্রাটি পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে শেষ হবে।
তবে আনন্দ শোভাযাত্রা নাকি মঙ্গল শোভাযাত্রা হবে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়। এ বিষয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়েও সোশাল মিডিয়ায় তর্ক-বিতর্ক চলে।
সেই প্রেক্ষাপটে এবার সংস্কৃতিমন্ত্রী স্পষ্ট করলেন, শোভাযাত্রার নাম হবে 'বৈশাখী শোভাযাত্রা'।

মঙ্গল বা আনন্দ নয়, এবার হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’
বিশেষ প্রতিনিধি

`মঙ্গল শোভাযাত্রা' বা `আনন্দ শোভাযাত্রা' নয়, এবার বাংলা নববর্ষে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সভা শেষে সংস্কৃতিমন্ত্রী এ কথা জানান।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আফসানা মিমি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রার নাম নিয়ে যে বিতর্ক, আমরা তার অবসান চাই। পহেলা বৈশাখ মূলত সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও কৃষকের উৎসব। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ গণতান্ত্রিক সরকার। গণতন্ত্রে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য থাকবে। এখন থেকে নববর্ষের শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণসহ অন্য সকল আয়োজনই থাকবে। চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়, তার যে যে বৈশিষ্ট্য আছে, সবই থাকবে।
গত শতকের আশির দশকে সামরিক শাসনের অর্গল ভাঙার আহ্বানে পহেলা বৈশাখে চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হয়েছিল; সেটিই পরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় রূপ নেয়। ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতিও পায় এ কর্মসূচি।

কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরোধিতা করে আসছিল আওয়ামী লীগের সময় থেকেই। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেই বিরোধিতা আরো জোরালো হয়। সেই প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালে চারুকলার শোভাযাত্রার নাম থেকে ‘মঙ্গল’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। নতুন নামকরণ হয় ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’।
গত মঙ্গলবার বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপনের কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সভা হয়।
সভার পর ঢাকা বিশ্বদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নববর্ষ উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হবে। রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর, বাংলা একাডেমি হয়ে শোভাযাত্রাটি পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে শেষ হবে।
তবে আনন্দ শোভাযাত্রা নাকি মঙ্গল শোভাযাত্রা হবে, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়। এ বিষয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রীর বক্তব্য নিয়েও সোশাল মিডিয়ায় তর্ক-বিতর্ক চলে।
সেই প্রেক্ষাপটে এবার সংস্কৃতিমন্ত্রী স্পষ্ট করলেন, শোভাযাত্রার নাম হবে 'বৈশাখী শোভাযাত্রা'।




