স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতার হামলায় ওসিসহ ৮ পুলিশ আহত

স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতার হামলায় ওসিসহ ৮ পুলিশ আহত
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের খুলশীতে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে নগরের খুলশী ওয়্যারলেস মোড় ও পাহাড়তলীতে এই ঘটনা ঘটে। এতে খুলশী থানার ওসিসহ অন্তত ৮ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, অস্ত্র মামলায় পরোয়ানাভুক্ত নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত এক নেতাকে গ্রেপ্তারের জন্য যাওয়ার পথে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত ওই নেতার নাম ওয়াকিল হোসেন। তার অনুসারীরা বিএনপির স্লোগান দিয়ে হামলা চালান বলে পুলিশের অভিযোগ।
গত ৩০ আগস্ট নগরের পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমানকে তুলে নিয়ে নির্যাতন এবং অধ্যক্ষকে ভিডিও কলে রেখে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় খুলশী থানায় একটি মামলা হয়। মামলায় দুই নম্বর আসামি করা হয় ওয়াকিলকে। এ ছাড়া আসামি করা হয় তার ছয় সহযোগীকেও।
বিষয়টি জানতে পেরে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিমকে ফোন করেন ওয়াকিল। তার বিরুদ্ধে কেন মামলা নেওয়া হয়েছে, তা ওসির কাছে জানতে চান। এ সময় অকথ্য ভাষায় ওসিকে গালাগাল এবং তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান ওসি। এরপর ওয়াকিলকে গ্রেপ্তারের জন্য নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।
পুলিশ জানায়, অভিযানের বিষয়টি জানতে পেরে ওয়াকিলের অনুসারীরা বিএনপির নামে স্লোগান দিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দেন। একপর্যায়ে আটকে পড়া পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন তারা। ওসির সরকারি গাড়িও ভাঙচুর করেন হামলাকারীরা। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর ককটেল ছুড়ে মারা হলে পুলিশও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুলিশ ওয়াকিলের বাসা ও আশপাশের এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালায়। তবে ওয়াকিল অভিযানের আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যান।
নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকিল হোসেন পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তিনি চাঁদাবাজি, মাদক, বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা ১৭টি মামলার আসামি। সরকারি জায়গার দখল নিয়ে প্রকাশ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর ৮ জুন তাকে স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

চট্টগ্রামের খুলশীতে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে নগরের খুলশী ওয়্যারলেস মোড় ও পাহাড়তলীতে এই ঘটনা ঘটে। এতে খুলশী থানার ওসিসহ অন্তত ৮ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, অস্ত্র মামলায় পরোয়ানাভুক্ত নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত এক নেতাকে গ্রেপ্তারের জন্য যাওয়ার পথে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত ওই নেতার নাম ওয়াকিল হোসেন। তার অনুসারীরা বিএনপির স্লোগান দিয়ে হামলা চালান বলে পুলিশের অভিযোগ।
গত ৩০ আগস্ট নগরের পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমানকে তুলে নিয়ে নির্যাতন এবং অধ্যক্ষকে ভিডিও কলে রেখে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় খুলশী থানায় একটি মামলা হয়। মামলায় দুই নম্বর আসামি করা হয় ওয়াকিলকে। এ ছাড়া আসামি করা হয় তার ছয় সহযোগীকেও।
বিষয়টি জানতে পেরে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিমকে ফোন করেন ওয়াকিল। তার বিরুদ্ধে কেন মামলা নেওয়া হয়েছে, তা ওসির কাছে জানতে চান। এ সময় অকথ্য ভাষায় ওসিকে গালাগাল এবং তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান ওসি। এরপর ওয়াকিলকে গ্রেপ্তারের জন্য নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।
পুলিশ জানায়, অভিযানের বিষয়টি জানতে পেরে ওয়াকিলের অনুসারীরা বিএনপির নামে স্লোগান দিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দেন। একপর্যায়ে আটকে পড়া পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন তারা। ওসির সরকারি গাড়িও ভাঙচুর করেন হামলাকারীরা। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর ককটেল ছুড়ে মারা হলে পুলিশও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুলিশ ওয়াকিলের বাসা ও আশপাশের এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালায়। তবে ওয়াকিল অভিযানের আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যান।
নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকিল হোসেন পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তিনি চাঁদাবাজি, মাদক, বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা ১৭টি মামলার আসামি। সরকারি জায়গার দখল নিয়ে প্রকাশ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর ৮ জুন তাকে স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতার হামলায় ওসিসহ ৮ পুলিশ আহত
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের খুলশীতে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে নগরের খুলশী ওয়্যারলেস মোড় ও পাহাড়তলীতে এই ঘটনা ঘটে। এতে খুলশী থানার ওসিসহ অন্তত ৮ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, অস্ত্র মামলায় পরোয়ানাভুক্ত নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত এক নেতাকে গ্রেপ্তারের জন্য যাওয়ার পথে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত ওই নেতার নাম ওয়াকিল হোসেন। তার অনুসারীরা বিএনপির স্লোগান দিয়ে হামলা চালান বলে পুলিশের অভিযোগ।
গত ৩০ আগস্ট নগরের পাহাড়তলী ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমানকে তুলে নিয়ে নির্যাতন এবং অধ্যক্ষকে ভিডিও কলে রেখে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় খুলশী থানায় একটি মামলা হয়। মামলায় দুই নম্বর আসামি করা হয় ওয়াকিলকে। এ ছাড়া আসামি করা হয় তার ছয় সহযোগীকেও।
বিষয়টি জানতে পেরে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিমকে ফোন করেন ওয়াকিল। তার বিরুদ্ধে কেন মামলা নেওয়া হয়েছে, তা ওসির কাছে জানতে চান। এ সময় অকথ্য ভাষায় ওসিকে গালাগাল এবং তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান ওসি। এরপর ওয়াকিলকে গ্রেপ্তারের জন্য নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী।
পুলিশ জানায়, অভিযানের বিষয়টি জানতে পেরে ওয়াকিলের অনুসারীরা বিএনপির নামে স্লোগান দিয়ে রাস্তায় ব্যারিকেড দেন। একপর্যায়ে আটকে পড়া পুলিশ সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন তারা। ওসির সরকারি গাড়িও ভাঙচুর করেন হামলাকারীরা। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর ককটেল ছুড়ে মারা হলে পুলিশও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুলিশ ওয়াকিলের বাসা ও আশপাশের এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালায়। তবে ওয়াকিল অভিযানের আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যান।
নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াকিল হোসেন পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তিনি চাঁদাবাজি, মাদক, বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন অভিযোগে করা ১৭টি মামলার আসামি। সরকারি জায়গার দখল নিয়ে প্রকাশ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর ৮ জুন তাকে স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত সেই নারী পথচারীর মৃত্যু






