মাদক অপরাধের বিচার দ্রুত করতে দেশে ২২টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল

মাদক অপরাধের বিচার দ্রুত করতে দেশে ২২টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
সিজেডএন ডেস্ক

মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে ২২টি ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৪৪ক ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে এসব ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি ট্রাইব্যুনালের পৃথক স্থানীয় এখতিয়ার ও সীমানাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলা এলাকায় একটি এবং ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানার জন্য চারটি পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর-১ ট্রাইব্যুনালের আওতায় থাকবে পল্লবী, কাফরুল, মিরপুর, শাহআলী, দারুসসালাম, রূপনগর, ভাষানটেক, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, হাতিরঝিল, শেরেবাংলা নগর, রমনা ও শাহবাগ থানা।
ঢাকা মহানগর-২ ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রে রাখা হয়েছে কলাবাগান, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, আদাবর, কোতোয়ালী, বংশাল, চকবাজার, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানা।
মতিঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, রামপুরা, ডেমরা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও ওয়ারী থানা নিয়ে গঠিত হয়েছে ঢাকা মহানগর-৩ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার।
অন্যদিকে উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম, উত্তরখান, দক্ষিণখান, বিমানবন্দর, তুরাগ, বাড্ডা, গুলশান, বনানী, ভাটারা, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানা থাকবে ঢাকা মহানগর-৪ ট্রাইব্যুনালের আওতায়।
এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে দুটি নারায়ণগঞ্জ-১ ও নারায়ণগঞ্জ-২ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলার জন্য একটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরের জন্য তিনটি পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
মাদকপ্রবণ সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজারে গঠন করা হয়েছে তিনটি ট্রাইব্যুনাল। কক্সবাজার-১ ট্রাইব্যুনালের অধীনে থাকবে টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থানা। উখিয়া, কক্সবাজার সদর ও ঈদগাঁও থানা নিয়ে গঠিত হয়েছে কক্সবাজার-২ ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্র। আর রামু, চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী থানা থাকবে কক্সবাজার-৩ ট্রাইব্যুনালের আওতায়।
কুমিল্লার জন্য গঠন করা হয়েছে দুটি ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী জেলা, রাজশাহী মহানগর, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোর জেলায় একটি করে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীনে ন্যূনতম পাঁচ বছর বা তার বেশি সাজাযোগ্য অপরাধসংক্রান্ত চলমান মামলাগুলো সংশ্লিষ্ট বর্তমান আদালত থেকে নবগঠিত ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হবে।
স্থানান্তরের সময় মামলাগুলো যে পর্যায়ে থাকবে, সেখান থেকেই নতুন ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুসরণ করে মামলা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে ২২টি ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৪৪ক ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে এসব ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি ট্রাইব্যুনালের পৃথক স্থানীয় এখতিয়ার ও সীমানাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলা এলাকায় একটি এবং ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানার জন্য চারটি পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর-১ ট্রাইব্যুনালের আওতায় থাকবে পল্লবী, কাফরুল, মিরপুর, শাহআলী, দারুসসালাম, রূপনগর, ভাষানটেক, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, হাতিরঝিল, শেরেবাংলা নগর, রমনা ও শাহবাগ থানা।
ঢাকা মহানগর-২ ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রে রাখা হয়েছে কলাবাগান, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, আদাবর, কোতোয়ালী, বংশাল, চকবাজার, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানা।
মতিঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, রামপুরা, ডেমরা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও ওয়ারী থানা নিয়ে গঠিত হয়েছে ঢাকা মহানগর-৩ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার।
অন্যদিকে উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম, উত্তরখান, দক্ষিণখান, বিমানবন্দর, তুরাগ, বাড্ডা, গুলশান, বনানী, ভাটারা, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানা থাকবে ঢাকা মহানগর-৪ ট্রাইব্যুনালের আওতায়।
এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে দুটি নারায়ণগঞ্জ-১ ও নারায়ণগঞ্জ-২ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলার জন্য একটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরের জন্য তিনটি পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
মাদকপ্রবণ সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজারে গঠন করা হয়েছে তিনটি ট্রাইব্যুনাল। কক্সবাজার-১ ট্রাইব্যুনালের অধীনে থাকবে টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থানা। উখিয়া, কক্সবাজার সদর ও ঈদগাঁও থানা নিয়ে গঠিত হয়েছে কক্সবাজার-২ ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্র। আর রামু, চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী থানা থাকবে কক্সবাজার-৩ ট্রাইব্যুনালের আওতায়।
কুমিল্লার জন্য গঠন করা হয়েছে দুটি ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী জেলা, রাজশাহী মহানগর, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোর জেলায় একটি করে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীনে ন্যূনতম পাঁচ বছর বা তার বেশি সাজাযোগ্য অপরাধসংক্রান্ত চলমান মামলাগুলো সংশ্লিষ্ট বর্তমান আদালত থেকে নবগঠিত ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হবে।
স্থানান্তরের সময় মামলাগুলো যে পর্যায়ে থাকবে, সেখান থেকেই নতুন ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুসরণ করে মামলা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মাদক অপরাধের বিচার দ্রুত করতে দেশে ২২টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
সিজেডএন ডেস্ক

মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে ২২টি ‘মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল’ গঠন করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৪৪ক ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে এসব ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি ট্রাইব্যুনালের পৃথক স্থানীয় এখতিয়ার ও সীমানাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলা এলাকায় একটি এবং ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানার জন্য চারটি পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর-১ ট্রাইব্যুনালের আওতায় থাকবে পল্লবী, কাফরুল, মিরপুর, শাহআলী, দারুসসালাম, রূপনগর, ভাষানটেক, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, হাতিরঝিল, শেরেবাংলা নগর, রমনা ও শাহবাগ থানা।
ঢাকা মহানগর-২ ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রে রাখা হয়েছে কলাবাগান, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, আদাবর, কোতোয়ালী, বংশাল, চকবাজার, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানা।
মতিঝিল, শাহজাহানপুর, পল্টন, সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা, রামপুরা, ডেমরা, শ্যামপুর, সূত্রাপুর, গেন্ডারিয়া, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও ওয়ারী থানা নিয়ে গঠিত হয়েছে ঢাকা মহানগর-৩ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার।
অন্যদিকে উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম, উত্তরখান, দক্ষিণখান, বিমানবন্দর, তুরাগ, বাড্ডা, গুলশান, বনানী, ভাটারা, ক্যান্টনমেন্ট ও খিলক্ষেত থানা থাকবে ঢাকা মহানগর-৪ ট্রাইব্যুনালের আওতায়।
এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে দুটি নারায়ণগঞ্জ-১ ও নারায়ণগঞ্জ-২ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলার জন্য একটি এবং চট্টগ্রাম মহানগরের জন্য তিনটি পৃথক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
মাদকপ্রবণ সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজারে গঠন করা হয়েছে তিনটি ট্রাইব্যুনাল। কক্সবাজার-১ ট্রাইব্যুনালের অধীনে থাকবে টেকনাফ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী থানা। উখিয়া, কক্সবাজার সদর ও ঈদগাঁও থানা নিয়ে গঠিত হয়েছে কক্সবাজার-২ ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্র। আর রামু, চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী থানা থাকবে কক্সবাজার-৩ ট্রাইব্যুনালের আওতায়।
কুমিল্লার জন্য গঠন করা হয়েছে দুটি ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী জেলা, রাজশাহী মহানগর, বগুড়া, দিনাজপুর ও যশোর জেলায় একটি করে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জারির তারিখ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর অধীনে ন্যূনতম পাঁচ বছর বা তার বেশি সাজাযোগ্য অপরাধসংক্রান্ত চলমান মামলাগুলো সংশ্লিষ্ট বর্তমান আদালত থেকে নবগঠিত ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হবে।
স্থানান্তরের সময় মামলাগুলো যে পর্যায়ে থাকবে, সেখান থেকেই নতুন ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য শুরু হবে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুসরণ করে মামলা স্থানান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।









