উখিয়ায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বাড়িতে গুলি, আহত ৫

উখিয়ায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বাড়িতে গুলি, আহত ৫
উখিয়া-টেকনাফ সংবাদদাতা

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়া এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক নারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ভাদিতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, গভীর রাতে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ সওদাগরের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা মুখোশধারী ছিল। এ সময় সন্ত্রাসীরা গ্রামবাসীকে লক্ষ্য করে ২০ থেকে ২৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ একের পর এক গুলির শব্দে পুরো গ্রাম কেঁপে ওঠে। প্রথমে কেউ বুঝে উঠতে পারেনি কী ঘটছে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা দলবদ্ধভাবে এগিয়ে আসেন।
অভিযোগ রয়েছে, উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দুল বশরের নেতৃত্বে এ হামলা সংঘটিত হয়।
ভুক্তভোগী চাল ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ সওদাগর বলেন, ঈদের আগে থেকেই আমাকে বারবার চাঁদা দিতে চাপ দিচ্ছিল। আমি ২০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তারা আমার বাড়িতে হামলা চালায়।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল বলেন, আমরা এগিয়ে না এলে হয়তো তারা লোকজনকে তুলে নিয়ে যেত। গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।
পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হতে হবে। নইলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করবে।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়া এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক নারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ভাদিতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, গভীর রাতে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ সওদাগরের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা মুখোশধারী ছিল। এ সময় সন্ত্রাসীরা গ্রামবাসীকে লক্ষ্য করে ২০ থেকে ২৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ একের পর এক গুলির শব্দে পুরো গ্রাম কেঁপে ওঠে। প্রথমে কেউ বুঝে উঠতে পারেনি কী ঘটছে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা দলবদ্ধভাবে এগিয়ে আসেন।
অভিযোগ রয়েছে, উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দুল বশরের নেতৃত্বে এ হামলা সংঘটিত হয়।
ভুক্তভোগী চাল ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ সওদাগর বলেন, ঈদের আগে থেকেই আমাকে বারবার চাঁদা দিতে চাপ দিচ্ছিল। আমি ২০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তারা আমার বাড়িতে হামলা চালায়।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল বলেন, আমরা এগিয়ে না এলে হয়তো তারা লোকজনকে তুলে নিয়ে যেত। গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।
পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হতে হবে। নইলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করবে।

উখিয়ায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বাড়িতে গুলি, আহত ৫
উখিয়া-টেকনাফ সংবাদদাতা

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ২০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়া এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক নারীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ভাদিতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, গভীর রাতে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ সওদাগরের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা মুখোশধারী ছিল। এ সময় সন্ত্রাসীরা গ্রামবাসীকে লক্ষ্য করে ২০ থেকে ২৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ একের পর এক গুলির শব্দে পুরো গ্রাম কেঁপে ওঠে। প্রথমে কেউ বুঝে উঠতে পারেনি কী ঘটছে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা দলবদ্ধভাবে এগিয়ে আসেন।
অভিযোগ রয়েছে, উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সৈয়দুল বশরের নেতৃত্বে এ হামলা সংঘটিত হয়।
ভুক্তভোগী চাল ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ সওদাগর বলেন, ঈদের আগে থেকেই আমাকে বারবার চাঁদা দিতে চাপ দিচ্ছিল। আমি ২০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় তারা আমার বাড়িতে হামলা চালায়।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল বলেন, আমরা এগিয়ে না এলে হয়তো তারা লোকজনকে তুলে নিয়ে যেত। গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।
পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হতে হবে। নইলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করবে।




