সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: গোলাম পরওয়ার

সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: গোলাম পরওয়ার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার বিচার অন্তর্বর্তী সরকার না করলে এবং দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ ও অবাধ হবে না।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাওলাগঞ্জ বাজার মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় গোলাম পরওয়ার বলেন, শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে। এটি নির্বাচনের প্রচার অভিযানের প্রথম হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনার বিচার করতে হবে। খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ কোনো দলের প্রার্থীদের ওপর যাতে হামলা না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেশ সহিংস হয়ে উঠলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না এবং ভোট কেন্দ্রে সন্ত্রাসের আশঙ্কা থাকবে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপির কিছু নেতার বক্তব্যে নারীদের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি দেখা যাচ্ছে। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করলে নারীদের ওপর হামলা ও হয়রানির কথা বলা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে যারা নারীদের গায়ে হাত তুলতে চায়, ক্ষমতায় গেলে তারা দেশের মানুষের সঙ্গে কী আচরণ করবে সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
জামায়াত নেতা আরও বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি জামায়াতের নেতাদের হত্যা করা হয়, তাহলে ক্ষমতায় গেলে হিন্দু-মুসলিম কারও জানমাল নিরাপদ থাকবে না। নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল বাশারের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন, সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. মহসিন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী আমজাদ হোসেন আশরাফী।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার বিচার অন্তর্বর্তী সরকার না করলে এবং দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ ও অবাধ হবে না।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাওলাগঞ্জ বাজার মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় গোলাম পরওয়ার বলেন, শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে। এটি নির্বাচনের প্রচার অভিযানের প্রথম হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনার বিচার করতে হবে। খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ কোনো দলের প্রার্থীদের ওপর যাতে হামলা না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেশ সহিংস হয়ে উঠলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না এবং ভোট কেন্দ্রে সন্ত্রাসের আশঙ্কা থাকবে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপির কিছু নেতার বক্তব্যে নারীদের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি দেখা যাচ্ছে। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করলে নারীদের ওপর হামলা ও হয়রানির কথা বলা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে যারা নারীদের গায়ে হাত তুলতে চায়, ক্ষমতায় গেলে তারা দেশের মানুষের সঙ্গে কী আচরণ করবে সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
জামায়াত নেতা আরও বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি জামায়াতের নেতাদের হত্যা করা হয়, তাহলে ক্ষমতায় গেলে হিন্দু-মুসলিম কারও জানমাল নিরাপদ থাকবে না। নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল বাশারের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন, সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. মহসিন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী আমজাদ হোসেন আশরাফী।

সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: গোলাম পরওয়ার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার বিচার অন্তর্বর্তী সরকার না করলে এবং দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ ও অবাধ হবে না।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাওলাগঞ্জ বাজার মাঠে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় গোলাম পরওয়ার বলেন, শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে বিএনপির সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে। এটি নির্বাচনের প্রচার অভিযানের প্রথম হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনার বিচার করতে হবে। খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীসহ কোনো দলের প্রার্থীদের ওপর যাতে হামলা না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেশ সহিংস হয়ে উঠলে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না এবং ভোট কেন্দ্রে সন্ত্রাসের আশঙ্কা থাকবে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপির কিছু নেতার বক্তব্যে নারীদের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি দেখা যাচ্ছে। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করলে নারীদের ওপর হামলা ও হয়রানির কথা বলা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে যারা নারীদের গায়ে হাত তুলতে চায়, ক্ষমতায় গেলে তারা দেশের মানুষের সঙ্গে কী আচরণ করবে সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
জামায়াত নেতা আরও বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি জামায়াতের নেতাদের হত্যা করা হয়, তাহলে ক্ষমতায় গেলে হিন্দু-মুসলিম কারও জানমাল নিরাপদ থাকবে না। নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল বাশারের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন, সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. মহসিন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী আমজাদ হোসেন আশরাফী।




