ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন
রুমিন ফারহানাকে জাতীয় পার্টির সমর্থন

রুমিন ফারহানাকে জাতীয় পার্টির সমর্থন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানার হাতে হাঁস প্রতীক তুলে দিয়ে এ সমর্থন জানান।
এসময় জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ ভাসানী বলেন, জাপা প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা মিথ্যা মামলা ও নানা ধরনের হুমকির মুখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রুমিন ফারহানার পক্ষে সাংগঠনিকভাবে মাঠে থাকবে জাতীয় পার্টি।
তিনি আরও বলেন, দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নির্দেশে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের রুমিন ফারহানার পক্ষে কাজ করতে বলা হয়েছে।
এসময় রুমিন ফারহানা বলেন, জাতীয় পার্টি প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সম্মিলিতভাবে ‘হাঁস’ প্রতীকের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমর্থন।
জাতীয় পার্টিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আসেনি। আগে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে এবং ভোটারদের রায়ের প্রতি সম্মান জানাতে হবে।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যেন পেশিশক্তি, কালো টাকা ও ভয় ভীতির মাধ্যমে ভোটারদের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়, সেটি এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন এবং সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি থাকা উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, আমার নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। গভীর রাতে ফোন করা হচ্ছে, অনেককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে কাজ করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। এতে এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।
তিনি কালো টাকার ব্যাপক ব্যবহারের বিষয়ে বলেন, বিএনপি সমর্থিত জোট প্রার্থী কয়েক কোটি টাকার বাজেট নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। এসব টাকা যে বিতরণ করা হচ্ছে– সেই তথ্য আমার কাছে আসছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি কামনা করি।
উল্লেখ্য, এর আগে গ্রেপ্তারের হুমকির অভিযোগ তুলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তিনি এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।
বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী রুমিন ফারহানা ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। তার প্রতীক ‘খেজুর গাছ’।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানার হাতে হাঁস প্রতীক তুলে দিয়ে এ সমর্থন জানান।
এসময় জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ ভাসানী বলেন, জাপা প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা মিথ্যা মামলা ও নানা ধরনের হুমকির মুখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রুমিন ফারহানার পক্ষে সাংগঠনিকভাবে মাঠে থাকবে জাতীয় পার্টি।
তিনি আরও বলেন, দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নির্দেশে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের রুমিন ফারহানার পক্ষে কাজ করতে বলা হয়েছে।
এসময় রুমিন ফারহানা বলেন, জাতীয় পার্টি প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সম্মিলিতভাবে ‘হাঁস’ প্রতীকের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমর্থন।
জাতীয় পার্টিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আসেনি। আগে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে এবং ভোটারদের রায়ের প্রতি সম্মান জানাতে হবে।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যেন পেশিশক্তি, কালো টাকা ও ভয় ভীতির মাধ্যমে ভোটারদের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়, সেটি এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন এবং সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি থাকা উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, আমার নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। গভীর রাতে ফোন করা হচ্ছে, অনেককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে কাজ করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। এতে এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।
তিনি কালো টাকার ব্যাপক ব্যবহারের বিষয়ে বলেন, বিএনপি সমর্থিত জোট প্রার্থী কয়েক কোটি টাকার বাজেট নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। এসব টাকা যে বিতরণ করা হচ্ছে– সেই তথ্য আমার কাছে আসছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি কামনা করি।
উল্লেখ্য, এর আগে গ্রেপ্তারের হুমকির অভিযোগ তুলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তিনি এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।
বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী রুমিন ফারহানা ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। তার প্রতীক ‘খেজুর গাছ’।

রুমিন ফারহানাকে জাতীয় পার্টির সমর্থন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানার হাতে হাঁস প্রতীক তুলে দিয়ে এ সমর্থন জানান।
এসময় জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ ভাসানী বলেন, জাপা প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা মিথ্যা মামলা ও নানা ধরনের হুমকির মুখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রুমিন ফারহানার পক্ষে সাংগঠনিকভাবে মাঠে থাকবে জাতীয় পার্টি।
তিনি আরও বলেন, দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর নির্দেশে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের রুমিন ফারহানার পক্ষে কাজ করতে বলা হয়েছে।
এসময় রুমিন ফারহানা বলেন, জাতীয় পার্টি প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সম্মিলিতভাবে ‘হাঁস’ প্রতীকের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সমর্থন।
জাতীয় পার্টিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আসেনি। আগে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে এবং ভোটারদের রায়ের প্রতি সম্মান জানাতে হবে।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে যেন পেশিশক্তি, কালো টাকা ও ভয় ভীতির মাধ্যমে ভোটারদের ভোটাধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়, সেটি এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন এবং সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি থাকা উচিত।
সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, আমার নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে। গভীর রাতে ফোন করা হচ্ছে, অনেককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্দিষ্ট প্রতীকের পক্ষে কাজ করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। এতে এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।
তিনি কালো টাকার ব্যাপক ব্যবহারের বিষয়ে বলেন, বিএনপি সমর্থিত জোট প্রার্থী কয়েক কোটি টাকার বাজেট নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। এসব টাকা যে বিতরণ করা হচ্ছে– সেই তথ্য আমার কাছে আসছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি কামনা করি।
উল্লেখ্য, এর আগে গ্রেপ্তারের হুমকির অভিযোগ তুলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তিনি এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।
বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী রুমিন ফারহানা ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। তার প্রতীক ‘খেজুর গাছ’।




