রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল কালশী

রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল কালশী
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে কালশীতে সড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে কালশী রোডের ফুলকলি ও আধুনিকের মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন তারা।
এ সময় ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’ সহ নানা স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা মেনে নেওয়া হবে না। তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিচার করে রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও দীর্ঘসূত্রতার কারণেই একের পর এক এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায়
দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠলে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর অপরাধের কথা স্বীকার করে ঘাতক সোহেল রানা জানিয়েছে, সে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় গলা কেটে হত্যা করেছে। এ বিষয়ে সে ইতোমধ্যেই আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে কালশীতে সড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে কালশী রোডের ফুলকলি ও আধুনিকের মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন তারা।
এ সময় ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’ সহ নানা স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা মেনে নেওয়া হবে না। তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিচার করে রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও দীর্ঘসূত্রতার কারণেই একের পর এক এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায়
দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠলে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর অপরাধের কথা স্বীকার করে ঘাতক সোহেল রানা জানিয়েছে, সে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় গলা কেটে হত্যা করেছে। এ বিষয়ে সে ইতোমধ্যেই আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল কালশী
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে কালশীতে সড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যার পর থেকে কালশী রোডের ফুলকলি ও আধুনিকের মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন তারা।
এ সময় ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’, ‘আমার বোন খুন হলো কেন?’ এবং ‘অপরাধীর আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’ সহ নানা স্লোগান দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, শিশু রামিসা হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা মেনে নেওয়া হবে না। তারা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিচার করে রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও দীর্ঘসূত্রতার কারণেই একের পর এক এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরবর্তীতে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায়
দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠলে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর অপরাধের কথা স্বীকার করে ঘাতক সোহেল রানা জানিয়েছে, সে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় গলা কেটে হত্যা করেছে। এ বিষয়ে সে ইতোমধ্যেই আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে রাজধানীতে সড়ক অবরোধ


