ময়নাতদন্ত ছাড়াই ৬ নবজাতকের মরদেহ হস্তান্তর

ময়নাতদন্ত ছাড়াই ৬ নবজাতকের মরদেহ হস্তান্তর
সিটিজেন ডেস্ক

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্বজনদের আবেগ ও লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ময়নাতদন্ত না করেই লাশ হস্তান্তরের এ সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে, এ ঘটনার বিপরীতে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৭ মে) রাতে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, নিহত ছয় নবজাতকের পরিবার শিশুদের ময়নাতদন্ত করতে সম্মত ছিল না। তাদের লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতেই মরদেহগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মামলার তদন্ত ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সিআইডির ক্রাইম সিন টিম এবং ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করেছে। ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা সম্ভব হবে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে রমনা মডেল থানায় এক অভিভাবক বাদী হয়ে মামলা করছেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে মামলার স্বার্থে ইতোমধ্যেই অনানুষ্ঠানিকভাবে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, যদিও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
এর আগে, আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ওই ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। স্বজনদের জোরালো অভিযোগ ওয়ার্ডের চরম অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকার কারণেই এ নিদারুণ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি জানান, বর্তমানে হাসপাতালটির এনআইসিইউতে আরও পাঁচ শিশু ভর্তি রয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসাধীন এসব শিশুর বর্তমান অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বিস্তারিত কিছু না বললেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে এনআইসিইউতে থাকা শিশুদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং তাদের শরীর ইতোমধ্যে নীল বর্ণ ধারণ করেছে।

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্বজনদের আবেগ ও লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ময়নাতদন্ত না করেই লাশ হস্তান্তরের এ সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে, এ ঘটনার বিপরীতে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৭ মে) রাতে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, নিহত ছয় নবজাতকের পরিবার শিশুদের ময়নাতদন্ত করতে সম্মত ছিল না। তাদের লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতেই মরদেহগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মামলার তদন্ত ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সিআইডির ক্রাইম সিন টিম এবং ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করেছে। ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা সম্ভব হবে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে রমনা মডেল থানায় এক অভিভাবক বাদী হয়ে মামলা করছেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে মামলার স্বার্থে ইতোমধ্যেই অনানুষ্ঠানিকভাবে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, যদিও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
এর আগে, আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ওই ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। স্বজনদের জোরালো অভিযোগ ওয়ার্ডের চরম অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকার কারণেই এ নিদারুণ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি জানান, বর্তমানে হাসপাতালটির এনআইসিইউতে আরও পাঁচ শিশু ভর্তি রয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসাধীন এসব শিশুর বর্তমান অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বিস্তারিত কিছু না বললেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে এনআইসিইউতে থাকা শিশুদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং তাদের শরীর ইতোমধ্যে নীল বর্ণ ধারণ করেছে।

ময়নাতদন্ত ছাড়াই ৬ নবজাতকের মরদেহ হস্তান্তর
সিটিজেন ডেস্ক

রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। স্বজনদের আবেগ ও লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ময়নাতদন্ত না করেই লাশ হস্তান্তরের এ সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে, এ ঘটনার বিপরীতে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৭ মে) রাতে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, নিহত ছয় নবজাতকের পরিবার শিশুদের ময়নাতদন্ত করতে সম্মত ছিল না। তাদের লিখিত অনুরোধের ভিত্তিতেই মরদেহগুলো বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মামলার তদন্ত ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সিআইডির ক্রাইম সিন টিম এবং ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করেছে। ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর আসল কারণ জানা সম্ভব হবে।
পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে রমনা মডেল থানায় এক অভিভাবক বাদী হয়ে মামলা করছেন। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে মামলার স্বার্থে ইতোমধ্যেই অনানুষ্ঠানিকভাবে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, যদিও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
এর আগে, আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ওই ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়। স্বজনদের জোরালো অভিযোগ ওয়ার্ডের চরম অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকার কারণেই এ নিদারুণ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। তিনি জানান, বর্তমানে হাসপাতালটির এনআইসিইউতে আরও পাঁচ শিশু ভর্তি রয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসাধীন এসব শিশুর বর্তমান অবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বিস্তারিত কিছু না বললেও, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে এনআইসিইউতে থাকা শিশুদের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং তাদের শরীর ইতোমধ্যে নীল বর্ণ ধারণ করেছে।

৬ নবজাতকের মৃত্যু: দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু, ঘটনাস্থলে সিআইডি

