ঢাবিতে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, শিবিরের ৪ দফা দাবি

ঢাবিতে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, শিবিরের ৪ দফা দাবি
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে প্রভোস্ট কর্তৃক অবরুদ্ধ করে নির্যাতন এবং পরবর্তীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ফেসবুকে যৌক্তিক সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়ার অপরাধে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে নিজের রুমে ডেকে আনেন ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন। সেখানে ইলেকট্রিশিয়ান মারুফ ও প্রধান সহকারী আরিফ হোসেনসহ কর্মচারীদের দিয়ে রুমের দরজা বন্ধ করে টানা দেড় ঘণ্টা ওই শিক্ষার্থীর ওপর অবর্ণনীয় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরবর্তীতে মোবাইল কেড়ে নেওয়া এবং সাইবার মামলার ভয় দেখিয়ে হল সংসদের ভিপি, জিএস ও এজিএসের প্ররোচনায় এই পোস্ট দেওয়া হয়েছে মর্মে একটি মিথ্যা জবানবন্দিতে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবি জানালে প্রশাসন টানা ৭ ঘণ্টা কালক্ষেপণ করে। পরবর্তীতে প্রক্টর ও প্রো-ভিসিদের উদ্ধার করার নামে শহীদুল্লাহ্ হল ও ফজলুল হক হল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে ফজলুল হক হলের ভিপি খন্দকার মো. আবু নাঈম, জিএস ইমামুল হাসান, পাঠকক্ষ সম্পাদক মো. তায়েফ, মুজিব হলের জিএস আহমেদ আল সাবাহ এবং শহীদুল্লাহ হলের সমাজসেবা সম্পাদক সাজু মিয়াসহ প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন।
ছাত্রশিবিরের পক্ষ আরও বলা হয়, এটি কোনো ‘শিবির-ছাত্রদল সংঘাত’ নয়, বরং প্রশাসনের মদদে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের একপাক্ষিক সন্ত্রাসী হামলা।
সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এসময় দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় সংগঠনটি।
তাদের দাবিগুলো হলো:
প্রভোস্টের অব্যাহতি ও শাস্তি: শিক্ষার্থী নির্যাতন, জোরপূর্বক মিথ্যা জবানবন্দি আদায় ও হামলাকারীদের মদদ দেওয়ার অপরাধে প্রভোস্ট ড. ইলিয়াস আল মামুনকে আজীবনের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
জড়িত কর্মচারীদের বহিষ্কার: শিক্ষার্থীর ওপর শারীরিক নির্যাতন ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার সাথে যুক্ত স্টাফ মারুফ ও আরিফ হোসেনসহ অন্যদের চাকরিচ্যুত করতে হবে।
হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত হামলাকারী ছাত্রদল কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ও তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে হবে।
নিরাপদ ক্যাম্পাস: শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে কোনো ছাত্রসংগঠন যেন প্রশাসনের লাঠিয়াল হিসেবে পেশিশক্তি ব্যবহার করতে না পারে, তার লিখিত গ্যারান্টি দিতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে প্রভোস্ট কর্তৃক অবরুদ্ধ করে নির্যাতন এবং পরবর্তীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ফেসবুকে যৌক্তিক সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়ার অপরাধে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে নিজের রুমে ডেকে আনেন ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন। সেখানে ইলেকট্রিশিয়ান মারুফ ও প্রধান সহকারী আরিফ হোসেনসহ কর্মচারীদের দিয়ে রুমের দরজা বন্ধ করে টানা দেড় ঘণ্টা ওই শিক্ষার্থীর ওপর অবর্ণনীয় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরবর্তীতে মোবাইল কেড়ে নেওয়া এবং সাইবার মামলার ভয় দেখিয়ে হল সংসদের ভিপি, জিএস ও এজিএসের প্ররোচনায় এই পোস্ট দেওয়া হয়েছে মর্মে একটি মিথ্যা জবানবন্দিতে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবি জানালে প্রশাসন টানা ৭ ঘণ্টা কালক্ষেপণ করে। পরবর্তীতে প্রক্টর ও প্রো-ভিসিদের উদ্ধার করার নামে শহীদুল্লাহ্ হল ও ফজলুল হক হল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে ফজলুল হক হলের ভিপি খন্দকার মো. আবু নাঈম, জিএস ইমামুল হাসান, পাঠকক্ষ সম্পাদক মো. তায়েফ, মুজিব হলের জিএস আহমেদ আল সাবাহ এবং শহীদুল্লাহ হলের সমাজসেবা সম্পাদক সাজু মিয়াসহ প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন।
ছাত্রশিবিরের পক্ষ আরও বলা হয়, এটি কোনো ‘শিবির-ছাত্রদল সংঘাত’ নয়, বরং প্রশাসনের মদদে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের একপাক্ষিক সন্ত্রাসী হামলা।
সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এসময় দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় সংগঠনটি।
তাদের দাবিগুলো হলো:
প্রভোস্টের অব্যাহতি ও শাস্তি: শিক্ষার্থী নির্যাতন, জোরপূর্বক মিথ্যা জবানবন্দি আদায় ও হামলাকারীদের মদদ দেওয়ার অপরাধে প্রভোস্ট ড. ইলিয়াস আল মামুনকে আজীবনের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
জড়িত কর্মচারীদের বহিষ্কার: শিক্ষার্থীর ওপর শারীরিক নির্যাতন ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার সাথে যুক্ত স্টাফ মারুফ ও আরিফ হোসেনসহ অন্যদের চাকরিচ্যুত করতে হবে।
হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত হামলাকারী ছাত্রদল কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ও তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে হবে।
নিরাপদ ক্যাম্পাস: শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে কোনো ছাত্রসংগঠন যেন প্রশাসনের লাঠিয়াল হিসেবে পেশিশক্তি ব্যবহার করতে না পারে, তার লিখিত গ্যারান্টি দিতে হবে।

ঢাবিতে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ, শিবিরের ৪ দফা দাবি
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে প্রভোস্ট কর্তৃক অবরুদ্ধ করে নির্যাতন এবং পরবর্তীতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ফেসবুকে যৌক্তিক সমালোচনা করে পোস্ট দেওয়ার অপরাধে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে নিজের রুমে ডেকে আনেন ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন। সেখানে ইলেকট্রিশিয়ান মারুফ ও প্রধান সহকারী আরিফ হোসেনসহ কর্মচারীদের দিয়ে রুমের দরজা বন্ধ করে টানা দেড় ঘণ্টা ওই শিক্ষার্থীর ওপর অবর্ণনীয় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরবর্তীতে মোবাইল কেড়ে নেওয়া এবং সাইবার মামলার ভয় দেখিয়ে হল সংসদের ভিপি, জিএস ও এজিএসের প্ররোচনায় এই পোস্ট দেওয়া হয়েছে মর্মে একটি মিথ্যা জবানবন্দিতে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবি জানালে প্রশাসন টানা ৭ ঘণ্টা কালক্ষেপণ করে। পরবর্তীতে প্রক্টর ও প্রো-ভিসিদের উদ্ধার করার নামে শহীদুল্লাহ্ হল ও ফজলুল হক হল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে ফজলুল হক হলের ভিপি খন্দকার মো. আবু নাঈম, জিএস ইমামুল হাসান, পাঠকক্ষ সম্পাদক মো. তায়েফ, মুজিব হলের জিএস আহমেদ আল সাবাহ এবং শহীদুল্লাহ হলের সমাজসেবা সম্পাদক সাজু মিয়াসহ প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন।
ছাত্রশিবিরের পক্ষ আরও বলা হয়, এটি কোনো ‘শিবির-ছাত্রদল সংঘাত’ নয়, বরং প্রশাসনের মদদে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের একপাক্ষিক সন্ত্রাসী হামলা।
সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এসময় দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেয় সংগঠনটি।
তাদের দাবিগুলো হলো:
প্রভোস্টের অব্যাহতি ও শাস্তি: শিক্ষার্থী নির্যাতন, জোরপূর্বক মিথ্যা জবানবন্দি আদায় ও হামলাকারীদের মদদ দেওয়ার অপরাধে প্রভোস্ট ড. ইলিয়াস আল মামুনকে আজীবনের জন্য প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
জড়িত কর্মচারীদের বহিষ্কার: শিক্ষার্থীর ওপর শারীরিক নির্যাতন ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার সাথে যুক্ত স্টাফ মারুফ ও আরিফ হোসেনসহ অন্যদের চাকরিচ্যুত করতে হবে।
হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত হামলাকারী ছাত্রদল কর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ও তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে হবে।
নিরাপদ ক্যাম্পাস: শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে কোনো ছাত্রসংগঠন যেন প্রশাসনের লাঠিয়াল হিসেবে পেশিশক্তি ব্যবহার করতে না পারে, তার লিখিত গ্যারান্টি দিতে হবে।









