জবিতে সমকামী শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারসহ ৮ দফা দাবি ছাত্র মজলিসের

জবিতে সমকামী শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারসহ ৮ দফা দাবি ছাত্র মজলিসের
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রস্তাবিত কোড অব কন্ডাক্টে সমকামী বা এলজিবিটিকিউ পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে শাখা খেলাফত ছাত্র মজলিস। একই সঙ্গে এ ধরনের বিষয় প্রচারকারী সন্দেহভাজন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সজীব আহমেদ ও সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট এসব দাবি জানান।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের সহিংসতা, হামলা, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য, সাংগঠনিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন হয়রানি, হুমকি বা আক্রমণের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বজনপ্রীতি বন্ধের দাবিও জানানো হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় ক্যাম্পাসে অস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে– এমন কোনো উপকরণ বহন নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী নিষিদ্ধ কোনো সংগঠন বা কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তৃতীয় দফায় বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচয় যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়েছে। ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি একাধিক বহিরাগতকে সমঝোতার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করানোর আগে প্রক্টরের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
চতুর্থ দফায় প্রত্যেক ছাত্রসংগঠনের সদস্যদের জন্য আচরণবিধি বা শৃঙ্খলাবিধি প্রণয়ন এবং তা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা কর্মীর ব্যক্তিগত অপরাধকে কোনো সংগঠন যেন সমর্থন বা প্রশ্রয় না দেয়, সে বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
পঞ্চম দফায় ক্যাম্পাসের শান্তি, নিরাপত্তা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জকসুর সমন্বয়ে স্থায়ী ‘শান্তি ও সহাবস্থান মনিটরিং কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিটিটি নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে বলে জানানো হয়েছে।
ষষ্ঠ দফায় কোনো ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সেবন বা আসক্তির অভিযোগ উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং সেন্টারের মাধ্যমে তা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত বা অনবরত অস্বাভাবিক আচরণের ক্ষেত্রে বহিষ্কারের বিধান এবং নির্দিষ্ট সময় পুনর্বাসন কর্মসূচিতে থাকার পর রিহ্যাবিলিটেশন সনদ দেখাতে পারলে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সপ্তম দফায় প্রতি মাসে অন্তত একবার ভিসি কনফারেন্স রুমে সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সৌজন্য সাক্ষাতের আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি তিন মাসে একটি সমন্বয় সভা আয়োজনের প্রস্তাবও করা হয়েছে।
অষ্টম দফায় ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সৌজন্যতা বিনষ্ট করে এমন উস্কানিমূলক, মানহানিকর বা বিভ্রান্তিকর অপতথ্য ছড়ানোর উৎস হিসেবে চিহ্নিত অনলাইন পেজ, গ্রুপ বা আইডি শনাক্ত করে প্রচলিত আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি জানায়, এসব দাবি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে এসব বিষয় নীতিমালা হিসেবে অনুমোদন ও কার্যকর করার দাবি জানানো হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রস্তাবিত কোড অব কন্ডাক্টে সমকামী বা এলজিবিটিকিউ পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে শাখা খেলাফত ছাত্র মজলিস। একই সঙ্গে এ ধরনের বিষয় প্রচারকারী সন্দেহভাজন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সজীব আহমেদ ও সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট এসব দাবি জানান।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের সহিংসতা, হামলা, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য, সাংগঠনিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন হয়রানি, হুমকি বা আক্রমণের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বজনপ্রীতি বন্ধের দাবিও জানানো হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় ক্যাম্পাসে অস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে– এমন কোনো উপকরণ বহন নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী নিষিদ্ধ কোনো সংগঠন বা কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তৃতীয় দফায় বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচয় যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়েছে। ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি একাধিক বহিরাগতকে সমঝোতার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করানোর আগে প্রক্টরের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
চতুর্থ দফায় প্রত্যেক ছাত্রসংগঠনের সদস্যদের জন্য আচরণবিধি বা শৃঙ্খলাবিধি প্রণয়ন এবং তা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা কর্মীর ব্যক্তিগত অপরাধকে কোনো সংগঠন যেন সমর্থন বা প্রশ্রয় না দেয়, সে বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
পঞ্চম দফায় ক্যাম্পাসের শান্তি, নিরাপত্তা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জকসুর সমন্বয়ে স্থায়ী ‘শান্তি ও সহাবস্থান মনিটরিং কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিটিটি নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে বলে জানানো হয়েছে।
ষষ্ঠ দফায় কোনো ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সেবন বা আসক্তির অভিযোগ উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং সেন্টারের মাধ্যমে তা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত বা অনবরত অস্বাভাবিক আচরণের ক্ষেত্রে বহিষ্কারের বিধান এবং নির্দিষ্ট সময় পুনর্বাসন কর্মসূচিতে থাকার পর রিহ্যাবিলিটেশন সনদ দেখাতে পারলে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সপ্তম দফায় প্রতি মাসে অন্তত একবার ভিসি কনফারেন্স রুমে সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সৌজন্য সাক্ষাতের আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি তিন মাসে একটি সমন্বয় সভা আয়োজনের প্রস্তাবও করা হয়েছে।
অষ্টম দফায় ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সৌজন্যতা বিনষ্ট করে এমন উস্কানিমূলক, মানহানিকর বা বিভ্রান্তিকর অপতথ্য ছড়ানোর উৎস হিসেবে চিহ্নিত অনলাইন পেজ, গ্রুপ বা আইডি শনাক্ত করে প্রচলিত আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি জানায়, এসব দাবি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে এসব বিষয় নীতিমালা হিসেবে অনুমোদন ও কার্যকর করার দাবি জানানো হয়েছে।

জবিতে সমকামী শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারসহ ৮ দফা দাবি ছাত্র মজলিসের
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রস্তাবিত কোড অব কন্ডাক্টে সমকামী বা এলজিবিটিকিউ পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে শাখা খেলাফত ছাত্র মজলিস। একই সঙ্গে এ ধরনের বিষয় প্রচারকারী সন্দেহভাজন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক সজীব আহমেদ ও সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট এসব দাবি জানান।
দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে– বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের সহিংসতা, হামলা, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য, সাংগঠনিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন হয়রানি, হুমকি বা আক্রমণের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বজনপ্রীতি বন্ধের দাবিও জানানো হয়েছে।
দ্বিতীয় দফায় ক্যাম্পাসে অস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে– এমন কোনো উপকরণ বহন নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী নিষিদ্ধ কোনো সংগঠন বা কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তৃতীয় দফায় বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচয় যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়েছে। ক্যাম্পাসের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি একাধিক বহিরাগতকে সমঝোতার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করানোর আগে প্রক্টরের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
চতুর্থ দফায় প্রত্যেক ছাত্রসংগঠনের সদস্যদের জন্য আচরণবিধি বা শৃঙ্খলাবিধি প্রণয়ন এবং তা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা কর্মীর ব্যক্তিগত অপরাধকে কোনো সংগঠন যেন সমর্থন বা প্রশ্রয় না দেয়, সে বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
পঞ্চম দফায় ক্যাম্পাসের শান্তি, নিরাপত্তা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও জকসুর সমন্বয়ে স্থায়ী ‘শান্তি ও সহাবস্থান মনিটরিং কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। কমিটিটি নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে বলে জানানো হয়েছে।
ষষ্ঠ দফায় কোনো ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সেবন বা আসক্তির অভিযোগ উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং সেন্টারের মাধ্যমে তা তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত বা অনবরত অস্বাভাবিক আচরণের ক্ষেত্রে বহিষ্কারের বিধান এবং নির্দিষ্ট সময় পুনর্বাসন কর্মসূচিতে থাকার পর রিহ্যাবিলিটেশন সনদ দেখাতে পারলে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
সপ্তম দফায় প্রতি মাসে অন্তত একবার ভিসি কনফারেন্স রুমে সব ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সৌজন্য সাক্ষাতের আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি তিন মাসে একটি সমন্বয় সভা আয়োজনের প্রস্তাবও করা হয়েছে।
অষ্টম দফায় ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে সৌজন্যতা বিনষ্ট করে এমন উস্কানিমূলক, মানহানিকর বা বিভ্রান্তিকর অপতথ্য ছড়ানোর উৎস হিসেবে চিহ্নিত অনলাইন পেজ, গ্রুপ বা আইডি শনাক্ত করে প্রচলিত আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি জানায়, এসব দাবি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে এসব বিষয় নীতিমালা হিসেবে অনুমোদন ও কার্যকর করার দাবি জানানো হয়েছে।

জবিতে হামলার নেপথ্যে কি টেন্ডার দ্বন্দ্ব







