ধর্ষণের বিচার না হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি জকসুর
জবি প্রতিনিধি

ধর্ষণের বিচার না হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি জকসুর
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০২: ০৮

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় বিচারহীনতা চলতে থাকলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। সম্প্রতি রাজধানীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এ দাবি জানায় সংগঠনটির নেতারা।
বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ধর্ষণের ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন জকসুর নেতারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘আছিয়া থেকে রামিছা, কোর্ট-কাছারি সব মিছা’, ‘ধর্ষকদের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে’-সহ বিভিন্ন স্লোগানে দিতে দেখা যায়।
মিছিল শেষে বক্তারা বলেন, দেশে একের পর এক ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। গত ৫ আগস্টের পর থেকে হওয়া যেকোনো বিচার আমাদের দেশে হয়নি। যদি সেদিন আছিয়ার বিচার হতো তাহলে হয়তো আজ আমাদের বোন রামিছার এই অবস্থা হতো না। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই ধর্ষকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। শিশু রামিসার মতো নির্মম ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
এসময় জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজ রহমান বলেন, রাষ্ট্র যদি একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই রাষ্ট্রব্যবস্থার দায় সরকার এড়াতে পারে না। বিগত সময়ে সেই রায়গুলোই বাস্তবায়িত হয়েছে যে রায়গুলো রাজনৈতিক মদদপুষ্ট। জকসুর পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই, যদি বিচার করতে না পারেন বাংলাদেশ থেকে চলে যান।
তিনি আরও বলেন, শুধু গ্রেপ্তার দেখিয়ে দায় শেষ করলে হবে না, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়া যেন কোনোভাবেই কাজ না করে, সে বিষয়েও প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধের দাবি জানান।
এদিকে, সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ধর্ষণের ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন জকসুর নেতারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘আছিয়া থেকে রামিছা, কোর্ট-কাছারি সব মিছা’, ‘ধর্ষকদের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে’-সহ বিভিন্ন স্লোগানে দিতে দেখা যায়।
মিছিল শেষে বক্তারা বলেন, দেশে একের পর এক ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। গত ৫ আগস্টের পর থেকে হওয়া যেকোনো বিচার আমাদের দেশে হয়নি। যদি সেদিন আছিয়ার বিচার হতো তাহলে হয়তো আজ আমাদের বোন রামিছার এই অবস্থা হতো না। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই ধর্ষকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। শিশু রামিসার মতো নির্মম ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
এসময় জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজ রহমান বলেন, রাষ্ট্র যদি একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই রাষ্ট্রব্যবস্থার দায় সরকার এড়াতে পারে না। বিগত সময়ে সেই রায়গুলোই বাস্তবায়িত হয়েছে যে রায়গুলো রাজনৈতিক মদদপুষ্ট। জকসুর পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই, যদি বিচার করতে না পারেন বাংলাদেশ থেকে চলে যান।
তিনি আরও বলেন, শুধু গ্রেপ্তার দেখিয়ে দায় শেষ করলে হবে না, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়া যেন কোনোভাবেই কাজ না করে, সে বিষয়েও প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধের দাবি জানান।
এদিকে, সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় বিচারহীনতা চলতে থাকলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। সম্প্রতি রাজধানীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এ দাবি জানায় সংগঠনটির নেতারা।
বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ধর্ষণের ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন জকসুর নেতারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘আছিয়া থেকে রামিছা, কোর্ট-কাছারি সব মিছা’, ‘ধর্ষকদের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে’-সহ বিভিন্ন স্লোগানে দিতে দেখা যায়।
মিছিল শেষে বক্তারা বলেন, দেশে একের পর এক ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। গত ৫ আগস্টের পর থেকে হওয়া যেকোনো বিচার আমাদের দেশে হয়নি। যদি সেদিন আছিয়ার বিচার হতো তাহলে হয়তো আজ আমাদের বোন রামিছার এই অবস্থা হতো না। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই ধর্ষকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। শিশু রামিসার মতো নির্মম ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
এসময় জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজ রহমান বলেন, রাষ্ট্র যদি একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই রাষ্ট্রব্যবস্থার দায় সরকার এড়াতে পারে না। বিগত সময়ে সেই রায়গুলোই বাস্তবায়িত হয়েছে যে রায়গুলো রাজনৈতিক মদদপুষ্ট। জকসুর পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই, যদি বিচার করতে না পারেন বাংলাদেশ থেকে চলে যান।
তিনি আরও বলেন, শুধু গ্রেপ্তার দেখিয়ে দায় শেষ করলে হবে না, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়া যেন কোনোভাবেই কাজ না করে, সে বিষয়েও প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধের দাবি জানান।
এদিকে, সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ধর্ষণের ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন জকসুর নেতারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘আছিয়া থেকে রামিছা, কোর্ট-কাছারি সব মিছা’, ‘ধর্ষকদের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে’-সহ বিভিন্ন স্লোগানে দিতে দেখা যায়।
মিছিল শেষে বক্তারা বলেন, দেশে একের পর এক ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। গত ৫ আগস্টের পর থেকে হওয়া যেকোনো বিচার আমাদের দেশে হয়নি। যদি সেদিন আছিয়ার বিচার হতো তাহলে হয়তো আজ আমাদের বোন রামিছার এই অবস্থা হতো না। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই ধর্ষকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। শিশু রামিসার মতো নির্মম ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
এসময় জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজ রহমান বলেন, রাষ্ট্র যদি একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই রাষ্ট্রব্যবস্থার দায় সরকার এড়াতে পারে না। বিগত সময়ে সেই রায়গুলোই বাস্তবায়িত হয়েছে যে রায়গুলো রাজনৈতিক মদদপুষ্ট। জকসুর পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই, যদি বিচার করতে না পারেন বাংলাদেশ থেকে চলে যান।
তিনি আরও বলেন, শুধু গ্রেপ্তার দেখিয়ে দায় শেষ করলে হবে না, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়া যেন কোনোভাবেই কাজ না করে, সে বিষয়েও প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধের দাবি জানান।
এদিকে, সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ধর্ষণের বিচার না হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগের হুঁশিয়ারি জকসুর
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ০২: ০৮

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় বিচারহীনতা চলতে থাকলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। সম্প্রতি রাজধানীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এ দাবি জানায় সংগঠনটির নেতারা।
বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ধর্ষণের ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন জকসুর নেতারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘আছিয়া থেকে রামিছা, কোর্ট-কাছারি সব মিছা’, ‘ধর্ষকদের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে’-সহ বিভিন্ন স্লোগানে দিতে দেখা যায়।
মিছিল শেষে বক্তারা বলেন, দেশে একের পর এক ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। গত ৫ আগস্টের পর থেকে হওয়া যেকোনো বিচার আমাদের দেশে হয়নি। যদি সেদিন আছিয়ার বিচার হতো তাহলে হয়তো আজ আমাদের বোন রামিছার এই অবস্থা হতো না। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই ধর্ষকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। শিশু রামিসার মতো নির্মম ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
এসময় জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজ রহমান বলেন, রাষ্ট্র যদি একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই রাষ্ট্রব্যবস্থার দায় সরকার এড়াতে পারে না। বিগত সময়ে সেই রায়গুলোই বাস্তবায়িত হয়েছে যে রায়গুলো রাজনৈতিক মদদপুষ্ট। জকসুর পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই, যদি বিচার করতে না পারেন বাংলাদেশ থেকে চলে যান।
তিনি আরও বলেন, শুধু গ্রেপ্তার দেখিয়ে দায় শেষ করলে হবে না, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়া যেন কোনোভাবেই কাজ না করে, সে বিষয়েও প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধের দাবি জানান।
এদিকে, সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ধর্ষণের ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন জকসুর নেতারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘আছিয়া থেকে রামিছা, কোর্ট-কাছারি সব মিছা’, ‘ধর্ষকদের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে’-সহ বিভিন্ন স্লোগানে দিতে দেখা যায়।
মিছিল শেষে বক্তারা বলেন, দেশে একের পর এক ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। গত ৫ আগস্টের পর থেকে হওয়া যেকোনো বিচার আমাদের দেশে হয়নি। যদি সেদিন আছিয়ার বিচার হতো তাহলে হয়তো আজ আমাদের বোন রামিছার এই অবস্থা হতো না। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই ধর্ষকরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। শিশু রামিসার মতো নির্মম ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
এসময় জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাফিজ রহমান বলেন, রাষ্ট্র যদি একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই রাষ্ট্রব্যবস্থার দায় সরকার এড়াতে পারে না। বিগত সময়ে সেই রায়গুলোই বাস্তবায়িত হয়েছে যে রায়গুলো রাজনৈতিক মদদপুষ্ট। জকসুর পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই, যদি বিচার করতে না পারেন বাংলাদেশ থেকে চলে যান।
তিনি আরও বলেন, শুধু গ্রেপ্তার দেখিয়ে দায় শেষ করলে হবে না, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়া যেন কোনোভাবেই কাজ না করে, সে বিষয়েও প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা জোরদার এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধের দাবি জানান।
এদিকে, সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
/এমআর/




