ছুটি নিয়ে ফেরেননি ২৮ শিক্ষক, ৯ কোটি টাকা ফেরত চায় জবি প্রশাসন

ছুটি নিয়ে ফেরেননি ২৮ শিক্ষক, ৯ কোটি টাকা ফেরত চায় জবি প্রশাসন
জবি সংবাদদাতা

বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষাছুটিতে গিয়ে চুক্তির মেয়াদ শেষেও কর্মস্থলে যোগ দেননি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২৮ শিক্ষক। এসব শিক্ষকের কাছে নয় কোটি টাকারও বেশি বকেয়া পাবে বিশ্ববিদ্যালয়। বিপুল এই অর্থ আদায়ে অনুপস্থিত শিক্ষকদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়ে কর্তৃপক্ষ।
তবে অভিযোগ উঠেছে, কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়নি। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকরা বাধা হয়ে দাঁড়ান বলেও জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৬৮০ জন শিক্ষক রয়েছে। তাদের মধ্যে বর্তমানে ১৩২ জন শিক্ষাছুটিতে আছেন, যা মোট শিক্ষকের প্রায় ২০ শতাংশ। এসব শিক্ষকের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ছুটি শেষ হলেও কর্মস্থলে যোগ দেননি ২৮ শিক্ষক।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব শিক্ষকের কাছে বকেয়া থাকা নয় কোটি টাকারও বেশি অর্থ আদায় অথবা চাকরিতে যোগদানের বিষয়ে ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। অনুপস্থিত শিক্ষকদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চাকরিতে যোগদান না করলে ছুটিকালীন সময়ে নেওয়া সব ধরনের বেতন ও বোনাস ফেরত দিতে হবে। পাশাপাশি বকেয়া আদায়ে প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নিতেও প্রস্তুত রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী, সহকারী এবং সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার শিক্ষকরা সাধারণত বেশি শিক্ষাছুটি গ্রহণ করেন। শিক্ষাছুটিতে যাওয়ার সময় প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে বন্ডে স্বাক্ষর (প্রতিশ্রুতিপত্র) নেওয়া হয় যে, ছুটি শেষে তারা অবশ্যই চাকরিতে ফিরবেন। এই শর্তেই তারা ছুটিকালীন বেতন-ভাতাসহ বোনাস সুবিধা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বারবার চিঠি দেওয়ার পরও ২৮ শিক্ষক কোনো সাড়া দিচ্ছেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, একেকজন শিক্ষকের ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত বকেয়া রয়েছে। যার মোট পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি। তবে নোটিশ পাঠানোর পর দু-একজন শিক্ষক অর্থ ফেরত ও চাকরি ছাড়ার সম্মতি জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা শাখা সূত্রে জানা গেছে, একজন সহযোগী অধ্যাপক পাঁচ বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা বেতন পান। শিক্ষাছুটিতে যাওয়ার আগে একটি নির্দিষ্ট অর্থ বন্ড হিসেবে রাখা যেতে পারে। সাক্ষী রাখার প্রক্রিয়া আরও কঠিন করা উচিত, যেন শিক্ষক ফিরে না এলে সাক্ষীর ওপর চাপ প্রয়োগ করা যায়। তবুও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল অর্থ শিক্ষকদের কাছে বকেয়া থাকা নিয়ে নানা- সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় না হওয়ার পেছনে কর্তৃপক্ষের উদাসিনতাকে দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিযোগ, কেয়া টাকা আদায়ের ব্যাপারে অর্থ ও হিসাব দপ্তর এবং রেজিস্ট্রার দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। এমনকি এর আগেও বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের জানানো হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি।
শুধু তাই নয়, অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শিক্ষকদের একাংশের অসহযোগিতা ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক জানান, শিক্ষকরা বিদেশে গবেষণার মাধ্যমে যে জ্ঞান অর্জন করছেন, তা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন বলেন, সব হিসাব নিখুঁতভাবে সমষ্টি করলে শিক্ষকদের কাছে বকেয়া টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বর্তমান প্রশাসন বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। সবাইকে ইতোমধ্যেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তারা চাকরিতে যোগদান না করলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো অর্থ ফেরত দিতে হবে। প্রয়োজনে অর্থ আদায়ে আইনি ব্যবস্থা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষাছুটিতে গিয়ে চুক্তির মেয়াদ শেষেও কর্মস্থলে যোগ দেননি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২৮ শিক্ষক। এসব শিক্ষকের কাছে নয় কোটি টাকারও বেশি বকেয়া পাবে বিশ্ববিদ্যালয়। বিপুল এই অর্থ আদায়ে অনুপস্থিত শিক্ষকদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়ে কর্তৃপক্ষ।
তবে অভিযোগ উঠেছে, কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়নি। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকরা বাধা হয়ে দাঁড়ান বলেও জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৬৮০ জন শিক্ষক রয়েছে। তাদের মধ্যে বর্তমানে ১৩২ জন শিক্ষাছুটিতে আছেন, যা মোট শিক্ষকের প্রায় ২০ শতাংশ। এসব শিক্ষকের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ছুটি শেষ হলেও কর্মস্থলে যোগ দেননি ২৮ শিক্ষক।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব শিক্ষকের কাছে বকেয়া থাকা নয় কোটি টাকারও বেশি অর্থ আদায় অথবা চাকরিতে যোগদানের বিষয়ে ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। অনুপস্থিত শিক্ষকদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চাকরিতে যোগদান না করলে ছুটিকালীন সময়ে নেওয়া সব ধরনের বেতন ও বোনাস ফেরত দিতে হবে। পাশাপাশি বকেয়া আদায়ে প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নিতেও প্রস্তুত রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী, সহকারী এবং সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার শিক্ষকরা সাধারণত বেশি শিক্ষাছুটি গ্রহণ করেন। শিক্ষাছুটিতে যাওয়ার সময় প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে বন্ডে স্বাক্ষর (প্রতিশ্রুতিপত্র) নেওয়া হয় যে, ছুটি শেষে তারা অবশ্যই চাকরিতে ফিরবেন। এই শর্তেই তারা ছুটিকালীন বেতন-ভাতাসহ বোনাস সুবিধা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বারবার চিঠি দেওয়ার পরও ২৮ শিক্ষক কোনো সাড়া দিচ্ছেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, একেকজন শিক্ষকের ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত বকেয়া রয়েছে। যার মোট পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি। তবে নোটিশ পাঠানোর পর দু-একজন শিক্ষক অর্থ ফেরত ও চাকরি ছাড়ার সম্মতি জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা শাখা সূত্রে জানা গেছে, একজন সহযোগী অধ্যাপক পাঁচ বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা বেতন পান। শিক্ষাছুটিতে যাওয়ার আগে একটি নির্দিষ্ট অর্থ বন্ড হিসেবে রাখা যেতে পারে। সাক্ষী রাখার প্রক্রিয়া আরও কঠিন করা উচিত, যেন শিক্ষক ফিরে না এলে সাক্ষীর ওপর চাপ প্রয়োগ করা যায়। তবুও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল অর্থ শিক্ষকদের কাছে বকেয়া থাকা নিয়ে নানা- সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় না হওয়ার পেছনে কর্তৃপক্ষের উদাসিনতাকে দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিযোগ, কেয়া টাকা আদায়ের ব্যাপারে অর্থ ও হিসাব দপ্তর এবং রেজিস্ট্রার দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। এমনকি এর আগেও বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের জানানো হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি।
শুধু তাই নয়, অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শিক্ষকদের একাংশের অসহযোগিতা ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক জানান, শিক্ষকরা বিদেশে গবেষণার মাধ্যমে যে জ্ঞান অর্জন করছেন, তা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন বলেন, সব হিসাব নিখুঁতভাবে সমষ্টি করলে শিক্ষকদের কাছে বকেয়া টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বর্তমান প্রশাসন বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। সবাইকে ইতোমধ্যেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তারা চাকরিতে যোগদান না করলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো অর্থ ফেরত দিতে হবে। প্রয়োজনে অর্থ আদায়ে আইনি ব্যবস্থা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ছুটি নিয়ে ফেরেননি ২৮ শিক্ষক, ৯ কোটি টাকা ফেরত চায় জবি প্রশাসন
জবি সংবাদদাতা

বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষাছুটিতে গিয়ে চুক্তির মেয়াদ শেষেও কর্মস্থলে যোগ দেননি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২৮ শিক্ষক। এসব শিক্ষকের কাছে নয় কোটি টাকারও বেশি বকেয়া পাবে বিশ্ববিদ্যালয়। বিপুল এই অর্থ আদায়ে অনুপস্থিত শিক্ষকদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়ে কর্তৃপক্ষ।
তবে অভিযোগ উঠেছে, কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়নি। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকরা বাধা হয়ে দাঁড়ান বলেও জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৬৮০ জন শিক্ষক রয়েছে। তাদের মধ্যে বর্তমানে ১৩২ জন শিক্ষাছুটিতে আছেন, যা মোট শিক্ষকের প্রায় ২০ শতাংশ। এসব শিক্ষকের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ছুটি শেষ হলেও কর্মস্থলে যোগ দেননি ২৮ শিক্ষক।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব শিক্ষকের কাছে বকেয়া থাকা নয় কোটি টাকারও বেশি অর্থ আদায় অথবা চাকরিতে যোগদানের বিষয়ে ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। অনুপস্থিত শিক্ষকদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চাকরিতে যোগদান না করলে ছুটিকালীন সময়ে নেওয়া সব ধরনের বেতন ও বোনাস ফেরত দিতে হবে। পাশাপাশি বকেয়া আদায়ে প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নিতেও প্রস্তুত রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী, সহকারী এবং সহযোগী অধ্যাপক পদমর্যাদার শিক্ষকরা সাধারণত বেশি শিক্ষাছুটি গ্রহণ করেন। শিক্ষাছুটিতে যাওয়ার সময় প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে বন্ডে স্বাক্ষর (প্রতিশ্রুতিপত্র) নেওয়া হয় যে, ছুটি শেষে তারা অবশ্যই চাকরিতে ফিরবেন। এই শর্তেই তারা ছুটিকালীন বেতন-ভাতাসহ বোনাস সুবিধা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বারবার চিঠি দেওয়ার পরও ২৮ শিক্ষক কোনো সাড়া দিচ্ছেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, একেকজন শিক্ষকের ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত বকেয়া রয়েছে। যার মোট পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি। তবে নোটিশ পাঠানোর পর দু-একজন শিক্ষক অর্থ ফেরত ও চাকরি ছাড়ার সম্মতি জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা শাখা সূত্রে জানা গেছে, একজন সহযোগী অধ্যাপক পাঁচ বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা বেতন পান। শিক্ষাছুটিতে যাওয়ার আগে একটি নির্দিষ্ট অর্থ বন্ড হিসেবে রাখা যেতে পারে। সাক্ষী রাখার প্রক্রিয়া আরও কঠিন করা উচিত, যেন শিক্ষক ফিরে না এলে সাক্ষীর ওপর চাপ প্রয়োগ করা যায়। তবুও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল অর্থ শিক্ষকদের কাছে বকেয়া থাকা নিয়ে নানা- সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় না হওয়ার পেছনে কর্তৃপক্ষের উদাসিনতাকে দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিযোগ, কেয়া টাকা আদায়ের ব্যাপারে অর্থ ও হিসাব দপ্তর এবং রেজিস্ট্রার দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে। এমনকি এর আগেও বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের জানানো হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি।
শুধু তাই নয়, অনুপস্থিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় শিক্ষকদের একাংশের অসহযোগিতা ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক জানান, শিক্ষকরা বিদেশে গবেষণার মাধ্যমে যে জ্ঞান অর্জন করছেন, তা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন বলেন, সব হিসাব নিখুঁতভাবে সমষ্টি করলে শিক্ষকদের কাছে বকেয়া টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বর্তমান প্রশাসন বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। সবাইকে ইতোমধ্যেই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তারা চাকরিতে যোগদান না করলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো অর্থ ফেরত দিতে হবে। প্রয়োজনে অর্থ আদায়ে আইনি ব্যবস্থা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে ডিন অফিস ছাড়লেন জবি অধ্যাপক







